নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপ
ডেস্ক : উচ্চ রক্তচাপকে এক ধরনের নীরব ঘাতক বলা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা ডাব্লিউএইচও’র পক্ষ থেকে উচ্চ রক্তচাপের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এক
ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। এতে মানুষকে রক্তচাপ মাপার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করা হবে। খুব
সহজেই মাপা যায় রক্তচাপ। বহু মানুষকে অকাল মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করা যায়। বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতি বছর সারা বিশ্বে ৯৪ লাখ মানুষ হার্ট
অ্যাটাক ও স্ট্রোকে মারা যায়। আর এটা মূলত ঘটে থাকে উচ্চ রক্তচাপের কারণে। সারা
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায় স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকে। এ ব্যধিগুলো এখন
ইউরোপের সীমানা ছাড়িয়ে আফ্রিকা ও এশিয়ায় বিস্তৃত হচ্ছে। ডাব্লি-উএইচও’র তথ্য
অনুযায়ী, ৪৬ শতাংশ আফ্রিকান ৬০ বছর বয়স হওয়ার আগেই হৃদযন্ত্রের অসুখ বিসুখে মারা
যায়। শিল্পোন্নত অনেক দেশে অকাল মৃত্যুর জন্য মূলত হার্ট ও মস্তিষ্কের রোগ ব্যধি
দায়ী। উচ্চ রক্তচাপের মতো উপসর্গগুলোই এর মূল কারণ।’ কারো দেহে উচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত
করা হলেই যে তিনি ধীরে ধীরে মৃত্যুমুখে পড়বেন, তা নয়। সঠিক সময় এটি ধরা পড়লে এর
চিকিৎসা সম্ভব। উন্নত দেশগুলোতে লোকজন নিয়মিত ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা ও চেকআপের
জন্য যান। স্বাস্থ্য বীমা এসব খরচ বহন করে। উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়লে সাথে সাথে এর
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায়। কিন্তু দরিদ্র দেশগুলোতে স্বাস্থ্য বীমার তেমন কোনো
ব্যবস্থা নেই। চিকিৎসা ও চেকআপের খরচ রোগীদেরই দিতে হয়। তাই অনেকেই কঠিন কোনো
উপসর্গ না থাকলে ডাক্তার দেখাতে চান না। ফলে উচ্চ রক্তচাপের মত রোগ ধরা পড়ে না।
ডাবি¬উএইচও’র প্রধান মার্গারেট চ্যান সতর্ক করে বলেন, ‘সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ বহু
বছর ধরে থাকলেও কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না। এর মাত্রা অত্যন্ত উঁচু হলেও ভুক্তভোগীরা
তা বুঝতে পারে না।’ বিশ্বব্যাপী দশ কোটি বিলিয়ন মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। ধারণা
করা হয়, এই সংখ্যাটা আরো বেশী হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর কারণ হিসাবে
অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রাই দায়ী বলে মনে করে। খাবারে অতিরিক্ত লবণ, মদ্যপান, ধূমপান,
আলস্য ইত্যাদি উচ্চরক্তচাপের পথকে প্রশস্ত করে। নগরায়নের সাথে সাথে মানুষের
জীবনযাত্রারও পরিবর্তন হচ্ছে। আগে মানুষের খাদ্যাভ্যাস যেমনটি ছিল অনেক দেশে তারও
পরিবর্তন ঘটেছে। আগে কায়িক পরিশ্রমেও অভ্যস্ত ছিলেন তারা। আজকাল স্যুপ ও বিভিন্ন
খাবারে বেশি লবণ ব্যবহার করা হচ্ছে। কায়িক পরিশ্রমেও অনীহা লক্ষ্য করা যায়। আর এসবই
উচ্চ রক্তচাপকে প্রভাবিত করে। কম লবণ, বেশি ফলমূল ও তরিতরকারি এবং হাঁটাচলা এই
কয়েকটি দিকে লক্ষ্য রাখলেই উচ্চ রক্তচাপকে আয়ত্তে আনা যায়। ডাব্লিউএইচও’র মতে,
রক্তচাপ পরীক্ষা বিনামূল্যে হওয়া উচিত। আর এক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশে সরকারি উদ্যোগ
নেয়া প্রয়োজন। তবে সবার আগে প্রত্যেককে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। জানতে
হবে রক্তচাপের পরিমাপ। পরিবর্তন করতে হবে জীবনযাত্রা। প্রয়োজন হলে খেতে হবে ওষুধ।
সূত্র: ডয়েচে ভেলে।ইনকিলাব
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’