গ্রামীণ ব্যাংক ভাঙার অথবা সরকারিকরণের সুপারিশ : এটা হবে ক্ষমতার চরম অপব্যবহার -ড. ইউনূস
মনির হায়দার : গ্রামীণ ব্যাংককে সম্পূর্ণরূপে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সরকারের কাছে দু’টি বিকল্প সুপারিশ পেশ করেছে এ সম্পর্কিত সরকারি কমিশন। তারা ব্যাংকটিকে পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির আদলে ভেঙ্গে অনেকগুলো ছোট ছোট ব্যাংক গঠন অথবা এটিকে শিল্প ব্যাংকের আদলে সরকারের নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণে আনার কথা বলেছে। এসব সুপারিশ নিয়ে আলোচনার জন্য কমিশন আগামী ২ জুলাই তাদের পছন্দমতো অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করেছে। এই পটভূমিতে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ইত্তেফাককে তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, গ্রামীণ ব্যাংককে সরকারিকরণ করা হলে এটা হবে ক্ষমতার চরম অপব্যবহার। কমিশনের সুপারিশগুলোর কোনোটিই সামান্যতমও বিবেচনার যোগ্যতা রাখে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের এক চিঠির সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যেই অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন সরকারের কাছে দাখিল করলেও গ্রামীণ ব্যাংকের বিষয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতির জন্য কমিশন এখনো কাজ করছে। এ পর্যায়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যত্ কাঠামো বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে আলাপ-আলোচনার জন্য কমিশন আগামী ২ জুলাই রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে ‘ফিউচার স্ট্রাকচার অব গ্রামীণ ব্যাংক : সাম অপশন্স ‘ শিরোনামে একটি কর্মশালার আয়োজন করেছে। চিঠিতে বলা হয়, ১৯৮৩ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এ এম এ মুহিত গ্রামীণ ব্যাংক উদ্বোধন করেছিলেন। এই কর্মশালায়ও এ এম এ মুহিত তার অভিজ্ঞতালব্ধ মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করবেন।
এই কর্মশালায় আমন্ত্রিতদের প্রত্যেককে কর্মশালা উপলক্ষে প্রণীত কার্যপত্রের একটি করে কপি পাঠানো হয়েছে। ৮ পৃষ্ঠার এই কার্যপত্রে মূলত কমিশনের অন্তর্বর্তী প্রতিবেদনের সার-সংক্ষেপ তুলে দেয়া হয়, যাতে কমিশনের দৃষ্টিতে গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান কাঠামোর মধ্যে চিহ্নিত সমস্যাসমূহ এবং সেগুলো দূর করার জন্য কমিশনের বিকল্প প্রস্তাবসমূহের উল্লেখ রয়েছে।
আইন সংশোধনের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংককে সরকারি নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যে কমিশন যে দু’টি বিকল্প সুপারিশ করেছে, তারমধ্যে প্রথমটি হলো, গ্রামীণ ব্যাংক আইন ১৯৮৩ সংশোধনের মাধ্যমে এটিকে শিল্প ব্যাংকের আইনী কাঠামোর কাছাকাছি নিয়ে আসা। এই প্রক্রিয়ায় গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের শেয়ারের পরিমাণ ৫১ শতাংশের বেশি হবে এবং পরিচালনা পর্ষদেও সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য থাকবে সরকারের। বাকি শেয়ার সদস্যদের মধ্যে বণ্টনের কথা বলা হয়েছে। এমন পরিবর্তনের পর নতুন আইনী কাঠামোতে গ্রামীণ ব্যাংক কেবল একটি সংবিধিবদ্ধ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসাবেই প্রতিষ্ঠিত হবে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসাবে নয়।
দ্বিতীয় বিকল্প সুপারিশে বলা হয়, গ্রামীণ ব্যাংকের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো অক্ষুণ্ন রেখে ব্যাংকটিকে পুনর্গঠনের মাধ্যমে এর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার বিকেন্দ্রীকরণ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রচলিত পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির ধারণার উল্লেখ করে সুপারিশে বলা হয়, বর্তমানে গ্রাম পর্যায়ে স্বাধীনভাবে নিবন্ধিত ৭০টি সংগঠন (যারা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি নামে পরিচিত) ৯৩ লাখ গ্রাহক নিয়ে কাজ করছে। প্রতিটি পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির ১১ থেকে ১৮ জন নির্বাচিত সদস্য সমন্বয়ে বোর্ড রয়েছে। তারা সবাই নিবন্ধিত এবং জাতীয় পর্যায়ে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের নিজস্ব আইনে নিয়ন্ত্রিত। কমিশন মনে করে যে, গ্রামীণ ব্যাংকের জন্যও অনুরূপ একটি বিকল্প কাঠামো অনুসরণ করা যায়।ইত্তেফাক
গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের এক চিঠির সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যেই অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন সরকারের কাছে দাখিল করলেও গ্রামীণ ব্যাংকের বিষয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতির জন্য কমিশন এখনো কাজ করছে। এ পর্যায়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যত্ কাঠামো বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে আলাপ-আলোচনার জন্য কমিশন আগামী ২ জুলাই রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে ‘ফিউচার স্ট্রাকচার অব গ্রামীণ ব্যাংক : সাম অপশন্স ‘ শিরোনামে একটি কর্মশালার আয়োজন করেছে। চিঠিতে বলা হয়, ১৯৮৩ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এ এম এ মুহিত গ্রামীণ ব্যাংক উদ্বোধন করেছিলেন। এই কর্মশালায়ও এ এম এ মুহিত তার অভিজ্ঞতালব্ধ মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করবেন।
এই কর্মশালায় আমন্ত্রিতদের প্রত্যেককে কর্মশালা উপলক্ষে প্রণীত কার্যপত্রের একটি করে কপি পাঠানো হয়েছে। ৮ পৃষ্ঠার এই কার্যপত্রে মূলত কমিশনের অন্তর্বর্তী প্রতিবেদনের সার-সংক্ষেপ তুলে দেয়া হয়, যাতে কমিশনের দৃষ্টিতে গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান কাঠামোর মধ্যে চিহ্নিত সমস্যাসমূহ এবং সেগুলো দূর করার জন্য কমিশনের বিকল্প প্রস্তাবসমূহের উল্লেখ রয়েছে।
আইন সংশোধনের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংককে সরকারি নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যে কমিশন যে দু’টি বিকল্প সুপারিশ করেছে, তারমধ্যে প্রথমটি হলো, গ্রামীণ ব্যাংক আইন ১৯৮৩ সংশোধনের মাধ্যমে এটিকে শিল্প ব্যাংকের আইনী কাঠামোর কাছাকাছি নিয়ে আসা। এই প্রক্রিয়ায় গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের শেয়ারের পরিমাণ ৫১ শতাংশের বেশি হবে এবং পরিচালনা পর্ষদেও সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য থাকবে সরকারের। বাকি শেয়ার সদস্যদের মধ্যে বণ্টনের কথা বলা হয়েছে। এমন পরিবর্তনের পর নতুন আইনী কাঠামোতে গ্রামীণ ব্যাংক কেবল একটি সংবিধিবদ্ধ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসাবেই প্রতিষ্ঠিত হবে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসাবে নয়।
দ্বিতীয় বিকল্প সুপারিশে বলা হয়, গ্রামীণ ব্যাংকের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো অক্ষুণ্ন রেখে ব্যাংকটিকে পুনর্গঠনের মাধ্যমে এর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার বিকেন্দ্রীকরণ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রচলিত পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির ধারণার উল্লেখ করে সুপারিশে বলা হয়, বর্তমানে গ্রাম পর্যায়ে স্বাধীনভাবে নিবন্ধিত ৭০টি সংগঠন (যারা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি নামে পরিচিত) ৯৩ লাখ গ্রাহক নিয়ে কাজ করছে। প্রতিটি পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির ১১ থেকে ১৮ জন নির্বাচিত সদস্য সমন্বয়ে বোর্ড রয়েছে। তারা সবাই নিবন্ধিত এবং জাতীয় পর্যায়ে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের নিজস্ব আইনে নিয়ন্ত্রিত। কমিশন মনে করে যে, গ্রামীণ ব্যাংকের জন্যও অনুরূপ একটি বিকল্প কাঠামো অনুসরণ করা যায়।ইত্তেফাক
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’