বাংলাদেশের পোশাকশিল্প :উ. আমেরিকান খুচরা বিক্রেতাদের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
২০টি উত্তর আমেরিকান খুচরা পোশাক বিক্রেতাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোর জন্য পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। ছবি: রয়টার্স I
<!–ul>
ওয়ালমার্ট স্টোরস ইনকরপোরেশন ও গ্যাপ ইনকরপোরেশনের মতো প্রায় ২০টি উত্তর আমেরিকান খুচরা পোশাক বিক্রেতাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের পোশাককারখানার জন্য আজ বুধবার এক পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। রয়টার্স বলছে, এ কর্মসূচির অধীনে এসব কোম্পানি প্রতিবছর বাংলাদেশের কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশ পরিদর্শন করবে। অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি (বাংলাদেশের শ্রমিকদের নিরাপত্তা জোট) ওয়াশিংটনে আজ তার পরিকল্পনা ঘোষণা করে। গত এক বছরে পোশাক খাতের বিভিন্ন কারখানায় দুর্ঘটনায় প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক প্রাণ হারানোর পরিপ্রেক্ষিতে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি তার কর্মসূচি ঘোষণা করল। এর আগে গত সোমবার বেশকিছু ইউরোপভিত্তিক পোশাক বিক্রেতা ব্র্যান্ড বাংলাদেশের পোশাকশ্রমিকদের জন্য কারখানা পরিদর্শনসহ বেশকিছু কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজ ওয়াশিংটনের একটি ভবনে যখন তার কর্মসূচি ঘোষণা করছিল, তখন বেশকিছু শিক্ষার্থী ওই ভবনের সামনে কর্মসূচির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে। ইউনাইটেড স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট সোয়েটশপস (কর্মশালাবিরোধী ছাত্র ঐক্য) নামের সংগঠনটির সদস্যরা যে লিফলেট বিতরণ করে, তাতে ইংরেজিতে লেখা ছিল ‘গ্যাপ ও ওয়ালমার্ট: তোমাদের লোকদেখানো নিরাপত্তা পরিকল্পনাকে বাংলাদেশের শ্রমিকেরা প্রত্যাখ্যান করে।’ উত্তর আমেরিকার খুচরা বিক্রেতাদের জোটটির নতুন কর্মসূচিতে প্রত্যেক সদস্য অর্থায়ন করবে। বাংলাদেশ থেকে যে কোম্পানি যত বেশি পোশাক তৈরি করিয়ে নেবে, সে তত বেশি চাঁদা দেবে। যে কোম্পানি সবচেয়ে বেশি ফরমায়েশ দেবে, সে বছরে সর্বোচ্চ ১০ লাখ ডলার (প্রায় সাত কোটি ৭৭ লাখ টাকা) বরাদ্দ করবে। বাকিরা অনুপাত অনুযায়ী এর কম বরাদ্দ দেবে। এখন পর্যন্ত এ প্রকল্পের জন্য চার কোটি ২০ লাখ ডলারের (৩২৬ কোটি ৬১ লাখ ৩০ হাজার টাকা) একটি তহবিল তৈরি হয়েছে। কারখানা সরালে বা দুর্ঘটনার কারণে বন্ধ হয়ে শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য মোট বরাদ্দের ১০ শতাংশ অর্থ পৃথক করে রাখা হবে। শ্রমিক স্বার্থ রক্ষায় যেসব বেসরকারি সংস্থা কাজ করবে, তাদের এ তহবিল থেকে সাহায্য দেওয়া হবে। তবে তা কীভাবে করা হবে, সে বিষয়ে ৩০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত পাকা হবে। ১৭টি কোম্পানির জোটে আছে: কানাডার টায়ার, কর্টার, দ্য চিলড্রেন্স প্লেস রিটেইল স্টোরস, গ্র্যাপ, হাডসন বে, আইএফজি, জেসি পেনি, জোন্স গ্রুপ, কোল করপোরেশন, এল এল বিন, ম্যাকি, নর্ডস্ট্রম, পাবলিক ক্লথিং, সিয়ারস হোল্ডিং, টার্গেট, ভিএফ এবং ওয়ালমার্ট। হংকংভিত্তিক লি অ্যান্ড ফাঙ লিমিটেড এতে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবে।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন
- হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান
- ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা
- চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি