মার্কিন অর্থনৈতিক অচলাবস্থা কাটানোর শেষ চেষ্টায় প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা

নতুন বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অর্থনৈতিক খাদ’ থেকে বাঁচাতে একটি নতুন আইন পাস করা নিয়ে অচলাবস্থা কাটানোর শেষ চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে নিয়ে শুক্রবার বিকালে (বাংলাদেশ সময় রাত ২টা) তিনি কংগ্রেসে দুই দলের নেতাদের সঙ্গে বসছেন। কর বৃদ্ধি ও ব্যয় সঙ্কোচনের মাধ্যমে বাজেট ঘাটতি ৬০০ বিলিয়ন ডলার কমিয়ে আনার পরিকল্পনা আরও কিছুদিন পিছিয়ে দেয়ার ব্যাপারে সমঝোতায় পৌঁছানোই হবে তাদের লক্ষ্য। অবশ্য ওবামার এ উদ্যোগের সাফল্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এরপরও যদি কোনো সমঝোতা হয়, তাহলে এ বিষয়ে একটি আইন পাসের জন্য রোববার প্রতিনিধি পরিষদের অধিবেশন ডাকতে হবে, যেখানে ওবামার দল ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যালঘু। আর রিপাবলিকান দলের নেতা এরিক ক্যান্টর মনে করছেন, নতুন আইনের জন্য অধিবেশন করতে চাইলে ২ জানুয়ারির আগেই তা হতে হবে। কেননা, ওইদিন নতুন নির্বাচিত কংগ্রেস সদস্যরা শপথ নেবেন। যুক্তরাষ্ট্রে গত ১০ বছর ধরে কার্যকর কর অবকাশের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি। ফলে দেশটির সব শ্রেণীর জনগণের আয়কর মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাবে। পাশাপাশি ঘাটতি কমানোর জন্য প্রতি বছর ১০ কোটি ৯০ লাখ ডলার হারে ব্যয় সঙ্কোচন শুরু হবে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে এর প্রথম ধাক্কাটা যাবে বয়স্কদের স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির ওপর দিয়ে। এর সঙ্গে কর্মসংস্থান ও উত্পাদনে বিরূপ প্রভাব পড়লে ফের মন্দা দেখা দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে। সেক্ষেত্রে ইউরোপসহ বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও তা ভয়ের কারণ হতে পারে। এই পরিস্থিতিকেই তারা বলছেন ‘ফিসক্যাল ক্লিফ’, যা এড়াতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। কিন্তু কংগ্রেসে সরকারের ব্যয়ের পরিধি এবং করের হার নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে রিপাবলিকানদের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে পারছে না ওবামা প্রশাসন। সরকারের ঋণসীমা বাড়ানোরও বিরোধিতা করছে তারা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি কার্যকর প্রস্তাব পাসের জন্য মার্কিন সিনেটের সদস্যদের হাতে সময় রয়েছে আর মাত্র কয়েকদিন। এ কারণেই হাওয়াইয়ে বড়দিনের ছুটি সংক্ষিপ্ত করে বৃহস্পতিবার সকালে হোয়াইট হাউসে ফিরেছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। কংগ্রেসে এ অচলাবস্থা কাটাতে গত সপ্তাহে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান স্পিকার জন বোয়েনার একটি আয়কর সংস্কার প্রস্তাব রাখেন। তবে পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ডানপন্থী রিপাবলিকানরাই ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর বিষয়টি নিষ্পত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেমোক্র্যাট সদস্য সংবলিত সিনেটকে যে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান বোয়েনার। কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে দীর্ঘসময় ধরে এ মতানৈক্যের নেতিবাচক প্রভাব এরই মধ্যে পড়তে শুরু করেছে সাধারণ আমেরিকানদের ওপর।
কিছুদিনের মধ্যেই আয়কর বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় এবারের বড়দিনের বাজারে ক্রেতাদের কেনাকাটার পরিমাণ ছিল উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তাছাড়া বুধবার দেশটির পুঁজিবাজারে অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় সূচক পড়ে যায়।
কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে মতানৈক্য দূর করার সুযোগ করে দিতে ১ জানুয়ারির পরেও কিছুটা সময় দেয়ার জন্য বিশেষ বাজেট পরিকল্পনা করার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্রুত এ অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্য রাজনীতিবিদদের আহ্বান জানাতে শুরু করেছে এরই মধ্যে।
কফির জন্য বিশ্বখ্যাত দোকান স্টারবাকসের ওয়াশিংটনের প্রধান নির্বাহী হাওয়ার্ড সুলজ ওয়াশিংটনে তাদের দোকানগুলোতে বৃহস্পতি ও শুক্রবার ক্রেতাদের কফির কাপে ‘একমত হও’ স্লোগান লিখে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দোকানের কর্মীদের।
সুলজ বলেন, ‘আমরা চাই সবাই এ ব্যাপারে দৃষ্টি রাখুক। যা হচ্ছে তা নিয়ে ব্যাপকভাবে হতাশ আমরা এবং এরচেয়ে ভালো কিছু পাওয়ার অধিকার আছে আমাদের।’রয়টার্স, বিবিসি/আমার দেশ
ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে নিয়ে শুক্রবার বিকালে (বাংলাদেশ সময় রাত ২টা) তিনি কংগ্রেসে দুই দলের নেতাদের সঙ্গে বসছেন। কর বৃদ্ধি ও ব্যয় সঙ্কোচনের মাধ্যমে বাজেট ঘাটতি ৬০০ বিলিয়ন ডলার কমিয়ে আনার পরিকল্পনা আরও কিছুদিন পিছিয়ে দেয়ার ব্যাপারে সমঝোতায় পৌঁছানোই হবে তাদের লক্ষ্য। অবশ্য ওবামার এ উদ্যোগের সাফল্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এরপরও যদি কোনো সমঝোতা হয়, তাহলে এ বিষয়ে একটি আইন পাসের জন্য রোববার প্রতিনিধি পরিষদের অধিবেশন ডাকতে হবে, যেখানে ওবামার দল ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যালঘু। আর রিপাবলিকান দলের নেতা এরিক ক্যান্টর মনে করছেন, নতুন আইনের জন্য অধিবেশন করতে চাইলে ২ জানুয়ারির আগেই তা হতে হবে। কেননা, ওইদিন নতুন নির্বাচিত কংগ্রেস সদস্যরা শপথ নেবেন। যুক্তরাষ্ট্রে গত ১০ বছর ধরে কার্যকর কর অবকাশের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি। ফলে দেশটির সব শ্রেণীর জনগণের আয়কর মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাবে। পাশাপাশি ঘাটতি কমানোর জন্য প্রতি বছর ১০ কোটি ৯০ লাখ ডলার হারে ব্যয় সঙ্কোচন শুরু হবে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে এর প্রথম ধাক্কাটা যাবে বয়স্কদের স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির ওপর দিয়ে। এর সঙ্গে কর্মসংস্থান ও উত্পাদনে বিরূপ প্রভাব পড়লে ফের মন্দা দেখা দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে। সেক্ষেত্রে ইউরোপসহ বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও তা ভয়ের কারণ হতে পারে। এই পরিস্থিতিকেই তারা বলছেন ‘ফিসক্যাল ক্লিফ’, যা এড়াতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। কিন্তু কংগ্রেসে সরকারের ব্যয়ের পরিধি এবং করের হার নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে রিপাবলিকানদের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে পারছে না ওবামা প্রশাসন। সরকারের ঋণসীমা বাড়ানোরও বিরোধিতা করছে তারা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি কার্যকর প্রস্তাব পাসের জন্য মার্কিন সিনেটের সদস্যদের হাতে সময় রয়েছে আর মাত্র কয়েকদিন। এ কারণেই হাওয়াইয়ে বড়দিনের ছুটি সংক্ষিপ্ত করে বৃহস্পতিবার সকালে হোয়াইট হাউসে ফিরেছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। কংগ্রেসে এ অচলাবস্থা কাটাতে গত সপ্তাহে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান স্পিকার জন বোয়েনার একটি আয়কর সংস্কার প্রস্তাব রাখেন। তবে পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ডানপন্থী রিপাবলিকানরাই ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর বিষয়টি নিষ্পত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেমোক্র্যাট সদস্য সংবলিত সিনেটকে যে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান বোয়েনার। কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে দীর্ঘসময় ধরে এ মতানৈক্যের নেতিবাচক প্রভাব এরই মধ্যে পড়তে শুরু করেছে সাধারণ আমেরিকানদের ওপর।
কিছুদিনের মধ্যেই আয়কর বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় এবারের বড়দিনের বাজারে ক্রেতাদের কেনাকাটার পরিমাণ ছিল উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তাছাড়া বুধবার দেশটির পুঁজিবাজারে অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় সূচক পড়ে যায়।
কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে মতানৈক্য দূর করার সুযোগ করে দিতে ১ জানুয়ারির পরেও কিছুটা সময় দেয়ার জন্য বিশেষ বাজেট পরিকল্পনা করার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্রুত এ অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্য রাজনীতিবিদদের আহ্বান জানাতে শুরু করেছে এরই মধ্যে।
কফির জন্য বিশ্বখ্যাত দোকান স্টারবাকসের ওয়াশিংটনের প্রধান নির্বাহী হাওয়ার্ড সুলজ ওয়াশিংটনে তাদের দোকানগুলোতে বৃহস্পতি ও শুক্রবার ক্রেতাদের কফির কাপে ‘একমত হও’ স্লোগান লিখে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দোকানের কর্মীদের।
সুলজ বলেন, ‘আমরা চাই সবাই এ ব্যাপারে দৃষ্টি রাখুক। যা হচ্ছে তা নিয়ে ব্যাপকভাবে হতাশ আমরা এবং এরচেয়ে ভালো কিছু পাওয়ার অধিকার আছে আমাদের।’রয়টার্স, বিবিসি/আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”








