Saturday, 14 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
সব ক্যাটাগরি

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই মার্কিন বিজ্ঞানী রবার্ট লেফকোইজ ও ব্রায়ান কোবিলকা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 148 বার

প্রকাশিত: October 10, 2012 | 3:43 PM

Details

চলতি বছর রসায়নে নোবেল পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিজ্ঞানী রবার্ট লেফকোইজ ও ব্রায়ান কোবিলকা। মানবদেহের কোষের রসায়ন নিয়ে গবেষণার জন্য তারা এ পুরস্কার পেলেন। মানবদেহের কোটি কোটি কোষ যেভাবে তাদের পরিবেশ তৈরি করে নেয়, তা নিয়ে কাজ করেছেন তারা। এক কোষ থেকে আরেক কোষে যে জটিল অন্তর্জালের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান চলে, তা নিয়ে কাজ করেছেন এই দুই বিজ্ঞানী। তারা এ পদ্ধতির নাম দিয়েছেন ‘জি প্রোটিন-কাপল্ড রিসেপ্টরস’।  গতকাল বুধবার রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অফ সায়েন্স সম্মানজনক এই পুরস্কারের জন্য রবার্ট জে লেফকোইজ (৬৯) এবং ব্রায়ান কোবিলকার (৫৭) নাম ঘোষণা করে।

চিকিত্সা বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি বাহ্যিক উদ্দীপনা মানব দেহের কোষ থেকে কোষে ছড়িয়ে দেয়া এবং এরপর শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর ক্ষেত্রে কোষের দেয়ালের সংকেত গ্রহণকারী ‘রিসেপটর’ গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন ভয় জাগানোর মতো  কিছু ঘটলে সেই তথ্য এই রিসেপটরের মাধ্যমে কোষ থেকে মস্তিষ্কে পৌঁছায়। এরপর হরমোন নিঃসরণের মাধ্যেমে মস্তিষ্ক আমাদের ভয়ের অনুভূতি জাগিয়ে সতর্ক করে দেয়। তখন শরীর প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয় । রয়্যাল সুইডিশ একাডেমির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জি প্রোটিন কাপলড রিসেপটর’ ঠিক কোন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তথ্য আদান-প্রদানের কাজটি করে -গবেষণায় তা দেখিয়েছেন লেফকোইজ ও কোবিলকা।’

নোবেল জয়ের খবরে প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক লেফকোইজ বলেন, সুইডেন থেকে যখন নোবেল কমিটির টেলিফোন এলো, তখন আমি ঘুমাচ্ছিলাম। আপনাদের বলতেই হচ্ছে, আমি আসলে কানে তুলা দিয়ে ঘুমাই। ফোন যখন এলো, আমি শুনতে পাইনি। আমার স্ত্রী পাশ থেকে কনুইয়ের ধাক্কায় আমার ঘুম ভাঙায়। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, খবরটা ছিল একেবারেই আকস্মিক, অভাবনীয়।’

লেফকোইজ ১৯৬৬ সালে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে যোগ দেন হাওয়ার্ড হিউস মেডিকেল ইনস্টিটিউটে। ডিউক ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারে মেডেসিন ও বায়োকেমিস্ট্রির অধ্যাপক হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি। আর কোবিলকা ১৯৮১ সালে ইয়েল থেকে ডক্টরেট করেন। বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সির স্কুল অব মেডিসিনে মলিকিউলার ও সেলুলার ফিজিওলজির অধ্যাপক হিসাবে কাজ করছেন। নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য বাবদ ৮০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার ভাগ করে নেবেন দুই বিজ্ঞানী। সূত্র বিবিসি, রয়টার্স, এএফপি।ইত্তেফাক

ট্যাগ:
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV