ওবামাকে বিষমাখা চিঠির প্রেরক অভিনেত্রী শ্যানন!
বারাক ওবামা ও শ্যানন রিচার্ডসন I মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে ‘রাইসিন’ বিষমাখা চিঠি পাঠানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন ‘দ্য ওয়াকিং ডেড’খ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী শ্যানন রিচার্ডসন। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হুমকি দিয়ে এ ধরনের চিঠি পাঠানোর অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ড পেতে পারেন শ্যানন।
বিষাক্ত রাসায়নিক রাইসিনমাখা চিঠি পাঠানোর বিষয়টি শুরুতে এফবিআইয়ের কাছে অস্বীকার করেছিলেন ৩৫ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী। পরে তিনি জানান, তাঁকে এমনটা করতে বাধ্য করেছেন তাঁর স্বামী। ওবামাকে বিষমাখা চিঠি পাঠানোর অভিযোগে টেক্সাসের একটি আদালতে হাজিরাও দিয়েছেন শ্যানন।
এ প্রসঙ্গে ইউএস অ্যাটর্নি অফিসের মুখপাত্র ডেভিলিন ওয়াল্টসনের উদ্ধৃতি দিয়ে ‘ওয়াশিংটন টাইমস’ জানিয়েছে, এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
পাঁচ সন্তানের জননী শ্যানন রিচার্ডসন চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি ছোটপর্দায়ও অভিনয় করেন। তিনি গত মাসে বারাক ওবামার ঠিকানায় সন্দেহজনক একটি চিঠি পাঠান। ওবামা বরাবর হোয়াইট হাউসে আসা চিঠিপত্র তদারক করতে গিয়ে সন্দেহজনক চিঠির বিষয়টি নজরে আসে। ওবামাকে হুমকি দিয়ে পাঠানো ওই চিঠি আটকে দেয় হোয়াইট হাউস কর্তৃপক্ষ। পরে সেটি পাঠিয়ে দেওয়া হয় এফবিআইয়ের সন্ত্রাসবাদবিষয়ক যৌথ টাস্কফোর্সের কাছে।
এ ঘটনার কয়েক দিন আগে একই কায়দায় অবৈধ অস্ত্রবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সোচ্চার কণ্ঠ নিউইয়র্কের মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গকেও রাইসিনমাখা চিঠি পাঠিয়েছিলেন শ্যানন। যুক্তরাষ্ট্র সরকার অস্ত্র আইনে কড়াকড়ি আরোপের উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকে এ ধরনের বেশ কয়েকটি চিঠি আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে গত এপ্রিলের মাঝামাঝিতে রাইসিনমাখা চিঠি এসেছিল ওবামার উদ্দেশে। একই দিন মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান সিনেটরকে পাঠানো চিঠিতে বিষাক্ত পদার্থ পাওয়া যায়। হোয়াইট হাউস থেকে বেশ দূরে অবস্থিত একটি স্থাপনায় ওবামাকে পাঠানো চিঠিতে সন্দেহজনক বস্তু শনাক্ত করা হয়। হোয়াইট হাউসের চিঠিপত্র সেখানেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। ওবামাকে পাঠানো ওই চিঠিতে বিষাক্ত রাইসিন মাখানো রয়েছে বলে প্রাথমিক পরীক্ষায় ধরা পড়ে।
ভেন্নার বীজ থেকে উত্পাদিত এই রাইসিন বিষ সায়ানাইডের চেয়ে এক হাজার গুণ বেশি বিষাক্ত। নিঃশ্বাসের মাধ্যমে অথবা গিলে ফেললে বা সুচের মাধ্যমে শরীরে এই বিষ দেওয়া হলে মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে। তবে এটি নিরাময়যোগ্য। পরে ওই চিঠির উত্স খুঁজে বের করতে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সেবার মিসিসিপি থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
মাস ঘুরতে না ঘুরতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে মে মাসের শেষের দিকে। এরপর একাধিক সরকারি কর্তাব্যক্তির নামে এ রকম একের পর এক চিঠি আসতে থাকে। তাই নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। এর আগে সন্দেহ করা হয়েছিল, ব্লুমবার্গ যেহেতু আগ্নেয়াস্ত্র নিষিদ্ধ করতে কড়া আইন আনতে চাইছেন, তাই হয়তো তাঁকে কেউ বিষমাখা চিঠি পাঠিয়েছে। তিনি নিজেও তা-ই বলেন। কিন্তু প্রেসিডেন্টের নামেও বিষচিঠি আসার পর তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, দুটি ঘটনায় মিল রয়েছে কি না।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’