মেজর (অবঃ) জলিলের মৃত্যুবার্ষিকীতে তৃতীয় শক্তির ঐক্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ জে এস ডি নেতৃবৃন্দদের
বাপ্স নিউজ, নিউইয়র্ক : ‘৭১-এ বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর যে পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিলো, বিদেশী লটুপাট আধিপত্য আগ্রাসনের কালো থাবা সেদিন যেভাবে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে করতগত করেছিলো, ঠিক তেমনি পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে আজ। সেদিন যেমন প্রয়োজন হয়েছিলো প্রতিবাদ প্রতিরোধ, আজকেও তেমনি প্রয়োজন দেশের স্বাধীনতা সংহত করা সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারে সর্বস্তরের দেশপ্রেমিক জনগণের ঐক্য, প্রতিবাদ প্রতিরোধ। মেজর জলিল ছিলেন সেদিনের সেই লুটপাট আগ্রাসনের প্রথম প্রতিবাদকারী। প্রতিরোধ করতে গিয়ে প্রথম কারাবরনকারী। আজ প্রয়োজন সেই অসীম সাহস অমিত তেজ, যা নিশ্চিত করতে পারবে বাংলাদেশ নামের ভূখন্ডের ষোল কোটি মানুষের সত্যিকারের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব।’ গত ১৯ নভেম্বর সোমবার জ্যাকসন হাইটসে বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের ৯নং সেক্টর কমান্ডার মেজর (অবঃ) এম এ জলিলের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা উপরোক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন। মেজর জলিলের জীবনী আলোচনাকালে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আলোচকরা বলেন, জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে আলোকবর্তিকা হয়ে তিনি রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর দেশপ্রেম প্রকৃত দেশপ্রেমিকদের জন্য দৃষ্টান্ত। মেজর জলিলই প্রথম ব্যক্তি যিনি স্বাধীনতার পর ভারতীয় সৈন্যদের লুটপাটে বাধা দিয়েছেন, স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের প্রথম রাজবন্দী। তিনি তৎকালীন সরকারের অন্যায়, অবিচার আর একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু জাতি হিসেবে আমরা জলিলের মতো বীরদের যথাযথ সম্মান দিতে পারিনি। তাঁদেরকে সম্মান জানানো জাতির দায়িত্ব ও কর্তব্য। আলোচকরা বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা জাতীয় বীর। দলমতের উর্ধ্বে তাঁদের প্রত্যোককেই যথাযথ সম্মান জানানো এবং যাঁর যা অবদান তার স্বীকৃতি দেয়া উচিৎ। জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) নেতৃবৃন্দ তাদের ভাষনে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং মেজর জলিলের স্মৃতিচারণ করে বলেন, স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগের একটি অংশ বিত্ত-বৈভব গড়েছে আর একটি আদর্শ ধারন করেছে। নিঃস্বার্থভাবে দেশের জন্য কাজ করেছে। জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) হচ্ছে সেই আদর্শ ধারনকারিদের গ্রুপ। দেশের তৎকালীন পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেশপ্রেমিক টগবগে তরুণরাই সেদিন জাসদ প্রতিষ্ঠা করেছিলো, সরকারের অত্যাচার-নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলো। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে রক্ষী বাহিনীর অত্যাচার নির্যাতনের কাহিনী তুলে ধরে, সে ছিলো এক ভয়ংকর পরিবেশ। তরুণরা সন্ধ্যার পর রাস্তায় বের হতে পারতো না। রক্ষী বাহিনী যাকে একবার ধরে নিয়ে যেতো তাকে আর জীবন্ত ফিরে পাওয়া যেতো না। পর দিন তার লাশ ফেরত আসতো। মানুষ বলতো রক্ষী বাহিনীর অত্যাচার নয় মাস পাক বাহিনীর অত্যাচারকেও ভুলিয়ে দিয়েছে। জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) নেতৃবৃন্দ বলেন, শেখ মুজিবের ৭ মার্চের ভাষণকে স্বাধীনতার ঘোষণা বলা সঠিক হবে না এজন্যই যে পরের দিন তিনি ইয়াহিয়ার সাথে বৈঠকে বসেছেন। কি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তিনি ইয়াহিয়ার সাথে? নিশ্চয়ই স্বাধীনতা নিয়ে নয়। ২৫ মার্চ পর্যন্ত জাতিকে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুতও করা হয়নি। বঙ্গবন্ধুকে জাতির ট্র্যাজিক নায়ক আখ্যায়িত করে বলেন, তিনি যা বলতে চেয়েছেন তা বলতে পারেন নি, যখন পেয়েছেন তখন ভোগ করতে পারেন নি। তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতীয় বীর, সূর্য সন্তান। তাদের প্রত্যেকের মূল্যায়ন করতে হবে। সেদিন মেজর জলিলকে কোন রাষ্ট্রীয় খেতাব না দেয়ার তীব্র সমালোচনা করে তারা বলেন, যে জাতি নিজের সম্মান দিতে জানে না সে জাতি কোন দিন মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। হীনমন্যতায় ভোগে। আলোচনা সভাটিকে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ অভিহিত করে বলেন, এ ধরনের সভা আরো অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) নেতা আরো বলেন, আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মেজর জলিলের লড়াই ছিলো সঠিক সময়ে একটি সঠিক কাজ। যার জন্য তাঁকে চরম মূল্য দিতে হয়। এম এ জলিল আমাদের জন্য আদর্শ হতে পারেন। বাংলাদেশের চলমান সার্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তারা প্রশ্ন রেখে বলেন, আমাদের স্বাধীনতা ভূখন্ড আছে, আছে জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত, সংসদ, সরকার, সুপ্রীম কোর্ট। তারপরও কি আমাদের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা আমাদের হাতে আছে? নিজের ভাগ্য নিজের হাতে গড়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারাই হচ্ছে সার্বভৌমত্ব। আমরা কি আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম? জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) নেতৃবৃন্দ বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষের ও র্বতমান পরস্তিথিরি প্রক্ষোপটে তৃতীয় গণতান্ত্রকি শক্তির ঐক্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বাধীনতার পর যেদিন মেজর জলিল গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম চারু মজুমদার কেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলেন। মেজর জলিল আধিপত্যবাদ-বিরোধী লড়াইয়ের অকুতোভয় সৈনিক। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত যিনি জাতির আত্ম পরিচয়ের সন্ধান করেছেন। ‘সীমাহীন সমরে’ বইয়ে মেজর জলিল বলেছেন এ যুদ্ধই শেষ যুদ্ধ নয়। আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক স্বাধীনতার যুদ্ধ চলছেই, চলবেই। অভিমত ব্যক্ত করেন, আসাম এবং ভারতের সেভেন সিস্টার বাংলাদেশের সাথে এক হওয়া উ”িত। আমাদেরকে সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের পক্ষে কথা বলতে হবে। তা যদি না পারি মেজর জলিলের পক্ষে কথা বলার কোন অধিকার নাই। জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) নেতৃবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে আরো বলেন, মেজর জলিলের নেতৃত্বেই নভেম্বর মাসের শেষ দিকে চৌগাছা রণাঙ্গন হিসেবে খ্যাত যশোহর পাক হানাদার মুক্ত হয়। আর ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারতীয় সৈন্যদের লুটপাটের বিরুদ্ধে তিনিই প্রথম রুখে দাঁড়ান, প্রতিবাদ করেন। সে সময় কলকাতায় অবস্থানরত তাজউদ্দিন আহমদকে চিঠি লিখে বিষয়টি জানান। ভারতীয় জেনারেল অরোরকে জানান। তারা সে লুটপাট বন্ধে কোন উদ্যোগ নেয়নি, ভারতীয় আগ্রাসন আর শয়তানির বিরুদ্ধে মেজর জলিল সবসময় সোচ্চার ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব যতটুকু আছে তার সূচনা করে গেছেন মেজর জলিল। যশোহর-বেনাপোল সড়কটিকে মেজর এম এ জলিলের নামে নামকরণের দাবী জানান। বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন যারা মেজর জলিলকে একটি উপযুক্ত খেতাবে ভূষিত করবেন। জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) নেতারা তাদের বক্তব্যে মেজর জলিলের সাথে তাহাদের বিভিন্ন স্মৃতির কথা উল্লেখ করে বলেন, জলিল-তাহেররা রাজনীতিক ছিলেন না, দেশ-জাতির প্রয়োজনে তারা রাজনীতির আসতে বাধ্য হন। জলিলের দার্শনিক চিন্তার কারনে তাকে রাজনীতিতে আনা হয়। তারা বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার আগ থেকেই বাংলাদেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছিলো। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে দুই ভাগে বিভক্ত করে ফেলার জন্য ভারতীয় র’য়ের বিরাট ভূমিকা ছিলো। ছাত্রলীগ নেতা স্বপন কুমার চৌধুরী প্রথম স্বাধীনতার প্রস্তাব উত্থাপন করেন বলে উল্লেখ করে তারা বলেন, শেখ মনির নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ আহত সেই স্বপনকে একজন নার্সসহ হাসপাতাল থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে। এটাই ইহিহাস। নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা জাসদ করে ভুল করিনি। চাটুকার রাজনীতিকদের জন্য আমরা দেশে টিকতে পারিনি। কোন পক্ষাবলম্বন না করে জাসদ নেতৃবৃন্দ দলমতের উর্ধ্বে থেকে জাতির জন্য ইতিহাস তুলে ধরার জন্য মিডিয়ার প্রতি আহ্বান জনান। আলোচনা অনুষ্ঠানটিকে অনেক বিলম্বে হলেও একটি ভালো উদ্যোগ বলে অভিহিত করে বলেন, মেজর জলিল ছিলেন একজন অকুতোভয় সৈনিক আদর্শবাদী পুরুষ। জাতির দূর্ভাগ্য তার কাছ থেকে কিছু পাওয়ার আগেই তিনি আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে গেছেন। আজকের প্রেক্ষিতে মেজর জলিলের মতো আদর্শবান ব্যক্তিত্বের প্রয়োজন। স্বাধীন বাংলাদেশে যখন কোন আইন-শৃংখলা ছিলো না ছিলো একনায়কতন্ত্র তখন দেশ ও জাতির প্রয়োজনে আলোকবর্তিকা হয়ে মেজর জলিলের রাজনীতিতে আগমন আর জাসদের আত্মপ্রকাশ ঘটে। ভারতীয় আগ্রাসন আর লুটপাটের প্রতিবাদ করায় স্বাধীনতা অর্জনের ১৫ দিনের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ জলিলকে গ্রেফতার করা হয়। জাতির দূর্ভাগ্য হচ্ছে অনেকে যুদ্ধ করেও আজকের বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী হয়েছেন, আবার অনেকে যুদ্ধ না করেও বড় মুক্তিযোদ্ধা সেজেছেন। আমাদের রাজনীতিকদের কোন দূরদর্শিতা নেই, নেই অতীতের মূল্যায়ন আর ভবিষ্যতের সঠিক পরিকল্পনা। জাতীয় বীরদের সম্মান নেই। ফলে বাংলাদেশ পিছিয়ে যাচ্ছে। বলেন, মুক্তিযুদ্ধে দেশের ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ দিয়ে থাকলে ৩০ লাখ পরিবারকেই সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। তিনি বিভেদ-বিভক্তি ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে আদর্শভিত্তিক রাজনীতি করে দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য রাজনৈতিক দল ও রাজনীতিকদের প্রতি আহ্বান জানান। স্বাধীন বাংলাদেশে যখন সাধারণ মানুষের পক্ষে কথা বলার কেউ ছিলো না তখন মেজর জলিল কথা বলেছেন। তিনি নিঃস্বার্থভাবে দেশের কথা ভেবেছেন। পক্ষান্তরে আজকের রাজনীতিকরা দেশের স্বার্থ নয়, অর্থ আর ক্ষমতা নিয়ে ব্যস্ত। পুরো জাতি আজ বন্দী রাজনীতিবিদদের হাতে। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দেশের যুব সমাজকে যারা উদ্ধুদ্ধ করেছেন মেজর জলিল তাদের একজন। দেশপ্রেমিক জলিলকে জাতির সামনে উপমা হিসেবে তুলে ধরতে হবে, তাঁর আদর্শের কথা চেতনার কথা দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) নেতৃবৃন্দ বলেন, আজ নব্য রাজাকাররা ‘৭১-এর রাজাকারদেরকে হার মানিয়েছে। এদেরকে প্রতিরোধ করতে না পারলে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বলে আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। তিনি মেজর জলিলকে ‘শেরে মুক্তিযোদ্ধা’ খেতাবে ভূষিত করে বলেন, এই খেতাবটা একমাত্র তারই প্রাপ্য কারন তিনি প্রথম ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে হুংকার দিয়েছিলেন। জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) নেতৃবৃন্দ বলেন, বলেন, মেজর জলিল ছিলেন বাঙ্গালীর মধ্যে অত্যন্ত মেধাসম্পন্ন অফিসার। তিনিই প্রথম ভারতীয় সৈন্যদের বলেছিলেন, যুদ্ধ শেষ এখন তোমরা চলে যাও। ‘৭১-এ যুদ্ধের সময় তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধাদেরকে পাওয়া যেতো কলকাতার সোনাগাছি গ্রান্ড হোটেলে পতিতা আর মদ নিয়ে পড়ে থাকতে। যুদ্ধ আমরা করেছি। এ দেশের গরীব দুঃখী মানুষের সন্তানরা করেছে। তিনি ছিলেন আপাদমস্তক একজন মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধের পর পাক আর্মির রেখে যাওয়া অস্ত্র গোলাবারুদ সব ভারতীয় বাহিনী নিয়ে গেছে। সে সব যদি আমরা পেতাম আজ পর্যন্ত আমাদেরকে কোন অস্ত্র কিনতে হতো না। সামনে লড়াই আসছে। বিগত তিন বছর ধরে বাংলাদেশকে রণাঙ্গনে পরিণত করার ষড়যন্ত্র চলছে। সম্মিলিতভাবে এই ষড়যন্ত্র রুখতে হবে। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা আজ বিপন্ন, সার্বভৌমত্ব অন্যের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিরক্ষা স্বরাষ্ট্র সব জায়গায় আজ ভিনদেশী নিয়ন্ত্রণ। সকল সিদ্ধান্ত আসে বাহির থেকে। কোন প্রতিবাদ হচ্ছে না। প্রতিবাদে সে সাহস আজ যেন কারো নেই। এ অবস্থায় দরকার ছিলো মেজর জলিলের। তিনিই প্রথম ভারতীয় আগ্রাসন আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। আমরা প্রবাস থেকেই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলনের সূচনা করতে চাই। দেশ ও জাতির স্বার্থে আগামীতে সভা-সমাবেশ-সেমিনার আয়োজন মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। সভায় মেজর (অবঃ) এম জলিলের বিদেহী আত্মার শান্তি এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয় ৫২ সালের মহান মাতৃভাষা আন্দোলনের শহীদ ও মহান মুক্তিযোদ্ধে যে ৩০ লক্ষ শহীদ হয়েছেন এবং ১৯৭২ সালের ৩১শে অক্টোবর জাসদ প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে প্রাণ দিয়েছেন সকলের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। সভায় জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) সভাপতি হাজী মোঃ আনোয়ার হোসেন লিটনের এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সামছু উদ্দিন আহম্মদ শামীম পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় সমাজ তান্ত্রকি দল ( জে এস ডি ) র তছলিম উদ্দিন খান, নেতা, মোঃ শরিফ উদ্দিন, এম এ মালেক, ইকবাল হোসেন সহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ। সভার সভাপতি হাজী মোঃ আনোয়ার হোসেন লিটন উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”








