Monday, 26 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ ১৪ শতাংশ বেড়েছে :আঙ্কাডের ‘বিশ্ব বিনিয়োগ’ প্রতিবেদন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 77 বার

প্রকাশিত: June 27, 2013 | 7:31 AM

                                            বাংলাদেশে বার্ষিক প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আবারও শত-কোটি ডলারের সীমা ছাড়িয়েছে। ২০১২ সালে বাংলাদেশে ১২৯ কোটি ২৫ লাখ মার্কিন ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। এটি এ-যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০১১ সালে এর পরিমাণ ছিল ১১৩ কোটি ৬৩ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কাডের ‘বিশ্ব বিনিয়োগ’ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল একযোগে সারা বিশ্বে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ  করা হয়। এরই অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার সকালে ঢাকায় বিনিয়োগ বোর্ডের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। এতে বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান এস এ সামাদ, প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের চেয়ারম্যান মির্জা আবদুল জলিল, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার, সাবেক সচিব হারুনর রশিদ, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক গোলাম মহিউদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে আংটাডের প্রতিবেদনের মূল বিষয়গুলো উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ইসমাইল হোসেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের অন্যান্য স্বল্পোন্নত দেশের বিদেশি বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি ঋণাত্বক হলেও বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। বিদেশি বিনিয়োগ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ২০১২ সালে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। ২০১১ সালে ছিল তৃতীয়। ২০১২ সালে ভারতে সবচেয়ে বেশি দুই হাজার ৫৫৪ কোটি ৩০ লাখ ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ আসে। তবে তা আগের বছরের চেয়ে এক হাজার ৬৪ কোটি ডলার কম। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের পরের অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান। ২০১২ সালে পাকিস্তানে ৮৪ কোটি ৭০ লাখ ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৮ কোটি ডলার কম। আর শ্রীলঙ্কায় গত বছর ৭৭ কোটি ৬০ লাখ ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার কম। অনুষ্ঠানে তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, ‘বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশে যেভাবে বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, তাতে আমরা আশান্বিত হচ্ছি। এই প্রবণতা প্রমাণ করে বিদেশিদের বাংলাদেশের প্রতি আস্থা বাড়ছে।’ তৌফিক-ই-ইলাহী আরও বলেন, বৈদেশিক বিনিয়োগের হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ তার অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে। ভারতে যেখানে এফডিআই ২৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, সেখানে বাংলাদেশে এটি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এস এ সামাদ বলেন, ‘এখন আর কোনো বিদেশি বিনিয়োগকারী বিদ্যুৎ বা জ্বালানি সমস্যার বিষয়টি বিবেচনায় নেন না। এই সমস্যার অনেকটাই আমরা উত্তরণ ঘটাতে পেরেছি।’ বিনিয়োগ করার মতো পর্যাপ্ত জমি দেশে রয়েছে উল্লেখ করে মির্জা আবদুল জলিল বলেন, সারা দেশে সরকারি বন্ধ মিল কারখানার যে পরিত্যক্ত জমি রয়েছে, তা বিদেশি বিনিয়োগের জন্য ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। নতুন বিনিয়োগের জন্য এই জমি ইজারা দেওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরে কোনো জমির সংকট হবে না বলে তিনি দাবি করেন। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে টেলিযোগাযোগ ও পোশাক খাতে। এরপর রয়েছে ব্যাংক, জ্বালানি ও কৃষি খাত। আলোচ্য সময়ে টেলিযোগাযোগ খাতে ৩৭ কোটি ৪৯ লাখ, পোশাক ৩০ কোটি ৭৪ লাখ, ব্যাংকিং ১৩ কোটি ৬৪ লাখ, জ্বালানি ১২ কোটি ৬৬ লাখ এবং কৃষিতে ছয় কোটি ৮ লাখ মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ এসেছে। আংটাডের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১২ সালে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে মালয়েশিয়া থেকে। এরপর যুক্তরাজ্য, মিসর, দক্ষিণ কোরিয়া, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, হংকং ও সুইজারল্যান্ড। বিশ্বে সর্বোচ্চ বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকারী দেশ চীন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। একই বছর সারা পৃথিবীতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছে এক লাখ ৩৫ হাজার কোটি ডলার, যা তার আগের বছরের তুলনায় ১৮ শতাংশ কম।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ