Wednesday, 18 March 2026 |
শিরোনাম
নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন নিউইর্য়কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
সব ক্যাটাগরি

‘জি-২০ সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের টেলিফোনে আড়ি পাতে ব্রিটেন’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 106 বার

প্রকাশিত: June 17, 2013 | 4:24 PM

নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে গতকাল শুরু হয়েছে ৩৯তম জি-৮ সম্মেলন। সম্মেলন শুরুর আগে স্থানীয় একটি স্কুল পরিদর্শনে যান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। এ সময় শিশুদের সঙ্গে ছবি আঁকায় মেতে ওঠেন দুই নেতা। ছবি : এএফপি
২০০৯ সালে লন্ডনে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে আসা বিদেশি প্রতিনিধিদের ওপর নজরদারি চালিয়েছেন ব্রিটিশ গোয়েন্দারা। প্রতিনিধিদের টেলিফোন ও ইন্টারনেটে আড়িপাতা হয়েছে। গোয়েন্দাদের নজরদারি থেকে বাদ যাননি রাশিয়ার তত্কালীন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভও। ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ান গতকাল সোমবার এ কথা জানিয়েছে। উত্তর আয়ারল্যান্ডে জি-৮ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার আগে আগে এমন সংবাদে দেশটিতে সমালোচনার ঝড় বইছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সাবেক কর্মী এডওয়ার্ড স্নোডেনের ফাঁস করা দলিলের বরাত দিয়ে গার্ডিয়ান জানায়, তত্কালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন ও সংশি্লষ্ট কতর্ৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই এই নজরদারি চালানো হয়েছে।
স্নোডেন সম্প্রতি গার্ডিয়ানের কাছে, ইন্টারনেট ও টেলিফোনে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নজরদারিসংক্রান্ত গোপন দলিল ফাঁস করে দেন। যে কারো সম্পর্কে জানতে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা গুগল, ইয়াহু, ফেসবুক, মাইক্রোসফটসহ ৯টি কম্পানির সার্ভারে ঢুকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করছে বলেও জানানো হয়। গার্ডিয়ান জানায়, পিআরআইএসএম (প্রিজম) নামের একটি গোপন কর্মসূচির আওতায় ২০০৭ সাল থেকে এই নজরদারি চলছে। স্নোডেনের দেওয়া দলিলের সূত্র ধরেই ব্রিটেনের টেলিযোগাযোগ নজরদারি সংস্থা জিসিএইচকিউর (গভর্নমেন্ট কমিউনিকেশন্স হেডকোয়ার্টার্স) নজরদারি কর্মকাণ্ডও ফঁাস হয়ে যায়। জিসিএইচকিউ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের কাছ থেকে প্রিজম পদ্ধতিতে সংগৃহীত তথ্য নিয়েছে- এ ধরনের অভিযোগও করে গার্ডিয়ান।
গত রবিবার গার্ডিয়ান জানায়, ২০০৯ সালের এপ্রিলে যেসব বিদেশি রাজনীতিবিদ ও কর্মকর্তা লন্ডনে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের প্রায় প্রত্যেকের টেলিফোন ও ইন্টারনেটে আড়িপাতা হয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষেই গোয়েন্দারা এ কাজ করেন। বিদেশি প্রতিনিধিদের ইন্টারনেটের গতিবিধি জানতে ভুয়া ইন্টারনেট ক্যাফে স্থাপন করা হয়। এসব ক্যাফের কম্পিউটারে আগে থেকেই ই-মেইলে আড়িপাতার সফটওয়্যার দিয়ে রাখা হয়েছিল। প্রতিনিধিরা কাকে কাকে ফোন করছেন, ২৪ ঘণ্টা তার ওপরও নজরদারি করা হয়েছে। এর জন্য ৪৫ সদস্যের বিশেষজ্ঞ একটি দলও গঠন করা হয়। রাশিয়ার তত্কালীন প্রেসিডেন্ট মেদভেদেভ স্যাটেলাইট লিঙ্কের মাধ্যমে মস্কোতে যে কয়বার ফোন করেছেন, তার সবগুলোতেই আড়িপাতা হয়। সম্মেলনে যোগ দিতে আসা তুরস্কের অর্থমন্ত্রী ও তঁার সঙ্গের ১৫ ব্যক্তির ওপর বিশেষ নজর রাখা হয়। ব্রিটেনের দীর্ঘদিনের অংশীদার হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিরাও বিশেষ নজরদারির শিকার হন। গার্ডিয়ান জানায়, লন্ডনে একই বছর অর্থমন্ত্রীদের একটি আন্তর্জাতিক বৈঠকেও নজরদারি চালান ব্রিটিশ গোয়েন্দারা। তবে এ ব্যাপারে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
উত্তর আয়ারল্যান্ডে গতকাল থেকে শুরু হওয়া জি-৮ সম্মেলনে যে দেশগুলো অংশ নিচ্ছে, তাদের প্রত্যেকেই জি-২০’র সদস্য এবং ২০০৯ সালের সম্মেলনেও অংশ নেয়। আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলোতে বিদেশি প্রতিনিধিদের ওপর নজরদারির গুজব সবসময়ই প্রচলিত। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই নজরদারি হয় অত্যন্ত গোপনে এবং এ-সংক্রান্ত তথ্য গোপন রাখা হয়। জি-২০ সম্মেলনে ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের আড়িপাতাসংক্রান্ত খবর জি-৮ সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে ব্রিটেনকে বেকায়দায় ফেলে দেবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
‘যুক্তরাষ্ট্রের সব নাগরিকই নজরদারিতে পড়েছে’
যুক্তরাষ্ট্রের পত্রিকা দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট গত রবিবার বিশেষ এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থা ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি (এনএসএ) গণহারে মার্কিন নাগরিকদের ফোনকল, ই-মেইল, ভিডিও যোগাযোগে নজরদারি করে আসছে। কোনো না কোনোভাবে সব মার্কিন নাগরিকই নজরদারির শিকার হয়েছেন। মার্কিন সরকারের ‘মেরিনা’ নামের একটি কর্মসূচির আওতায় নাগরিকদের ই-মেইল ও ভিডিওকলে আড়ি পেতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। মেরিনার আওতাভুক্ত ‘মেইনওয়ে’ নামের আরেকটি কর্মসূচির আওতায় মার্কিন নাগরিকদের টেলিফোনের রেকর্ড সংগ্রহ করা হয়। এ মাসের শুরুতে ফাঁস হওয়া আদালতের গোপন এক নির্দেশের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, প্রায় সাত বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের টেলিযোগাযোগ করপোরেশনগুলো তাদের নেটওয়ার্কের যাবতীয় তথ্য গোয়েন্দা কতর্ৃপক্ষকে হস্তান্তর করেছে। কোন জায়গা থেকে ফোন করা হয়েছে এবং কতক্ষণ পর্যন্ত কথা চলেছে, সে সংক্রান্ত তথ্যও রয়েছে। সন্দেহভাজন জঙ্গিদের সহযোগীদের ধরতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স মার্কিন সরকারের এক দলিলের বরাত দিয়ে জানায়, অসংখ্য তথ্য জমা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ৩০০’র কম ফোন নম্বরের ব্যাপারে বিশদ অনুসন্ধান চালিয়েছে। এর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সন্ত্রাসী তত্পরতার খবর পাওয়া গেছে। সূত্র : গার্ডিয়ান, টেলিগ্রাফ।কালের কণ্ঠ
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV