যুক্তরাষ্ট্রে শতাব্দীর ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড় স্যান্ডি জলবায়ু পরিবর্তনের ফল : বিশেষজ্ঞদের অভিমত
ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে শতাব্দীর ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড় স্যান্ডির প্রধান কারণ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনকেই দায়ী করছেন দেশটির বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা মনে করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ইস্যুটিকে এখনই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। নয়তো ভবিষ্যতে দেশটিকে আরো ভয়াবহ খেসারত দিতে হতে পারে। গত রবিবারও একদল জলবায়ু বিশেষজ্ঞ নিউ ইয়র্ক টাইমস স্কয়ারের সামনে জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদের আলোচনার বিষয় ছিল স্যান্ডিকে ঘিরে। সভা শেষে সবাই এই বাক্যে একমত হলেন যে, ‘জলবায়ুর নীরবতা শেষ।’ একই সঙ্গে তাঁরা বলেছিলেন, চলতি প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে জলবায়ু পরিবর্তন আলাদা একটি ইস্যু হতে পারে। কিন্তু ওবামা ও রমনি দুজনই বিষয়টি এত দিন ধরে সচেতনভাবেই এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। অবশেষে মঙ্গলবারের ভয়াবহ স্যান্ডি সত্যি সত্যি প্রমাণ করে দিল, জলবায়ুর নীরবতা শেষ হয়ে এসেছে। যদিও অনেকেই দ্বিমত পোষণ করে দাবি জানাচ্ছেন, স্যান্ডির মতো একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগই জলবায়ু পরিবর্তনের যথেষ্ট ইঙ্গিত বহন করে না। কিন্তু দেশটির আবহাওয়া ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা যুক্তি-প্রমাণসহ এই দাবির বিপক্ষে অবস্থান করছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি একদিনে হয়নি। কিংবা এটি পৃথিবীর শুরু থেকেই ছিল না। অর্থাৎ, পরিবেশের সঙ্গে মানুষের দীর্ঘদিনের বিনিময়েই সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। আর এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে মেঘের আর্দ্রতা আগের চেয়ে বেড়েছে বহুগুণে। বাড়তে বাড়তেই জন্ম নিয়েছে আজকের এই স্যান্ডি। বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, এটি এখন পরিষ্কার যে, নিউ ইয়র্কসহ আশপাশের শহরগুলোতে আগের চেয়ে বৃষ্টিপাত অনেক বেড়েছে। কয়েক বছর আগেও এখানে এক মৌসুমে এত বৃষ্টিপাত হতো না। বিশেষজ্ঞরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে নিউ ইয়র্কসহ অনেক রাজ্যকেই এর চেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হবে। বিশেষজ্ঞরা স্যান্ডি সম্পর্কে বলছেন, ‘এই দুর্যোগের ফলে আমরা এখন উপলব্ধি করতে পারছি যে, জলবায়ুর পরিবর্তন আমাদের জন্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে। এই দুর্যোগ আমাদের আমেরিকানদের ১৮৯৩, ১৯১১ ও ১৯৩২ সালের দুর্যোগের কথাই বারবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। একই সঙ্গে ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভবিষ্যতে এই দুর্যোগ আরো কত ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।’ এদিকে লাখ লাখ আমেরিকানও স্যান্ডির কারণে এখন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে চিন্তিত। তারা মনে করছে, আর দেরি করার সময় নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের ইস্যুটি প্রধান রাজনৈতিক ইস্যু করে তোলার প্রয়োজন এখনই। তবে খেয়াল করার বিষয় হলো, স্যান্ডি-পরবর্তী নির্বাচনী প্রচারণার কাজে ওবামা কিংবা রমনি জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুটিকে কতখানি গুরুত্ব দেন। সূত্র : ওয়াশিংটন পোস্ট, স্যালন।কালের কণ্ঠ
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








