Thursday, 11 June 2026 |
শিরোনাম
Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
সব ক্যাটাগরি

রেজওয়ানুলের এক ‘সহযোগী’ গ্রেপ্তার, আরও পাঁচ ‘সহযোগীকে’ খুঁজছে পুলিশ, যুক্তরাষ্ট্রে ছাত্র ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপের আহ্বান সিনেটর’র

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 166 বার

প্রকাশিত: October 20, 2012 | 11:06 PM

রেজওয়ানুল আহসানরেজওয়ানুল আহসান II

ইব্রাহীম চৌধুরী, নিউইয়র্ক :: যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসবাদী হামলার ষড়যন্ত্রের দায়ে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি যুবক কাজী মোহাম্মদ রেজওয়ানুল আহসান নাফিসের কথিত এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক ভবন বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার ‘পরিকল্পনার’ অভিযোগে গত বুধবার গ্রেপ্তার করা হয় রেজওয়ানুলকে। পুলিশ বলেছে, স্যান ডিয়াগো শহর থেকে বুধবারই ভিন্ন অভিযোগে হাওয়ার্ড উইলি কার্টার দ্বিতীয় নামে রেজওয়ানুলের এক ‘সহযোগীকে’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর আরও পাঁচ ‘সহযোগীকে’ খুঁজছে পুলিশ। পুলিশ দাবি করেছে, শিশু পর্নোগ্রাফির অভিযোগে বুধবার স্যান ডিয়াগো শহর থেকে গ্রেপ্তার হাওয়ার্ড উইলি কার্টার দ্বিতীয় রেজওয়ানুলের সহযোগী। কার্টারের বাসার পাশের একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে তাঁর ল্যাপটপ কম্পিউটার ও একটি হার্ডড্রাইভ উদ্ধার করা হয়। এতে শিশু পর্নোগ্রাফির প্রায় এক হাজার ছবি ও তিনটি ভিডিও ফাইল পাওয়া যায়। পরে ওই ল্যাপটপে সঞ্চিত তথ্য থেকে কার্টারকে শনাক্ত করে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া ল্যাপটপে ‘ইয়াকিন’ নামের একজনকে লেখা ই-মেইল পাওয়া গেছে। ব্রুকলিন আদালতে অভিশংসকেরা বলেছেন, ফেডারেল রিজার্ভ ভবনে বোমা হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে এই ‘ইয়াকিন’ নামটি পাওয়া গেছে। এটি আসলে কার্টারেরই একটি ই-মেইল আইডি। মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বোমা হামলার পরিকল্পনা নিয়ে ছদ্মবেশী এক গোয়েন্দার সঙ্গে রেজওয়ানুলের কথা হয় কয়েকবার। রেজওয়ানুল ওই গোয়েন্দাকে জানিয়েছিলেন, ইয়াকিন নামে তাঁর এক সহযোগী আছে। এফবিআই দাবি করেছে, রেজওয়ানুল আল-কায়েদার নিহত ‘তাত্ত্বিক’ আনোয়ার আল-আওলাকির ভাবাদর্শে জিহাদের প্রতি উদ্বুদ্ধ হন।  নিউইয়র্কে নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে একটি রচনাও লিখেছেন রেজওয়ানুল। ওই লেখায় যুক্তরাষ্ট্রকে সমূলে ধ্বংস করার কথা উল্লেখ করা আছে। কতটা কার্যকরভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ধ্বংস করা যায়, সেই পরিকল্পনার কথা লিখেছেন তিনি। এদিকে, রেজওয়ানুল নির্দোষ বলে তাঁর পরিবার যে দাবি করেছে, তা-ও মার্কিন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত রেজওয়ানুলের পরিবারের আকুতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও সমব্যথী। একই সঙ্গে এ ঘটনায় তাঁরা বিব্রত বোধ করছেন এবং এর সম্ভাব্য বিরূপ প্রতিক্রিয়া নিয়ে শঙ্কিত। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে গত বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে, রেজওয়ানুলের ব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ভিক্টোরিয়া নুলান্ড বলেছেন, গ্রেপ্তারের পরদিনই রেজওয়ানুলের ছাত্র ভিসা বাতিল করা হয়েছে। রেজওয়ানুলের গ্রেপ্তারের ফলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত যাচাই প্রক্রিয়া ও সন্দেহের তালিকায় পড়বেন, এমন আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে। প্রভাবশালী মার্কিন আইনপ্রণেতা সিনেটর চার্লস শুমার ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ছাত্র ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন। রেজওয়ানুলের মতো ‘সন্দেহভাজন’ কীভাবে ভিসা পেয়েছেন, তা তদন্তের দাবি তুলেছেন তিনি। নিউইয়র্ক পুলিশের ভাষ্যমতে, গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বাংলাদেশে থাকা ‘সহযোগীদের’ সঙ্গে আলাপ করেছিলেন রেজওয়ানুল। জিহাদি পরিকল্পনায় নারী ও শিশুদের প্রাণহানি যথার্থ কি না, তা যাচাই করে দেখেন তিনি। নিউইয়র্কের পুলিশ কমিশনার রেমন্ড কেলি সিবিএস নিউজকে বলেছেন, রেজওয়ানুলের অন্তত পাঁচজন সহযোগীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খোঁজা হচ্ছে। ওই সব সহযোগীর সঙ্গে তাঁর ফোনালাপ ও ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের রেকর্ড রয়েছে গোয়েন্দাদের হাতে। নিউইয়র্কের পুলিশ বলেছে, সন্ত্রাসবাদী কাজে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়ে গোয়েন্দাদের পাতা ফাঁদে ধরা পড়েছেন রেজওয়ানুল। দুই সহপাঠীর বিস্ময়: নিউইয়র্ক থেকে এপির খবরে বলা হয়েছে, কয়েকজন পরিচিত মার্কিন নাগরিক বাংলাদেশি এই যুবকের গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে রেজওয়ানুল প্রথমে মিসৌরির যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন, সেখানকার সহপাঠী জিম ডাও বলেছেন, রেজওয়ানুলের সঙ্গে তাঁর কয়েকবার কথা হয়েছে। ছেলেটিকে তাঁর সন্ত্রাসী হামলা চালানোর মতো মানুষ বলে মনে হয়নি। সাবেক সেনা ৫৪ বছর বয়সী ডাও বলেন, রেজওয়ানুল বিন লাদেনের প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু একই সঙ্গে তিনি এ-ও বলেন, তাঁর ধারণা, লাদেন টুইন টাওয়ারে হামলা করেননি। কারণ হিসেবে রেজওয়ানুল মনে করেন, লাদেন একজন ধার্মিক লোক। এবং কোনো ধার্মিক লোক ওই কাজ করতে পারেন না। ডাও বলেন, ‘সবচেয়ে যে বিষয়টি আমাকে অবাক করেছে তা হলো, রেজওয়ানুল আমাকে স্পষ্ট করে বলেছিল যে প্রকৃত মুসলমান সহিংসতায় বিশ্বাস করে না।’ সহপাঠী ডিওন ডানকান বলেন, ‘নাফিস ভালো ছেলে ছিল। সে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের বিরোধিতা বা আমেরিকা নিপাত যাক ধরনের কথাবার্তা বলত না।’

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV