Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

স্কুলে দুষ্টুমি কমাবে সংগীত!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 91 বার

প্রকাশিত: June 14, 2013 | 9:47 PM

স্কুলে দুষ্টুমি কমাবে সংগীত!হয়তো শ্রেণীকক্ষে শিক্ষক তার পড়ানোর কাজটি নির্ধারিত সময়ের একটু আগেই শেষ করে ফেলেছেন। কিংবা নির্ধারিত কোনো ঘণ্টায় হয়তো উপস্থিত হননি সেই ঘণ্টায় যার পড়াবার কথা ছিল সেই শিক্ষক। এ ধরনের যেকোনো সুযোগেই স্কুলের শিশুদের একমাত্র কাজ বোধকরি দুষ্টুমি আর হৈ-হল্লায় মেতে ওঠা। এমনকি মাঝে মাঝে তো এই হৈ-হল্লার পরিমাণ এতটাই বেড়ে যায় যে পাশের ক্লাস থেকে অন্য শিক্ষককে এসে রীতিমতো ধমকে যেতে হয় এই ক্লাসের ছেলেমেয়েদের। অনেকেই হয়তো ভাবছেন শিশুদের কাছ থেকে এই ধরনের ব্যবহারই তো স্বাভাবিক। তবে গবেষকরা বলছেন অন্য কথা। তাদের দাবি যেসব ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অনুপস্থিতিতে মাত্রা ছাড়ানো দুষ্টুমির কারণে শিশুদের কারও আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যেখানে এর কারণে অন্য শিশুদের মনোসংযোগে ব্যাঘাত ঘটে কিংবা যেখানে হৈ-হল্লা করা শিশুরা পরবর্তী ক্লাসে শান্ত ও সুস্থিরভাবে মন দিয়ে পড়া করতে পারে না তাদেরকে খুব সহজেই স্থির রাখতে পারে সংগীত। এই গবেষণার অংশ হিসেবে ইসরায়েলের একটি স্কুলে টিফিনের সময় ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সময় নেপথ্য সংগীত হিসেবে বাজানো হয় ‘দ্য স্পিরিট অব ইয়োগা’ মিউজিক। আর এভাবে সংগীত বাজানোর ফলে শিশুরা উত্ফুল্ল হয়ে খেলাধুলা করা, হৈ-হল্লা কম করা এবং শান্তমনে পরের ক্লাস শুরু করার মতো গুণ অর্জন করতে পারদর্শীতা দেখায় বলে পর্যবেক্ষণে দেখেছেন গবেষকরা। আবার এভাবে টিফিনের সময় ‘দ্য স্পিরিট অব ইয়োগা’র পাশাপাশি ভারতীয় ধারার সংগীত বাজিয়েও ইতিবাচক ফল পেয়েছেন গবেষকরা। তাদের দাবি টিফিনের সময় অথবা শিক্ষার্থীদের অবসর সময়ে যদি তাদেরকে ভারতীয় সংগীত শোনানো হয় তাহলে শিশুদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি করার প্রবণতা বা একে অন্যকে নানা ধরনের হুমকি দেওয়ার প্রবণতাও প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।ইত্তেফাক
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV