বাংলাদেশের জিএসপি বাতিলে ওবামা প্রশাসনের উপর চাপ
বাংলাদেশে গার্মেন্টস কারাখানায় কয়েকটি ভয়াবহ বিপর্যয় বিশেষত সাভারে ৯তলা রানা প্লাজা ধসে ১১২৭ জনের প্রাণহানীর পর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশকে দেয়া জিএসপি (জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রিফারেন্সেস) সুবিধা বাতিলে ওবামা প্রশাসনের উপর চাপ বাড়ছে। মূলত বাংলাদেশের পোশাক কারখানায় নিন্ম কাজের পরিবেশ ও শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত না হওয়ার কারণেই ওবামা প্রশাসনকে এ সুবিধা বাতিল করতে বলা হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।
শ্রমিকদের নিরাপদ কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য মার্কিন সরকারের করণীয় নির্ধারণে কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা এখনো দ্বিধা-দ্বন্দ্বে রয়েছেন। এ অবস্থায় কী করলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হতে পারে সে বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের কয়েকটি বৈঠকেও সিদ্ধান্ত আসেনি। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, জিএসপি সুবিধা বাতিল করা হলে ভবন বিধি উন্নত ও শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার জন্য বাংলাদেশকে চাপ দেয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হবে। তবে শ্রম পরামর্শক ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, উল্টো কথা। তাদের বক্তব্য সরকার এ সুবিধা বাতিলের বিষয়টি কাজে না লাগাতে চাইলে এমনিতেই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হতে পারে। আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার ফোরামের পরিচালক ব্রায়ান ক্যাম্পবেল বলেন, মার্কিন বাণিজ্য কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময় ভুল বার্তা দিয়েছেন। তবে এখন সময় এসেছে বাংলাদেশকে শক্ত বার্তা দেয়ার।
এর আগে মে মাসে মার্কিন কর্মকর্তাদের একটি বৈঠকে বলা হয়, কারখানায় শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ উন্নত ও যথাযথ অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু এজন্য কি করতে হবে সে বিষয়ে তারা ঐকমত্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। তবে শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এ অবস্থায় বাংলাদেশকে চাপ দেয়াটা জরুরি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা বাতিল করা হলে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যেখানে কট্টরপন্থীদের নানা হুমকি রয়েছে। এছাড়া এ কারণে দেশটির অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা বলেন, বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করে না। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের ১২৫ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশও পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা ভোগ করে থাকে। বিশ্বব্যাপী অথনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্যে এ সুবিধা প্রদান করা হয়ে থাকে। চলতি জুন মাসেই বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা রাখা না রাখার সিদ্ধান্ত নেবেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিরা। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নও দেশটির গার্মেন্টস পণ্যের ক্ষেত্রে রপ্তানি শুল্ক সুবিধা বাতিল করতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১৯ বিলিয়ন ডলারের গার্মেন্টস শিল্পে ৪০ লাখের বেশি শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ প্রতিবছর সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি করে থাকে।ইত্তেফাক
শ্রমিকদের নিরাপদ কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য মার্কিন সরকারের করণীয় নির্ধারণে কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা এখনো দ্বিধা-দ্বন্দ্বে রয়েছেন। এ অবস্থায় কী করলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হতে পারে সে বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের কয়েকটি বৈঠকেও সিদ্ধান্ত আসেনি। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, জিএসপি সুবিধা বাতিল করা হলে ভবন বিধি উন্নত ও শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার জন্য বাংলাদেশকে চাপ দেয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হবে। তবে শ্রম পরামর্শক ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, উল্টো কথা। তাদের বক্তব্য সরকার এ সুবিধা বাতিলের বিষয়টি কাজে না লাগাতে চাইলে এমনিতেই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হতে পারে। আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার ফোরামের পরিচালক ব্রায়ান ক্যাম্পবেল বলেন, মার্কিন বাণিজ্য কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময় ভুল বার্তা দিয়েছেন। তবে এখন সময় এসেছে বাংলাদেশকে শক্ত বার্তা দেয়ার।
এর আগে মে মাসে মার্কিন কর্মকর্তাদের একটি বৈঠকে বলা হয়, কারখানায় শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ উন্নত ও যথাযথ অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু এজন্য কি করতে হবে সে বিষয়ে তারা ঐকমত্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। তবে শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এ অবস্থায় বাংলাদেশকে চাপ দেয়াটা জরুরি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা বাতিল করা হলে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যেখানে কট্টরপন্থীদের নানা হুমকি রয়েছে। এছাড়া এ কারণে দেশটির অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা বলেন, বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করে না। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের ১২৫ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশও পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা ভোগ করে থাকে। বিশ্বব্যাপী অথনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্যে এ সুবিধা প্রদান করা হয়ে থাকে। চলতি জুন মাসেই বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা রাখা না রাখার সিদ্ধান্ত নেবেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিরা। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নও দেশটির গার্মেন্টস পণ্যের ক্ষেত্রে রপ্তানি শুল্ক সুবিধা বাতিল করতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১৯ বিলিয়ন ডলারের গার্মেন্টস শিল্পে ৪০ লাখের বেশি শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ প্রতিবছর সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি করে থাকে।ইত্তেফাক
সর্বশেষ সংবাদ
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের