Saturday, 14 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশে যেতে ওবামাকে উৎসাহিত করব : প্রথম আলোকে বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত হাওয়ার্ড বি শেফার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 31 বার

প্রকাশিত: November 17, 2012 | 6:07 PM

হাওয়ার্ড শেফার

 

বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত হাওয়ার্ড বি শেফার বলেছেন, ‘আমি বাজি ধরে বলতে পারি, প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁর আগামী চার বছর মেয়াদের মধ্যে বাংলাদেশ সফরে যাবেন। তিনি যাতে বাংলাদেশ সফরে যান, সে জন্য আমি তাঁকে উৎসাহিত করতে চাই।’ প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রথম মিয়ানমার সফর সামনে রেখে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপচারিতায় বর্ষীয়ান এই মার্কিন কূটনীতিক এ মন্তব্য করেন। তাঁর ৩৬ বছরের কূটনৈতিক জীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে দক্ষিণ এশিয়া নিয়েই। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে তিনি অনেকটা সময়জুড়ে ছিলেন দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ১৯৮৪-৮৭ সালে তিনি বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত ছিলেন। বর্তমানে জর্জ টাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন নীতি বিষয়ে অধ্যাপনারত হাওয়ার্ড শেফার বলেন, ‘দিয়াগো গার্সিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি রয়েছে। এখন ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তার লক্ষ্য হচ্ছে, সমুদ্রপথগুলো নৌচলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা; যাতে এ অঞ্চলের দেশগুলো আন্ত-নৌবাণিজ্য সুবিধা নির্বিঘ্নে ভোগ করতে পারে। আমি মনে করি, যুক্তরাষ্ট্রের এই নীতির সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের সামঞ্জস্য রয়েছে।’ যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো যে আকস্মিকভাবে মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে এল, তা তার প্রতিবেশীদের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে—এ প্রশ্নের উত্তরে হাওয়ার্ড বি শেফার বলেন, ‘আমার ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র ও মিয়ানমারের মধ্যকার সদ্ভাব এ অঞ্চলের সব দেশের জন্য সুফল বয়ে আনবে। এটা মিয়ানমারকে আরও উন্মুক্তকরণের দিকে নিয়ে যাবে। এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারত সমভাবে উপকৃত হবে। বিশেষ করে, তারা যে আন্তযোগাযোগের কথা বলছে, সেটার বাস্তবায়ন তখন সহজ হয়ে আসবে।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মিয়ানমারের রুদ্ধ কপাট যদি খুলে যায়, তাহলে প্রতিবেশী, বিশেষ করে বাংলাদেশের সঙ্গে তার বোঝাপড়ার প্রক্রিয়াটা একটা যৌক্তিক ভিত্তি খুঁজে পাবে। কারণ, মিয়ানমার তখন ভাববে, বাংলাদেশের সঙ্গে তার এমন সম্পর্ক রাখাই সমীচীন হবে, যাতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে তার সম্পর্কে কোনো ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি না হয়। বর্ষীয়ান এই কূটনীতিক আরও বলেন, ‘মনে রাখতে হবে, এখনো পর্যন্ত মিয়ানমার এমনই একটি দেশ, যে কিনা অন্যান্য দেশ কে কী ভাবল, তা পাত্তা না দিয়েই চলে এসেছে। এত দিন তারা বিচ্ছিন্ন থেকেছে এবং অধুনা তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে শুরু করেছে। তাই আমি মনে করি, বারাক ওবামার ইয়াঙ্গুন সফর শুধু দুই দেশই নয়, প্রতিবেশীদের জন্যও একটি নতুন দিনের বার্তা বয়ে আনছে। আপনি আপনার স্বার্থেই ঘরের কাছে এমন একটি সেনাশাসিত সরকার নিয়ে স্বস্তি পেতে পারেন না, যে কিনা আন্তর্জাতিক মতামত উপেক্ষা করে চলে। কারণ, এখন সময় বদলাচ্ছে।’ সংক্ষিপ্ত কিংবা যাত্রাবিরতি নয়, বাংলাদেশে মার্কিন প্রেসিডেন্টের পূর্ণাঙ্গ সফরের সম্ভাবনা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে হাওয়ার্ড বি শেফার বলেন, কোনো দেশে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সফর অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। ভারতের ৫০ বছর পূর্তিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভারতে যেতে আগ্রহী থাকলেও সে দেশের সরকারের তখন তাঁকে বরণ করার অবস্থা ছিল না। ভারতে ওই সফরসূচি চূড়ান্ত করতে ১০টি বছর ব্যয় হয়েছে। বাংলাদেশে ক্লিনটনের সংক্ষিপ্ত সফরও কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে কাটছাঁট করতে হয়েছিল। বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি, বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য আন্দোলনের প্রসঙ্গও তোলেন হাওয়ার্ড শেফার। ২০০৮ সালের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে তিনি ঢাকা সফর করেছিলেন। তাঁর কথায়, ওবামা নির্বাচন-পরবর্তী ব্যস্ততা কাটিয়ে উঠে নিশ্চয় বাংলাদেশ সফরে মনোযোগী হবেন। তবে বাংলাদেশে যদি নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, যদি রাজনৈতিক সংকট চলতে থাকে; তাহলে শুধু মার্কিন প্রেসিডেন্টই নন, কোনো বিদেশি রাষ্ট্রনেতার পক্ষে যাওয়া কঠিন হবে। ওয়াশিংটন ডিসিতে রকউড পার্কওয়ের বাসভবনে দেওয়া এই আলাপচারিতার সময় তাঁর স্ত্রী তেরেসিতা শেফারও উপস্থিত ছিলেন। শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিসেস শেফারও দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ। তাঁর কথায়, মিয়ানমারে যদি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে, তাহলে হয়তো এত বিপুলসংখ্যক উদ্বাস্তু বাংলাদেশে আসবে না।প্রথম আলো

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV