‘মা’
অনলাইন ডেস্ক: মা কথাটি ছোট্ট অতি/ কিন্তু যেন ভাই/ ইহার চেয়ে নাম যে মধুর/ তিন ভূবনে নাই। কবি সত্যিই বলেছেন। জগতের সকল দেশের, সকল ভাষায় সবচেয়ে মধুর নাম যে ‘মা’। সেই মাকে কি ভোলা যায়? কিন্তু কর্মব্যস্ত ডিজিটাল মানুষের মায়ের কাছে থাকার সময় কোথায়? আর তাইতো প্রতি বছর শুধু মায়ের জন্য রয়েছে একটি দিন। প্রতিবছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে মা ও মাতৃত্বের প্রতি সম্মান দিতে এবং মাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে উদযাপন করা হয় ‘মা’ দিবস হিসাবে। বিভিন্ন দেশে এই দিনটিতে মাকে দেয়া হয় বিভিন্ন উপহার। বিংশ শতকের শুরুর দিকে এই দিবসটি প্রথম পালন শুরু হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। প্রাচীন গ্রীক সভ্যতায় ও রোমানদের সাইবেল ও হিলারিয়া সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই মা দিবসের উপাখ্যান দেখা যায়। খ্রীষ্টানদের মাদারিং সানডে নামে একটি উৎসবও রয়েছে। বাঙালির কাছে দেশ, মা ও মাটির টান হলো প্রতিদিনকার। প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় ‘মা’য়ের মুখ দেখার সময় বড় কম। বলা হয়, বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ। নিয়েছে মায়ের ভালবাসাও। ‘মা’ দিবস ফিরিয়ে দিক আমাদের মায়ের স্নেহ, ভালবাসা ও প্রতিদিনকার সান্নিধ্য।মানবজমিনবিশ্ব ‘মা’ দিবসের ইতিহাস
মা। ত্রি-ভুবনের সবচেয়ে মধুরতম শব্দ। গতকাল ছিল ‘মা দিবস’। মায়ের মমতা, ত্যাগ ও মর্যাদা স্মরণ করার দিন। মা, যিনি কোনো শর্ত ছাড়াই সন্তানদের ভালোবাসেন এবং সন্তানদের জন্য যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার গতকাল ‘মা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘটা করে ‘মা দিবস’ পালিত হয়। গর্ভে ধারণ করে পৃথিবীর আলো-বাতাস দেখানো থেকে শুরু করে বেড়ে ওঠা এমনকি প্রতিষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত প্রতি পদে পদে সন্তানকে সাহস, উত্সাহ ও ভরসা দেন মা। মায়ের ঋণ শোধ করা যাবে না কখনোই। মাকে ভালোবাসা জানাতে বছরের সব কটি দিনও যথেষ্ট নয়। তবুও এই একটি দিন মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় মায়ের মমতা, ত্যাগ ও মর্যাদার কথা। এ দিবসকে উপলক্ষ করে দোকানিরা তাদের পসরা সাজাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ছেলেমেয়েদের মনের কথাই বিভিন্ন কোম্পানি তাদের পণ্যের গায়ে তুলে ধরে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, প্রাচীন গ্রিসে প্রথম ‘মা দিবসের’ প্রচলন শুরু হয়। সেখানে প্রতি বসন্তকালে একটি দিন দেবতাদের মা ও ক্রোনাসের সহধর্মিণী ‘রিয়া’র উদ্দেশে উদযাপন করা হতো। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময় ‘মা দিবস’ বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে পালিত হতো। রোমানরা পালন করতেন ১৫ থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে। তারা দিনটিকে উত্সর্গ করেছিলেন ‘জুনো’র প্রতি। ১৬০০ শতাব্দী থেকে যুক্তরাজ্যেও ‘মাদারিং সানডে’ হিসেবে এ দিনটি উদযাপন শুরু হয়। ইস্টার সানডের ঠিক ৩ সপ্তাহ আগের রোববার এটি পালন করেন তারা। নরওয়েতে ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় রোববারে, সৌদি আরব, বাহরাইন, মিসর, লেবাননে বসন্তের প্রথম দিন অর্থাত্ ২১ মার্চ এ দিনটি উদযাপিত হয়। কিন্তু বিশ্বজুড়ে ‘মা দিবস’র বর্ণাঢ্য উদযাপন মূলত আমেরিকানরা শুরু করেন। ১৮৭০ সালে সমাজসেবী জুলিয়া ওয়ার্ড হো আমেরিকার নারীদেরকে যুদ্ধের বিরুদ্ধে সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানান। সেইসঙ্গে দিবসটিকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য রাষ্ট্রের কাছে প্রচুর লেখালেখি করেন। এ সময় অ্যান জার্ভিস দিনটির সরকারি অনুমোদন পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের চেষ্টা চালাতে থাকেন। কিন্তু সফলকাম হতে পারেননি তিনি। তার মৃত্যুর পর তার মেয়ে অ্যানা জার্ভিস মায়ের অসমাপ্ত স্বপ্ন পূরণের কাজে হাত দেন। তিনি চেষ্টা করতে লাগলেন একটি বিশেষ দিন ঠিক করে ‘মা দিবস’টি উদযাপন করার জন্য। সে লক্ষ্যেই ১৯০৮ সালের ১০ মে তিনি পশ্চিম ভার্জিনিয়ার গ্রাফিটন শহরের সেই চার্চে, যেখানে তার মা অ্যান জার্ভিস রোববারে পড়াতেন সেখানে প্রথমবারের মতো দিনটি উদযাপন করেন। এরপর থেকেই আস্তে আস্তে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি বিস্তার হতে থাকে।আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন
- হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান
- ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা
- চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি