Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

জাতিসংঘে বাংলাদেশ’র স্থায়ী প্রতিনিধির আবাসিক এপার্টমেন্ট ক্রয়॥ প্রতিমাসে সাশ্রয় ১০ হাজার ডলার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 176 বার

প্রকাশিত: June 21, 2013 | 12:54 PM

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধির স্থায়ী আবাসনের জন্য এপার্টমেন্ট ক্রয় করা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারী সম্পত্তি হওয়ায় সুলভ মূল্যে মাত্র তিন দশমিক পঁচিশ লাখ ডলারে তিন হাজার তিনশ বর্গফুটের এই এপার্টমেন্ট কেনা সম্ভব হয়েছে। জাতিসংঘ সদর দপ্তর থেকে সিকি কিলোমিটার দূরে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে এই ফ্লাটটি কেনা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর মিশন প্রতিষ্ঠার ৩৯ বছরে বর্তমান শেখ হাসিনা সরকারের সময় প্রথম মিশনের কার্যালয়ের জন্য জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সন্নিকটে একটি ফ্লোর কেনা হয়। এতে মিশনের অফিস ভাড়া বাবদ মাসে ৩৪ হাজার ডলার যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২৭ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়।  ২০০৯ সালে মিশনের নিজস্ব অফিস কেনার পর গত সাড়ে তিন বছরে এই খাতে বাংলাদেশ সরকারের সাশ্রয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ১০ কোটি টাকা। মিশন প্রধানের আবাসিক এপার্টমেন্ট কেনার পর এই খাতে সরকারের বছরে সাশ্রয় হবে প্রায় এক কোটি টাকা। সম্প্রতি মিশন মিলনায়তনে অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এপার্টমেন্ট কেনার দলিলে স্বাক্ষর করেন মান্যবর স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ.কে আব্দুল মোমেন। এপার্টমেন্ট কেনার দলিলে স্বাক্ষরের পর এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় ড.এ.কে আব্দুল মোমেন বলেন, নিঃসন্দেহে এটি আমাদের জন্য একটি সুখবর। এতে বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে আমরা একটি এপার্টমেন্টের মালিকানা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি বলেন, তুলনামূলক কম মূল্যে এপার্টমেন্ট কিনতে পারায় ও সরকারের আর্থিক সাশ্রয় হয়েছে। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে একটি ভবন কিনতে সমর্থ হলে তাতে সরকার আরো অধিকমাত্রায় লাভবান হবে। এপার্টমেন্ট ও অফিস ক্রয়ে সহযোগিতার জন্য বর্তমান সরকারের শেখ হাসিনা প্রশাসনকে তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV