গানে, কবিতায়, লেখা পাঠ, স্মৃতিচারণ ও বইমেলা উদযাপনের মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কে হুমায়ূন জন্মোৎসব
নিউইয়র্ক : গানে, কবিতায়, স্মৃতিচারণ, লেখায়, কেক কেটে ও ৫দিনের বইমেলা উদযাপনের মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কে হুমায়ূন জন্মোৎসব পালিত হয়েছে গত ৯ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। নিউইয়র্কের লেখক-সাহিত্যিক-সাংবাদিক-সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলের ব্যাপক সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত জন্মোৎসব পালিত হয়।স্মৃতিচারণ করেন সাহিত্যিক হাসান ফেরদৌস, সাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ, মঞ্জুর আহমেদ, বাংলা পত্রিকা সম্পাদক আবু তাহের, বৈশাখী টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক হাসানুজ্জামান সাকী, হুমায়ূন আহমেদ-এর আত্মীয় এ আর কে ইউসুফ জাই ও মুক্তধারার কর্ণধার বিশ্বজিত সাহা। হুমায়ূন আহমেদ গল্প বলেন সরল ভাবে বলেন কলামিস্ট ও প্রাবন্ধিক হাসান ফেরদৌস। তিনি বলেন, হুমায়ূন পড়তে ভালো লাগে। তার লেখায় স্বপ্ন দেখায়। পড়ি কিন্তু ভুলে যাই। তবে মনের মধ্যে একটা প্রলেপ তৈরী হয়। হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা ‘জলিল সাহেবের পিটিশন’ গল্পটি সংক্ষেপে শোনান। তিনি আরো বলেন, হুমায়ূন আহমেদ-এর যে অমিত সম্ভাবনা ছিল তা তিনি ব্যবহার করেননি।

নিনি ওয়াহেদ বলেন, মুক্তধারা যখনি এধরণের অনুষ্ঠান করে সেটি কোন না কোনভাবে নতুন মাত্রা পায়। এই অনুষ্ঠানে আমাদের মত মানুষের জন্য আনন্দের। হুমায়ূন আহমেদ মুক্তধারার বইমেলার মাধ্যমে আমেরিকা তথা নিউইয়র্ক প্রবাসী বাঙালীদের কাছেও অতি চেনা মানুষ। তাদের প্রিয় মানুষ। হুমায়ূন আহমেদ এর সাহিত্য বিচারে কতটুকু সফল তা নিয়ে সাহিত্য সমালোচকরা নিরূপন করবেন। তবে এটা সত্যি হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য বিচারে। মানুষ জানে, মানুষ বোঝে, হুমায়ূন আহমদকে উপজীব্য করে এখন অনেকেই মাঠে নেমেছেন। যাদেরকে কখনো আগে দেখা যায়নি হুমায়ূন আহমেদ নিয়ে তাদের কোন আগ্রহ ছিল ।

সাংবাদিক মঞ্জুর আহেমদ বলেন, বইমেলার মাধ্যমে নিউইয়র্কে আমরা হুমায়ূন আহমেদকে বিভিন্ন সময়ে কাছে পেয়েছি। বাংলাদেশের মত নিউইয়র্ক হুমায়ূন আহমেদ-এর জীবনের অনেকাংশ জুড়ে ছিল। আর এর জন্য মুক্তধারাকে ধন্যবাদ জানাতেই হয়।
হাসানুজ্জামান সাকী তাঁর সাথে হুমায়ূন আহমেদ-এর পরিচয় এবং মৃত্যুর পর হুমায়ূন আহমেদ এর দাফন নিয়ে বৈঠকে অংশগ্রহণের বিভিন্ন কথা তুলে ধরেন।
কবিতা পাঠ পর্বে হুমিায়ূন আহমদকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখা কবিতা পাঠ করেন মুকুট ইব্রাহীম। এছাড়া হুমায়ূন আহমেদ-এর লেখা কবিতা পাঠ করেন সেমন্তী ওয়াহেদ, গোপন সাহা, সেলিফ আফসারী, কামরুজ্জামান ও শাহ আলম দুলাল। ছবি বানানোর গল্প-এর মজ্রা অংশ পড়ে শোনান রানু ফেরদৌস। হিমুর বাবার কথামালার অংশ বিশেষ পড়ে শোনান মুহাম্মদ আরিফ হোসেন। শেষে হুমায়ূন আহমেদ এর প্রিয় গান চাঁদনী পসল রাতে যেন আমার মরণ হয়, নিশা লাগিল রে. আমার গায়ে যত দুঃখ পরিবেশন করেন দিলরুবা নার্গিস ও আল আমিন বাবু। সবশেষে সমবতে কন্ঠে মঙ্গলালোকে আনন্দলোকে গানটি পরিবেশনের পর সাংবাদিক মঞ্জুর আহমেদ-এর কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। সঞ্চলনায় ছিলেন বিশিষ্ট আবৃত্তিকার ফারুক ফয়সল।
উল্লেখ্য, গত ৯ নভেম্বর থেকে মুক্তধারায় হুমায়ূন আহমেদ শতাধিক গ্রন্থ, চলচ্চিত্র, নাটক এবং গানের সিডির প্রদর্শনী শুরু হয়। জন্মোৎসবের অনুষ্ঠানের শুরুতে বড় পর্দায় হুমায়ূন আহমেদ-এর সর্বশেষ ছবি ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ প্রদর্শিত হয়। জন্মোৎসব উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটসের মুক্তধারা বিভিন্ন সাজে সজ্বিত ছিল।
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”








