বিজয়ক্ষণে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে -জুয়েল সামাদ

বারাক ওবামার নির্বাচনী প্রচারণার ছবি তুলছেন জুয়েল সামাদ

শিকাগো, যুক্তরাষ্ট্র: বিজয়ের রাতে পুর্ননির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা-জুয়েল সামাদ/এএফপি

অভিবাদন জানাচ্ছেন বারাক ওবামা। সঙ্গে স্ত্রী মিশেল এবং দুই মেয়ে সাশা ও মালিয়া-জুয়েল সামাদ/এএফপি

বাঁধভাঙা আনন্দ- জুয়েল সামাদ/এএফপি

বিজয়ীর হাসি
বারাক ওবামা ও মিশেল ওবামা- ছবি : জুয়েল সামাদ/এএফপিI মূল রচনা: নির্বাচনী প্রচারণা আর বিজয়মুহূর্তে বারাক ওবামার সঙ্গে ছিলেন এএফপির হোয়াইট হাউজ ফটোসাংবাদিক বাংলাদেশের জুয়েল সামাদ। তিনি লিখেছেন সেই অভিজ্ঞতা I
জুয়েল সামাদ, শিকাগো, যুক্তরাষ্ট্র থেকে : প্রচণ্ড ব্যস্ততার মধ্যে কাটছিল দিনগুলো। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নির্বাচনী প্রচারণার শেষ সপ্তাহ। দিনে ২০ ঘণ্টা কাজ করছিলাম। কিন্তু শিকাগোর নির্বাচনী শোভাযাত্রায় পৌঁছাতেই সব ক্লান্তি উবে গেল নিমেষে। নিজেকে মনে হচ্ছিল ‘নতুন উদ্যমে উজ্জীবিত আর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য পুরোপুরি তৈরি।’ মনে পড়ল, ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময়েও ঠিক এই অনুভূতিই কাজ করছিল। সবাই তখন ফলাফল শোনার জন্য অধীর। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার প্রহর কেটেছে মোটর শোভাযাত্রায়। ওবামার বিজয়ের আনন্দ উদ্যাপনের জন্য তর সইছিল না কারোরই। অপেক্ষা ছিল, কখন মিট রমনি বোস্টনের মঞ্চে আসবেন। যুক্তরাষ্ট্রে এটাই প্রথা। পরাজিত প্রার্থীই মঞ্চে আসেন আগে। তিনি অভিনন্দন জানান বিজয়ীকে। দারুণ উৎকণ্ঠা আর উত্তেজনায় কাটছিল ওবামার একনিষ্ঠ সমর্থকদের সময়। বিজয় নিশ্চিত হতেই উৎকণ্ঠা রূপ নিল উচ্ছ্বাসে। বিজয়ের আনন্দ যেন উত্থাল ঢেউয়ের মতো আছড়ে পড়ছিল সমর্থকদের ওপর। শিকাগোর বলরুম থেকে হোয়াইট হাউসের বাইরে, নিউইয়র্কের জলোচ্ছ্বাস প্লাবিত রাস্তায়, আর টিভি সেটের সামনে—সবখানেই ছড়িয়ে গিয়েছিল বিজয়ের আনন্দ। সবখানেই নেচে-গেয়ে চলছিল ওবামা-সমর্থকদের বিজয় উদ্যাপন। অবশেষে অপেক্ষার পালা ফুরোল। শিকাগোর মঞ্চে এলেন যুক্তরাষ্ট্রের পুনর্নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। সঙ্গে স্ত্রী মিশেল এবং দুই মেয়ে সাশা ও মালিয়া। সমর্থকদের উল্লাসের জোয়ার এবার বাঁধ ভাঙল। সম্মিলিত উল্লাসধ্বনি চলছিল আর তারই ফাঁকে চোখের পানি মুছছিলেন কেউ কেউ। আনন্দাশ্রু! আমার ক্যামেরা তখন তৈরি। জানা ছিল, ঠিক এই মুহূর্তটাকে যথার্থভাবে তুলে ধরার জন্য কী ধরনের ছবি আমার দরকার। ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আপনারা আমেরিকার মানুষ আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন, আমাদের চলার পথ কঠিন, আমাদের সফর দীর্ঘ। কিন্তু এর মধ্যেও আমরা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছি। আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি।’ বলছিলেন বারাক ওবামা। ‘আমরা অন্তর থেকে জানি, আমাদের সেরাটা এখনো বাকি।’ সঙ্গে যোগ করলেন বারাক ওবামা। এদিকে, ছবি তোলা, ছবি সম্পাদনা আর সেগুলো সময়মতো পাঠানো—সব মিলিয়ে দম ফেলার ফুরসত নেই আমাদের। ওবামার বিজয়ী ভাষণের পর মঞ্চে ফিরে আসেন মিশেল ওবামা ও তাঁর দুই কন্যা। সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বিডেন ও তাঁর স্ত্রী। আমরা হোয়াইট হাউসের ট্রাভেল পুলের ফটোসাংবাদিকেরা (এএফপি, এপি ও রয়টার্স—এই তিন বার্তা সংস্থার তিনজন)। অবিরত ছোটাছুটি করছিলাম মঞ্চের সামনের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে। সেরা ছবিটি ক্যামেরাবন্দী করার জন্য। প্রেসিডেন্ট ওবামার বক্তৃতা শেষ। ছবি পাঠানোর জন্য হাতে সময় মাত্র কয়েকটা মিনিট। তার পরই আবার ছুটতে হবে মোটর শোভাযাত্রার সঙ্গে যোগ দিতে। আবারও মোটর শোভাযাত্রায় এসে যোগ দিলাম। পথিমধ্যে প্রেসিডেন্টের পরিবারকে পৌঁছে দেওয়া হলো হাইড পার্কে। এখানেই তাদের পারিবারিক বাড়ি।হোটেলে ফিরতে ফিরতে ভোর চারটা। আরও একটা কর্মক্লান্ত দিন পার হলো। এবার খানিকটা চোখ বুজতে পারি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, নয়টা ৪৫ মিনিটে আবারও আসবে ‘ডাক’। ছুটতে হবে আবারও। বারাক ওবামা পুননির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে এএফ১ বিমানে চেপে আবার ফিরে যাবেন হোয়াইট হাউজে। সঙ্গে আমরাও।৬ নভেম্বর, ২০১২, প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








