Saturday, 7 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ও সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটি’র ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
সব ক্যাটাগরি

মুক্তির রাত শবেবরাত : যুক্তরাষ্ট্রে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদার সঙ্গে পবিত্র শবেবরাত পালিত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 77 বার

প্রকাশিত: June 23, 2013 | 12:52 PM

আল্লামা মুজাহিদুদ্দীন চৌধুরী দুবাগী : মহান রাব্বুল আলামীন সকল মানুষ, স্থান ও সময়কে সমান মর্যাদা দান করেননি। বৎসরে যে কয়টি রাতকে অত্যন্ত ফজিলত ও মর্যাদা দান করেছেন তন্মধ্যে শবে বরাত একটি । বিভিন্ন তাফসীর ও হাদীসগ্রন্থে এ রাতকে লাইলাতুল বারাত ও লাইলাতুল নিসফি মিন শা’বান নামে অভিহিত করা হয়েছে। তাফসীরে বাগাবী হযরত উসমান বিন মুহাম্মদ বিন মুগীরা বিন আখনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন যে, এক শাবান থেকে অপর শাবান পর্যন্ত প্রত্যেক কাজের সময় নির্ধারণ করা হয় এ রাত্রে। এমনকি কোন ব্যক্তি বিবাহ করবে এবং তার সন্তান ও জন্মগ্রহণ করবে এমতাবস্থায় তার নাম মৃতদের তালিকায় চলে যায়। তাফসীরে বাগাবীঃ ৪/১৪৮-১৪৯ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহ তা’লা শা’বানের অর্ধেকের রাত্রে সকল ফয়সালা করে থাকেন এবং লাইলাতুল কদরে তা দায়িত্বশীল ফেরেশতাদের নিকট সোর্পদ করেন। তাফসীরে বাগাবী-৪/১৪৯ তাফসীরে রুহুল মা’আনী হযরত ইকরামা (রাঃ) ও অপর একদল মুফাসসিরীনে কেরামের মতে লাইলাতুল মাবারাকা হচ্ছে শাবানের অর্ধেকের রাত। তাকে লাইতুর রাহমাহ, লাইলাতুছ ছক, লাইলাতুল মুবারাকা ও লাইলাতুল বরাত নামে ও অভিহিত করা হয়। তারা এ রাতের ফজিলত সম্বন্ধে অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে ইমাম ইবনে মাজা তার সুনানে এবং ইমাম বায়হাকী তার শুআবে ঈমানে হযরত আলী (রাঃ) থেকে নিম্নোক্ত হাদীস খানা বর্ণনা করেছেন। রাসুলে পাক ইরশাদ করেন, যখন শা’বান মাসের অর্ধেকের রাত হবে তখন তোমরা রাত্রে জাগ্রত থাকবে এবং দিনে রোজা রাখবে। কেননা আল্লাহ তালা সূর্যাস্তের পর দুনিয়ার আকাশে অবর্তীণ হয়ে আহবান করেন কোন ক্ষমা প্রার্থনাকারী থাকলে ক্ষমা প্রার্থনা করুক আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। কোন রিযেক প্রার্থনাকারী রিযেক প্রার্থনা করলে আমি তাকে রিযেক দান করব। কোন বিপদ থেকে মুক্তি প্রার্থনা করলে আমি থাকে বিপদ থেকে রেহাই দেব। এরূপ আরও অনেক কিছু এমনকি ফজর পর্যন্ত এ আহবান চলতে থাকে। (রুহুল মা’আনী খন্ড ২৬ পৃষ্ঠা ১১১) দ্বিতীয়তঃ ইমাম তিরমিযী, ইবনে শাইবা বায়হাকী এবং ইবনে মাজা হযরত আয়েশা ছিদ্দীকা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন – তিনি বলেন এক রাত্রে আমি রাসূলে পাক সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়াসাল্লাম কে হারিয়ে ফেললাম। অর্থাৎ তিনি আমার বিছানা থেকে উঠে গেলেন। আমি তাঁকে তালাশ করে গিয়ে জান্নাতুল বাকীতে আকাশের দিকে মাথা উত্তোলনকারী অবস্থায় পেলাম। তিনি আমাকে দেখে বললেন হে আয়েশা! তোমার মনে কি এ ভয় হয়েছিল যে, আল্লাহ এবং তার রাসূল তোমার সহিত অন্যায় ব্যবহার করবেন? আমি বললাম যে, আমি তা মনে করিনি, তবে আমি ভেবেছিলাম হয়তো আপনি আপনার অন্য কোন স্ত্রীর নিকট গমন করেছেন। অতঃপর হুযুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন আল্লাহ তা’লা শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাতে অর্থাৎ শবে বরাতে দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন (অর্থাৎ দুনিয়ার আসমানের প্রতি মনোনিবেশ করেন) অতঃপর বণি কালবের ছাগল পালের পশমের চেয়েও অধিক গোনাহগার বান্দাদেরকে ক্ষমা করে থাকেন। হযরত রাশিদ বিন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়াসল্লাম ইরশাদ করেন। আল্লাহ তা’লা পরবর্তী এক বৎসরে যতগুলো প্রাণ হরণ করার ইচ্ছা পোষণ করেন শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাতে অর্থাৎ শবে বরাতে তা মালাকুল মউত তথা হযরত আজরাইল (আঃ) এর প্রতি নির্দেশ প্রদান করে থাকেন। ইমাম আহমদ (রঃ) তার মাসনাদে হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন আল্লাহ পাক শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাতে তার সৃষ্টি জগতের প্রতি মনোনিবেশ করেন। অতঃপর দু শ্রেণীর বান্দাহ ব্যতীত সকলকে ক্ষমা করে দেন। এ দু’শ্রেণী হলো হিংসুক এবং অন্যায়ভাবে হত্যাকারী। রুহুল মাআনী-খন্ড ২৬/১১১ শবে বরাতকে বরকত শব্দ দিয়ে বিশেষিত করার বিভিন্ন কারণ হতে পারে-(১) ধর্মীয় ও পার্থিব উপকারের নিমিত্ত। এ রাত্রে পবিত্র কুরআন একত্রে অবর্তীণ করা হয়েছে। (২) এ রাত্রে ফেরেশতা ও রাহমাতের অবতরণ হওয়া দোয়া কবুল হওয়া এবং ইবাদতের ফজিলতের আধিক্যতা। (৩) মাখলুকাতের রিযেক নির্ধারণ করণ, বিভিন্ন বিষয়ের ফয়সালা করন যেমন, জন্ম, মৃত্যু প্রভৃতি কাজের সময় নির্ধারণ করন এবং মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে পরিপূর্ণ শাফাআতের অধিকার প্রদান। আর এ সকল কারণেই এ রাত্রকে বলা হয় লাইলাতুল বরাত। (রুহুল মা’আনী খন্ড ২৬ পৃষ্ঠা-১১২) তাফসীরে খাযিন মা আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন আল্লাহ তা’লা শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাতে দুনিয়ার আসমানে অবর্তীণ হন অর্থাৎ মনোনিবেশ করেন এবং বনী কালব গোত্রের ছাগলের পালের পশমের চেয়েও অধিক গোনাহ গার বান্দাদেরকে ক্ষমা করেন। হাদীসটি ইমাম তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। (খাযিন খন্ড ৪ পৃষ্ঠা-১১২)। তাফসীরে রুহুল বয়ান রামদ্বান শরীফ, জিলহাজ্ব মাসের দশ তারিখ এবং শা’বান মাসের মধ্যবর্তী রাতের ফজিলত সম্পর্কে অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে রুহুল বয়ান। (খন্ড ৮ পৃষ্ঠা ৪০১) মুফাসসিরীনে কেরামের মধ্যে কেহ কেহ বলেন লাইলাতুল মুবারাকা দ্বারা শা’বান মাসের মধ্যবর্তী রাতকে বুঝানো হয়েছে। উক্ত রাতের নাম চারটি- (১) আললাইলাতুল মুবারাকা। এ রাত্রে আমলকারীদের জন্য অত্যাদিক কল্যাণ ও বরকত থাকার কারণে এবং আল্লাহ তা’লার দেয়া বারাকাত আরশ থেকে পাতাল পর্যন্ত সুক্ষাতিসুক্ষ প্রতিটি বস্তুকে পরিবেষ্টন করে। যেমনি ভাবে শবে কদরে হাযিরাতুল কুদস্ নামক স্থানে ফেরস্তাকুল সমবেত হয়ে থাকেন। (২) লাইলাতুর রাহমাহ, (৩) লাইলাতুল বরাত, (৪) লাইলাতুস ছক। আর এ নামকরণের কারণ হচ্ছে তহশীলদার যখন খাজনা দানকারী থেকে খাজনা গ্রহণ করে তখন তাকে রসিদ প্রদান করে যে তোমার দায়িত্ব থেকে তা মুক্ত হয়ে গেল। তেমনিভাবে আল্লাহ তা’লা উক্ত রাত্রে তার মুমিন বান্দাদেরকে গোনাহ থেকে মুক্তি দান করেন। হযরত উমর বিন আব্দুল আযিয শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাতে নামাজ থেকে যখন মাথা উত্তোলন করলেন তখন তিনি সবুজ রং এর একটি চিঠি দেখতে পেলেন যার আলো আসমান পর্যন্ত বিস্তৃত এবং তাতে লিখা রয়েছে এটা মহা পরাক্রমশালী বাদশাহ আল্লাহর পক্ষ থেকে তার প্রিয় বান্দা উমর বিন আব্দুল আজিজের দোজখ থেকে মুক্তির পরিত্রাণের সনদ। (রুহুল বয়ান খন্ড ৮ পৃষ্ঠা-৪০২)। হাদীস শরীফে রয়েছে উক্ত শবে বরাতে একশত রাকআত নামাজ আদায় করলে আল্লাহ তা’লা তার জন্য একশত জন ফেরেশতা মোতায়েন করবেন। তন্মধ্যে ত্রিশজন তাকে বেহেশতের সু-সংবাদ দান করেন, ত্রিশজন তাকে দোজখের শাস্তি থেকে নিরাপদে রাখেন। ত্রিশজন তাকে দুনিয়ার বালা মুসীবত থেকে রক্ষা করেন। এবং দশজন তাকে শয়তানের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করেন। হযরত মুজাহিদ (রহঃ) হযরত আলী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়াসাল্লাম বলেন হে আলী শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাতে যে একশত রাকআত নামাজ এমনভাবে পড়বে যে প্রতি রাকাতে সুরায়ে ফাতেহার পর সূরায়ে ইখলাছ এগার বার হুযুর বলেন হে আলী আল্লাহর যে বান্দাই এ নামাজ পড়বে আল্লাহ তা’লা এরাত্রে তার সব গুলো হাজাত পূর্ণ করবেন যা সে চাইবে এবং সত্তর হাজার ফেরেশতা প্রেরণ করবেন যারা তার নেক কাজগুলো লিপিবদ্ধ করবেন, মন্দকাজগুলো মিটিয়ে দেবেন এবং তার মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। আর তা চলতে থাকবে বৎসরের শেষ পর্যন্ত। তা ছাড়া আল্লাহ পাক আদন নামক বেহেশতে সত্তর হাজার থেকে সাত লক্ষ ফেরেশতা মোতায়েন করবেন যারা বেহেশতে তার জন্য শহর ও সুরম অট্টালিকা সমূহ নির্মাণ করবেন, তার জন্য বৃক্ষরাজি রোপন করবেন। আর এ জান্নাত এমন এক স্থান যা কোন চক্ষু দেখেনি, কোন কর্ণ কখনও শোনেনি এবং সৃষ্টি জগতের কেহ কোনদিন তা চিন্তা ও করতে পারেনি। আর যদি এ বৎসরের কোন এক রাত্রে সে ইন্তেকাল করে, তবে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবে এবং আল্লাহ কুল হু আল্লাহু তিলাওতের কারণে প্রতিটি অক্ষরের বিনিময়ে দান করবেন সত্তর জন হুর। (রুহুল বয়ান খন্ড ৮ পৃষ্ঠা ৪০৩)। তৃতীয় ঃ রাহমাত নাযিল হওয়ার কারণে কেননা রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন শা’বান মাসের মধ্যবর্তী রাতে আল্লাহ তা’লা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন। (রুহুল বয়ান খন্ড ৮ পৃষ্ঠা ৪০৩)। চতুর্থতঃ মাগফিরাত লাভ করার কারণে, কেননা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়াসাল্লাম বলেন নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’লা উক্ত রাত্রে, গণক, যাদুকর, হিংসুক, মদ্যপায়ী, পিতা-মাতার অবাধ্য এবং বারবার যিনাকারী ব্যক্তি ব্যতীত সকলকেই ক্ষমা করে থাকেন। (রুহুল বয়ান খন্ড ৮ পৃষ্ঠা ৪০৩)। পঞ্চমতঃ এ রাতে রাসুল পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়াসাল্লাম কে আল্লাহ তা’লা শাফায়াতের ক্ষমতা দান করেছেন। ষষ্ঠতঃ আল্লাহ তা’লা এ রাতে বাহ্যিকভাবেই যমযমের পানি বৃদ্ধি করেছেন। আর তাতে আহলে হকের অন্তরে আল্লাহর মা’রিফাতের জ্ঞান বর্ধিত হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত বহন করে। হাদীস শরীফে রয়েছে যে ব্যক্তি (নিম্নোক্ত) পাঁচ রাত্রে জাগ্রত থেকে এবাদত করবে তার জন্য বেহেশত অবাধারিত (১) তারবিয়ার রাত অর্থাৎ জিলহজ্ব মাসের ৮ তারিখের রাত (২) আরাফার রাত (৩) কুরবাণীর ঈদের রাত (৪) ঈদুল ফিতরের রাত (৫) শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত। (রুহুল বয়ান খন্ড ৮ পৃষ্ঠা ৪০৩)। ইনকিলাব 

 
 
 

 

 
 
 
 
 
 

 

যুক্তরাষ্ট্রে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদার সঙ্গে পবিত্র শবেবরাত পালিত : রাতভর ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে মহান আল্লাহ্র অশেষ মেহেরবানি কামনা

ইউএসএ নিউজ অনলাইন, নিউইয়র্ক, ২৪ জুন, নিউইয়র্ক থেকে রিজিওনাল চীফ রিপোর্টার সাখাওয়াত হোসেন সেলিম এর রিপোর্ট। যুক্তরাষ্ট্রে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদার সঙ্গে পবিত্র শবেবরাত পালিত হয়েছে। বিভিন্ন মসজিদগুলোতে এ উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। প্রবাসী বাংলাদেশী ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ২৩ জুন রোববার রাতব্যাপি ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যতে পবিত্র শবেবরাত পালন করে। নিউইয়র্ক সহ বিভিন্ন স্টেটের মসজিদ গুলোতে শবেবরাতের এ মহিমান্বিত রাতে পৃথক পৃথক আলোচনা, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ, জিকির-আসকার, দোয়া-দরুদ, মিলাদ মাহফিলসহ ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে মহান আল্লাহ্র অশেষ মেহেরবানি কামনা করা হয়। নিউইয়র্কের পার্কচেস্টার ও বাংলাবাজার জামে মসজিদে পৃথকভাবে পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে আলোচনা, যিকির মিলাদ ও দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।Holy_Shab-e-Barat_NY_USA_SaKil_1

পার্কচেস্টার জামে মসজিদে শবেবরাতের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা ও দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতীব মাওলানা মো: মাঈনুল ইসলাম। বাংলাবাজার জামে মসজিদে শবেবরাতের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা, মিলাদা ও দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতীব মাওলানা আবুল কাশেম এহিয়া।Holy_Shab-e-Barat_NY_USA_SaKil_2

মাহফিলে বলা হয়, এ রাত মুমিন মুসলমানদের ইবাদত-বন্দেগির, পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মুক্তির। এ রাতে মহান আল্লাহতায়ালা তাঁর বান্দাদের প্রতি বরকত ও রহমত নাজিল করেন। এ কারণেই এ রাতকে লাইলাতুল বরাত বা ভাগ্য পরিবর্তনের রাত বলা হয়। মাহফিলে বলা হয়, শবেবরাতের রাত্রে বান্দার হিসেবের খাতা খোলা হয়। যারা আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করেন, গুনাহের জন্য মাফি চান, আল্লাহ পাক তাদেরকে মাফ করে দেন, এই রাত্রে বান্দাহর আগামী বছরের সকল হিসাব-নিকাশ, জীবন-মৃত্যুর হিসাবনামা, রুজি-রোজগারÑ এককথায় সব কিছু ফেরেশতাদের কাছে দিয়ে থাকেন। মাহফিলে বলা হয়, ইসলাম শান্তি ও মানবতার ধর্ম, ইসলামে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের স্থান নেই।Holy_Shab-e-Barat_NY_USA_SaKil_3

   
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV