যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আইন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন সংস্কার আইন প্রণয়নের বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি। আটজন প্রভাবশালী আইনপ্রণেতা ইতিমধ্যে অভিবাসন সংস্কার আইনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছেন। চলতি সপ্তাহেই প্রস্তাবটি কংগ্রেসের জুডিশিয়াল কমিটিতে যাওয়ার কথা। কংগ্রেসের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে উপস্থাপনের আগেই প্রস্তাবটি বাধার মুখে পড়েছে।
মার্কিন কংগ্রেসের রক্ষণশীল অংশের মতে, ‘গ্যাং অব এইট’ প্রণীত প্রস্তাবটি আকারে অনেক বড়। অভিবাসন সমস্যার সব বিষয় ধারণ করার জন্য ৮৪৪ পৃষ্ঠার খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। সমস্যাগুলো আলাদা করে পৃথক আইন করার পক্ষে অতিরক্ষণশীলেরা।
ডেমোক্রেটিক পার্টিথেকে চার এবং রিপাবলিকান পার্টিথেকে চারজন সিনেটর নিয়ে অভিবাসন সংস্কারের জন্যকমিটি করা হয়।গত মাসে বোস্টনে বোমা হামলার পর অভিবাসন সংস্কার আইন প্রণয়নে ধীরে চলো নীতিতে চলতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। অভিবাসন সংস্কার আইন প্রণয়ন নিয়ে উচ্চকণ্ঠ রিপাবলিকান সিনেটর মার্কো রুবিও বলেন, আইনটি এ অবস্থায় কংগ্রেসে পাস করা সম্ভব হবে না। আইনপ্রণেতাদের আরও কিছু মতামত নিতে হবে।
উদারনৈতিক একটি ধারাও ‘গ্যাং অব এইট’-এর খসড়া প্রস্তাবের বিরুদ্ধে এখন। প্রস্তাবে বৈধতা পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য ১৩ বছর অপেক্ষার বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১১ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে আসা ব্যক্তিদের বৈধতার জন্য বিবেচনা করা হবে না। সমকামীদের জন্য আইন প্রস্তাবে পর্যাপ্ত সুবিধা দেওয়া হয়নি। ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা পেট্রিক লেহি বলেছেন, সমকামীদের জীবনসঙ্গীরা যাতে গ্রিনকার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন, তার জন্য তিনি আইন প্রস্তাবে সংশোধনী আনবেন।
ব্যয় বৃদ্ধিও অভিবাসন সংস্কার আইন প্রণয়নে অন্যতম বাধা বলে তুলে ধরা হচ্ছে। ব্যাপকসংখ্যক অবৈধ অভিবাসী বৈধতা পাওয়ার পর তাঁদের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয় বেড়ে যাবে বহু গুণ। হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিবাসন সংস্কার আইন বাস্তবায়িত হলে প্রায় সাড়ে ছয় ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় বাড়বে। এতে করে নাগরিকদের ওপর করের বোঝা বাড়বে বলে রক্ষণশীলদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।
বাধাবিপত্তি সত্ত্বেও অভিবাসন সংস্কার আইন পাস হবে বলে আবারও হোয়াইট হাউস থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। প্রেস সেক্রেটারি জে কারনি বলেন, অভিবাসন আইনে স্বাক্ষর করাটা হবে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার জন্য বিরাট এক অর্জন। শিগগিরই প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের উপযোগী করে আইন তাঁর কাছে উপস্থাপন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।নিউইয়র্ক প্রতিনিধি/প্রথম আলো
- ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা
- চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity