রূপকথার এক বিয়ে : সুইডেনের রাজকন্যা ম্যাডেলেইন- নিউ ইয়র্কের ব্যাংকার ক্রিস্টোফার ও’নেইল
ডেস্ক: সুইডেনের রাজকন্যা ম্যাডেলেইন। হ্যালসিংল্যান্ড ও গ্যাসট্রিকল্যান্ডের ডাচেস। তিন বছর আগে ভাঙা হৃদয় নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন আটলান্টিক। অবশেষে মনের মানুষের সন্ধান মিলেছে রাজকন্যার। বিয়ের সানাই নিয়ে তবেই স্টকহোম ফিরলেন রাজকন্যা ম্যাডেলেইন। রাজপরিবারের অংশ হতে যাওয়া সৌভাগ্যবান ব্যক্তিটি হলেন নিউ ইয়র্কের ব্যাংকার ক্রিস্টোফার ও’নেইল (৩৮)। আজই রাজকীয় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন তারা। অনুষ্ঠানের শোভা বাড়াবেন ইউরোপের রাজ পরিবারের সদস্যরা। এদিকে নিউ ইয়র্ক থেকেও মানী-গুণীরা যোগ দেবেন এ অভিজাত অনুষ্ঠানে। ৩০ বছরের ম্যাডেলেইন রাজা ষোড়শ কার্ল এবং রানী সিলভিয়ার সর্বকনিষ্ঠ কন্যা। বয়স যখন বিশের কোঠায়, ম্যাডেলেইন তখন পার্টি প্রিন্সেস হিসেবে সুপরিচিত হয়ে ওঠেন। প্রায়ই স্টকহোমের বিলাসবহুল নাইটক্লাবগুলোতে দেখা যেত তাকে। এ ছাড়াও জাঁকজমকপূর্ণ জীবনধারা আর স্টাইলিশ পোশাকের জন্য নিয়মিত নজর কাড়তেন সবার। তবে সব সময় ঠিক এমন রূপকথার মতো জীবনধারা ছিল না রাজকন্যা ম্যাডেলেইনের। ২০১০ সালে সুইডিশ আইনজীবী জোনাস বার্গস্ট্রমের সঙ্গে এনগেজমেন্ট ভেঙে দিয়ে নিউ ইয়র্কে পালিয়ে যান। ম্যাডেলেইনের সঙ্গে জোনাসের প্রতারণার ঘটনায় সরব হয়ে উঠেছিল মিডিয়া। তারা ৮ বছর একসঙ্গে ছিল এবং বেশ আয়োজন করেই এর আগের বছর আগস্টে এনগেজমেন্টের ঘোষণা দিয়েছিল। যাই হোক, ভাগ্যের পরিহাসে ভগ্ন হৃদয় নিয়ে নিউ ইয়র্কে এসে নতুন করে জীবন সাজানোর প্রত্যয়ে আত্মনিবেদন করেন ম্যাডেলেইন। কাজ করা শুরু করেন ওয়ার্ল্ড চাইল্ডহুড ফাউন্ডেশনে। অলাভজনক এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তার মা। দু’বছর আগে পরিচয় হয় ক্রিস্টোফার ও’নেইলের সঙ্গে। সে সময় ও’নেইল নস্টার ক্যাপিটাল নামক এক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের অংশীদার ও গবেষণা শাখার প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। এবারে খুব বেশি ঘটা করেননি ম্যাডেলেইন। সুইডিশ রয়্যাল কোর্টের ওয়েবসাইটে এক ভিডিওতে তিনি এনগেজমেন্টের ঘোষণা দেন। সুইডিশ একটি ট্যাবলয়েড-এর রাজভবন প্রতিবেদক জেনি অ্যালেক্সান্ডারসন বলেন, জোনাসের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়াটা ম্যাডেলেইনের জন্য খুবই কঠিন একসময় ছিলো। তিনি কষ্ট পেয়েছিলেন তো বটেই; একই সঙ্গে অপমানিত বোধ করেছিলেন। আমি আশা করি এবারে সত্যিকারের ভালবাসা খুঁজে পেয়েছেন তিনি। তাদের দু’জনকে একসঙ্গে অনেক সুখী বলেই মনে হয়। বিয়ের অনুষ্ঠান বেশ জমকালো হবে বলে ধারণা করছেন জেনি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের বিয়ের অনুষ্ঠানে জনসাধারণের অংশগ্রহণের কোন সুযোগ থাকছে না যেমনটি হয়েছিল ক্রাউন প্রিন্সেস ভিক্টোরিয়ার বিয়েতে। তবে বিয়ের পর স্টকহোমের রাস্তায় ঘোড়ার গাড়ি বহরের পরিভ্রমণ দেখতে পারবেন তারা। এরপর নবদম্পতি পানিতে ভেসে তাদের জন্য নির্ধারিত রাজপ্রাসাদ ড্রটনিংহ্যাম প্যালেসে যাবেন।মানবজমিনসর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’