‘সংলাপে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথ বেরিয়ে আসতে পারে’ -মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা
কূটনৈতিক রিপোর্টার: রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ প্রশ্নে সামপ্রতিক সময়ের অগ্রগতিতে ‘সন্তোষ’ প্রকাশ করে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা বলেছেন, গঠনমূলক সংলাপের মধ্য দিয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ বেরিয়ে আসতে পারে। দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় আগামী নির্বাচন অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি। গতকাল রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে আইন মন্ত্রণালয় ও ইউএসএআইডি’র যৌথ উদ্যোগে একটি কর্মসূচীর উদ্বোধন শেষে রাষ্ট্রদূত এ মন্তব্য করেন। আইনমন্ত্রী ব্যরিস্টার শফিক আহমেদের সঙ্গে ‘জাস্টিস ফর অল’ শীষক কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মার্কিন রাষ্টদূত। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সংলাপের মধ্যে দিয়ে সব সঙ্কটের সমাধান খোঁজার পরামর্শ দিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশা করে আলাপ-আলোচনা মধ্যে দিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। তবে সংলাপের ভিত্তি তৈরি করতে রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধেরও তাগিদ দেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। পরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আইনমন্ত্রী ব্যরিস্টার শফিক আহমেদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধানটি গণতন্ত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিধায় সর্বোচ্চ আদালত তা বাতিল করে দিয়েছেন। এটি সংবিধানে ফিরিয়ে আনার কোন অবকাশ নেই। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অন্তবর্তী সরকার পদ্ধতি কি হতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে তিনি সংলাপ না হওয়ার কোন কারণ দেখছেন না- দাবি করে বলেন, সবার দাবি যখন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, তখন সংলাপ করেই তা ঠিক করতে হবে। নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে যা কিছু প্রয়োজন সবই নির্বাচন কমিশন করবে আশা করে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনকালে যে সরকার থাকবে তারা দৈনন্দিন কাজ পরিচালনা করবেন। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে এমন উদাহরণ রয়েছে বলেও উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনের সব কমিশনার শপথ করে পদ গ্রহণ করেন। কাজেই তাদের ওপর আস্থা রাখা যায়। ইতিপর্ূবে নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করে দৃষ্টান্ত রেখেছে। এই সরকারের আমলে যতগুলো উপ-নির্বাচন হয়েছে কোথাও কেউ-কোন প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারেনি বলে দাবি করেন তিনি। ইউএসএইড -এর আর্থিক সহায়তা ও ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্টেট কোর্টস পাঁচ বছর মেয়াদে ওই কর্মসূচি পরিচালনা করবে। অনুষ্ঠানে ইউএসএআইডির ভায়োলিন অথেম্যান সূচনা বক্তৃতা করেন। এ সময় তিনি বলেন, ওই কর্মসূচি নাগরিকের ন্যায় বিচার প্রাপ্তি, লৈঙ্গিক সমতা ও আইনগত সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করবে। আইনসচিব এ এস এম জহিরুল হক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক সৈয়দ আমিরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।মানবজমিনসর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’