Wednesday, 21 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

কম খাই তবু কেন ওজন বাড়ে!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 109 বার

প্রকাশিত: April 22, 2013 | 8:58 PM

সিদ্ধার্থ মজুমদার : আমি তো খাই-ই না, তাও কেন ওজন বাড়ছে! এমন অনুযোগ অনেকেরই।
খাওয়ার সময় চলে বিস্তর বাছবিচার। কখনো এক বেলা না খেয়েও চলে শরীরের ওজন কমানোর চেষ্টা। কিন্তু ওজন না কমে উল্টো ওজন বেড়েই চলছে!
এক বেলা না খেয়ে থাকা হলো, কখনো পরিমাণেও কম খাওয়া হলো, তার পরও বাড়ছে কেন ওজন? জানতে চেয়েছিলাম বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টি ও পথ্যবিদ শামছুন্নাহার নাহিদের কাছে। তিনি বলেন, ‘ওজন কমাতে অনেকেই দেখা যায়, এক বেলা না খেয়ে থাকেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে যখন তিনি খেতে বসেন, খাওয়াটা হয়ে যায় বেশি। আর খাওয়ার পর যখন প্রয়োজনীয় পরিশ্রম হয় না, তখন শরীরে জমতে থাকে বাড়তি মেদ। তাই ওজন বেড়েই চলে।’
ওজন বেড়ে যায় যেসব কারণে তার মধ্যে তিনটি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য:
 দীর্ঘ সময় না খেয়ে থেকে একবারে বেশি করে খেয়ে ফেলা।
 পরিমাণের কম খাওয়া কিন্তু বেশিক্যালরি আছে এমন খাবার খাওয়া।
 পরিশ্রমের মাধ্যমে ক্যালরি খরচ না করা।
অর্থাৎ খাবারের মাধ্যমে ক্যালরি গ্রহণ আর তা খরচ করায় অসামঞ্জস্য থাকলেই ওজন বেড়ে যেতে পারে।
কীভাবে বুঝবেন আপনার কত ক্যালরি প্রয়োজন, সেটাও জানিয়ে দিয়েছেন শামছুন্নাহার নাহিদ। তিনি বলেন, ‘একজন মানুষের প্রতিদিন কত ক্যালরি দরকার, তা নির্ধারিত হয় তার বয়স, ওজন, উচ্চতা, পরিশ্রমের ধরন অনুসারে। খুব সহজ কথায় বললে স্বাভাবিক কর্মক্ষম একজন মানুষের প্রতি কেজি ওজনের জন্য প্রয়োজন ৩০ ক্যালরি। অর্থাৎ কারও ওজন যদি হয় ৬০ কেজি, তার প্রয়োজন হবে এক হাজার ৮০০ ক্যালরি।’
তাই এক দিনে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ করে ফেললে পরিশ্রমে তা খরচও করে ফেলতে হবে। অন্যথায় বাড়তেই থাকবে ওজন। কেউ যদি প্রতিদিন প্রয়োজনের অতিরিক্ত মাত্র ১০০ ক্যালরি করে বেশি খায়, বছর শেষে দেখা যাবে তার ওজন বেড়ে গেছে চার থেকে পাঁচ কেজি!
আবার দেখা যায়, কেউ হয়তো সারা দিন কিছু খেলেন না। কিন্তু দুপুরে একটা মিষ্টি খেলেন। তিনি হয়তো ভাবছেন, খাওয়া তো কমই হলো। কিন্তু সেই মিষ্টিতেই তো আছে অনেক ক্যালরি। এর চেয়ে বরং অল্প ভাত, বেশি করে সবজি, মাছ খেলেই ভালো হতো।
কোন খাবারে কত ক্যালরি, তার একটা সংক্ষিপ্ত নমুনাও দিলেন পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ, একটি পরোটা কিংবা আধা কাপ পোলাওতে থাকে প্রায় ১০০ ক্যালরি। মাঝারি আকৃতির একটি শিঙাড়ায় থাকে প্রায় ১৪০ ক্যালরি, ১০ টুকরা চিপসে থাকতে পারে প্রায় ১১০ ক্যালরি, মাত্র এক গ্লাস কোমল পানীয়তে থাকে প্রায় ৩২০ ক্যালরি। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে কম খাওয়া কিংবা এক বেলা না খেয়ে থাকাটা কাজের কথা না। খেতে হবে হিসাব করে। তাতে ওজন যেমন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, শরীরও থাকবে সুস্থ।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ