Sunday, 25 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ হাজার অতিথি : প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামাকে কী বলবেন তাঁরা?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 140 বার

প্রকাশিত: December 21, 2012 | 8:08 AM

হোক না ৩০ সেকেন্ড, তবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামা বলে কথা। তাঁদের সঙ্গে একটুখানি কথা বলার আগ্রহ কার না আছে? এবারের বড়দিনে এই দুজনের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ হাজার অতিথি। আজ শুক্রবার বিবিসি অনলাইনের খবরে এ কথা জানানো হয়। খবরে বলা হয়, জীবনে প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন অনেকে। কিন্তু কী বলবেন তাঁরা? ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধান চাইবেন, নাকি প্রেসিডেন্টকে তাঁর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য ধন্যবাদ জানাবেন? অনেকে ভাবছেন, ফার্স্টলেডি মিশেলকে কী বলা যায়—তা নিয়ে। একটি রাজনৈতিক ওয়েবসাইটের কর্মকর্তা মিলেট ইসরায়েলি ভাবছেন, তিনি মিশেলকে বলবেন যে, তাঁরা একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর সঙ্গে যদি ওই সময় বন্ধুত্ব হতো, তাহলে হয়তো একসঙ্গে বসে তাঁদের কফি খাওয়ার অভিজ্ঞতা হতো।’ তাঁর মতে, এই আলাপের বিষয়ে তিনি যা-ই ভাবুন না কেন, শেষ পর্যন্ত হয়তো এটুকুই বলবেন, ‘আপনার সঙ্গে পরিচিত হয়ে খুশি হলাম।’ হোয়াইট হাউসে অতিথিদের অভ্যর্থনার বিষয়টি দেখভাল করছেন রাব্বি ডেভিড স্যাপেরস্টেইন। তাঁর ভাষ্য, ভাগ্যবান অতিথিরা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় কী বলবেন, তা নিয়ে ভাবছেন। এ বছর বড়দিন উপলক্ষে হোয়াইট হাউসে দুই ডজনের বেশি হলিডে পার্টির আয়োজন করা হবে; যেখানে ১৪ হাজার মানুষ প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্টলেডির সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন। পাবেন হোয়াইট হাউসের আতিথ্য। এসব ব্যক্তির মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক, কর্মকর্তা, ডেমোক্রেটিক পার্টির দাতারা। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কী ধরনের কথা বলবেন—এ বিষয়টি নিয়ে অনেকে অনেক কিছু ভাবলেও শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, শুধু একটি বাক্য ছাড়া আর বলার কিছু থাকে না। প্রেসিডেন্টকে কী বলা যাবে, তা নির্ভর করে অতিথি প্রেসিডেন্টকে কতটুকু জানেন—তার ওপর। লাইনে দাঁড়িয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলার সময় চাপ থাকে বলে শেষ পর্যন্ত সম্ভাষণ, হাত মেলানো, হাসি বিনিময় আর বড়জোর একটা ছবি তোলার বিষয়ে এটি সীমাবদ্ধ থাকে। প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রেও অনেকক্ষণ ধরে মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে হয়। মুখে হাসি ধরে রাখতে হয়। এর আগে ১৯৯৬ সালে এ রকম একটি অনুষ্ঠানে তত্কালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও ফার্স্টলেডি হিলারি ক্লিনটন এক হাজার ২০০ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রত্যেক মানুষকে ১৮ সেকেন্ড করে সময় দিতে পেরেছিলেন তাঁরা।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ