নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণ : প্রাণঘাতী অস্ত্র নিষিদ্ধ করা প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার জন্য কঠিন
যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র-সহিংসতা কমিয়ে আনতে প্রাণঘাতী অস্ত্র নিষিদ্ধ করার কাজ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার জন্য কঠিনই বলে মনে হচ্ছে। গত মাসে কানেটিকাট অঙ্গরাজ্যের স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে বন্দুকধারীর গুলিতে ২৬ জন নিহত হওয়ার পর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের ব্যাপারে আলোচনা শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণবিরোধী পক্ষগুলো প্রভাবশালী হওয়ায় ওবামা প্রশাসনের পক্ষে প্রাণঘাতী অস্ত্র নিষিদ্ধ করা কঠিন হবে—এটা শুরু থেকেই ভাবা হচ্ছিল। তবে স্যান্ডি হুকে নৃশংসতার পর প্রাণঘাতী অস্ত্র নিষিদ্ধ করতে ওবামার অঙ্গীকার এবং দ্রুততার সঙ্গে নেওয়া কিছু উদ্যোগে আশার সঞ্চার হয়। প্রত্যাশা আরও বেড়ে যায়, যখন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণবিরোধী অনেক আইনপ্রণেতাও সীমিতভাবে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পক্ষে কথা বলা শুরু করেন। স্যান্ডি হুকে নৃশংসতার পর ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি প্রাণঘাতী অস্ত্র নিষিদ্ধ করার সুপারিশ আগামী সপ্তাহে প্রেসিডেন্টের কাছে জমা দেওয়ার কথা। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা বলছেন, ওই সুপারিশে প্রাণঘাতী অস্ত্র নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব থাকবে। চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেওয়ার আগে বাইডেন অস্ত্র রাখার পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এর অংশ হিসেবে অস্ত্র নিষিদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া প্রভাবশালী সংগঠন ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশনের (এনআরএ) সঙ্গে গত বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন বাইডেন। পরে এক প্রতিক্রিয়ায় বাইডেন বলেন, অস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতার অতীত ভালোভাবে খতিয়ে দেখা এবং অস্ত্র-সহিংসতা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে আরও বেশি গবেষণা করা প্রয়োজন। প্রায় ১৫ মিনিটের ওই প্রতিক্রিয়ায় বাইডেন একবারও প্রাণঘাতী অস্ত্র উৎপাদন ও বিক্রি কমিয়ে আনার কোনো কথা উল্লেখ করেননি। যদিও প্রাণঘাতী অস্ত্র নিষিদ্ধ করতে যে আইন প্রস্তাব করা হবে, তার মূল ব্যক্তি হবেন তিনিই। এ ছাড়া স্যান্ডি হুকে নৃশংসতার পর ওবামার মতো বাইডেনও প্রাণঘাতী অস্ত্র নিষিদ্ধ করার পক্ষে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। বাইডেনের ওই প্রতিক্রিয়ার পর প্রেসিডেন্ট ওবামার মুখপাত্র ম্যাট লেরিক বলেন, ভাইস প্রেসিডেন্টের প্রতিক্রিয়ায় অস্ত্র-সহিংসতা নিয়ে বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, এর সঙ্গে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জও সম্পৃক্ত। বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের পর এনআরএ এক বিবৃতিতে জানায়, বৈঠকে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এনআরএ অভিযোগ করে, হোয়াইট হাউস আসলে স্যান্ডি হুকের ঘটনাকে একটি ইস্যু বানিয়েছে। এই ইস্যু ধরে মানুষের অস্ত্র রাখার অধিকার বন্ধ করতে চাইছে। এনআরএ জানায়, অস্ত্র নিষিদ্ধ করার আইন কংগ্রেসে উত্থাপিত হলে তারা তা প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। এ ছাড়া রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে নতুন আইন বাধার মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ, হাউস জুডিশিয়ারি কমিটি এখন পর্যন্ত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের বিরোধী।প্রথম আলো
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests