Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

কীটপতঙ্গ খায় থাইল্যান্ডবাসী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 134 বার

প্রকাশিত: May 21, 2013 | 7:02 PM

কীটপতঙ্গ খেয়ে বিশ্বের খাদ্যসঙ্কট নিরসনের যে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, সেক্ষেত্রে পথপ্রদর্শকের ভূমিকায় রয়েছে থাইল্যান্ড। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) গত মঙ্গলবার এক গবেষণায় জানিয়েছে, পোকামাকড়কে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা হলে তা বিশ্বের খাদ্যসঙ্কট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এফএও জানায়, ২০৫০ সালের মধ্যে পোকামাকড়কে খাবার হিসেবে গ্রহণের পরিমাণ ৬০ শতাংশ বাড়বে। ওই গবেষণাটি মূলত পরিচালিত হয় থাইল্যান্ডে। থাইল্যান্ডে প্রায় ২০০ প্রজাতির কীটপতঙ্গ খাওয়া হয়। শুধু ঝিঁঝি পোকা চাষ করেই থাইল্যান্ড তিন কোটি ডলার আয় করে থাকে। এফএওর প্রতিবেদনে বলা হয়, এরই মধ্যে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ লোক বা প্রায় ২০০ কোটিরও বেশি মানুষের খাদ্যাভ্যাসে পরিণত হয়েছে কীটপতঙ্গ। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিমরুল, কেঁচো এবং এ ধরনের পোকামাকড়গুলো মানুষ এবং গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে এখনও তেমনভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এফএওর ফরেস্ট ইকোনোমিকসের পরিচালক এভা মুয়েলার বলেন, ‘আসল বার্তা হলো—কীতপতঙ্গ খাও। পোকামাকড় সবখানেই আছে, এগুলোর প্রজনন ক্ষমতাও ভালো, পরিবেশগত প্রভাবও কম। এদের মধ্যে পুষ্টিগুণ, ফ্যাট এবং খনিজ উপাদানও অনেক বেশি।’ জনগণের প্রাণীজ আমিষের ১০ শতাংশই কীটপতঙ্গ থেকে আসে। শূককীট এবং ভাজা উইপোকা বেশ সুস্বাদু। প্রতিবেদনে বলা হয়, কীটপতঙ্গ চাষাবাদের মাধ্যমে বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। গুবরেপোকা, ফড়িংসহ নানা কীটপতঙ্গ এখন ইউরোপের রেস্তোরাঁয় পাওয়া যায়। পৃথিবীতে এখন ১৯০০ প্রজাতির কীটপতঙ্গ ভক্ষণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে গুবরেপোকা, গুটিপোকা, পিঁপড়া, মৌমাছি, ভিমরুল, ফড়িং, পঙ্গপাল, ঝিঁঝি পোকা ইত্যাদি অন্যতম। কীটপতঙ্গের খাদ্যমানও বেশ ভালো। ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে যেখানে আয়রনের পরিমাণ ৬.০ মিলিগ্রাম সেখানে ১০০ গ্রাম পঙ্গপালে আয়রন আছে ৮.০ থেকে ২০ মিলিগ্রাম। সূত্র : এপি ও এএফপি/আমার দেশ
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV