Sunday, 25 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

কেয়ামতের গুজব!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 85 বার

প্রকাশিত: November 30, 2012 | 4:58 PM

আবারও কেয়ামতের গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। বলা হচ্ছে, কেয়ামতের বাকি আর মাত্র ২০ দিন। ২১ ডিসেম্বর ধ্বংস হয়ে যাবে আমাদের প্রিয় এই পৃথিবী। এই গুজবের কারণ হলো সুমেরীয়রা আবিষ্কার করেছিল, নিবিরু নামের একটি গ্রহ পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। ওই গ্রহের আঘাতে ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, এ কথার কোনো সত্যতা নেই। ২১ ডিসেম্বর কেয়ামত হবে না। তাদের ভাষ্য, গত ৪০০ কোটি বছর ধরে পৃথিবী সুন্দর সময় কাটিয়েছে। এখনও পৃথিবীর সামনে কেয়ামত হওয়ার মতো বিশ্বাসযোগ্য কোনো আলামত নেই। তবে অনেকের স্মরণ থাকার কথা, আরও আগেই রোজ কেয়ামতের কথা ছিল। বলা হয়েছিল, ২০০৩ সালেই কেয়ামত হবে, কিন্তু যখন দেখা গেল, কিছুই হলো না, তখন তারিখ পিছিয়ে ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়। আর এই তারিখটি উঠে আসে মায়া ক্যালেন্ডার অনুসারেই। কারণ মায়া ক্যালেন্ডারে ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বরের পরের আর কোনো তারিখই নেই। তবে নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটিও সঠিক নয়। মায়া ক্যালেন্ডারের শেষ তারিখ ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর নয়।  নাসার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘আপনার দেয়ালের ক্যালেন্ডারেও তো ৩১ ডিসেম্বরের পরে আর কোনো তারিখ থাকে না। বিষয়টি অনেকটা সেরকমই। মায়া ক্যালেন্ডার ২১ ডিসেম্বর শেষ হয়ে আবার শুরু হতো, যেমনটা আপনার ক্যালেন্ডারের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। ১ জানুয়ারি আবার নতুন ক্যালেন্ডার টাঙানো হয়।’ পৃথিবীর দিকে নিবিরু বা এক্স অথবা এরিস নামের গ্রহ ধেয়ে আসছে এবং এদের আঘাতে পৃথিবী চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে বলে যে কথা বলা হচ্ছে, সেটা আসলে একটা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ভাঁওতাবাজি। নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে পৃথিবীতে আঘাত হেনেছিল একটা উল্কা, যার প্রভাবে ডাইনোসররা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তবে সেরকম কোনো হুমকি পৃথিবীর জন্য আপাতত নেই। সূত্র : এনডিটিভি/আমার দেশ
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ