গোলাম আযমের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় কাল
জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল সোমবার ঘোষণা করা হবে। আজ রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায়ের এ তারিখ ধার্য করেন। গত ১৭ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি খণ্ডনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়। ওই দিন রায় অপেক্ষাধীন (সিএভি) রেখে ট্রাইব্যুনাল বলেন, যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করা হবে। যেভাবে শুরু: মানবতাবিরোধীঅপরাধ তদন্তসংস্থ২০১০ সালের ১ আগস্ট গোলাম আযমের বিরুদ্ধেতদন্তশুরু করে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেন। তবে তা ‘অবিন্যস্ত ও অগোছালো’ উল্লেখ করে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ পুনর্দাখিলের নির্দেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ পুনর্দাখিল করলে ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নিয়ে গত বছরের ১১ জানুয়ারি গোলাম আযমকে হাজির হতে বলেন। সে অনুযায়ী তিনি ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানালে তা খারিজ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে পরে বার্ধক্যজনিত কারণে তাঁকে বিএসএমএমইউর কারাকক্ষে রাখা হয়। ১৩ মে তাঁর বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। ১ জুলাই থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন ১৬ জন, আসামিপক্ষে একজন। চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয়। গোলাম আযম একাত্তরে পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতের আমির ছিলেন। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ অনুসারে, একাত্তরের ২২ নভেম্বর তিনি পাকিস্তানে পালিয়ে যান। ১৯৭৩ সালের ১৮ এপ্রিল তাঁর বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়। ১৯৭৮ সালের ১১ আগস্ট গোলাম আযম পাকিস্তানি পাসপোর্টে বাংলাদেশে আসেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠিত দুটি ট্রাইব্যুনাল এ পর্যন্ত চারটি মামলার রায় দিয়েছেন। এই চারটি মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে রায় ঘোষণার জন্য গড়ে এক মাস করে সময় লেগেছে। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি প্রথম রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সদস্য (রুকন) পলাতক আবুল কালাম আযাদের মৃত্যুদণ্ডের ওই রায় দিতে ট্রাইব্যুনালের সময় লাগে ২৬ দিন। গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ওই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়েছিল। দ্বিতীয় রায়ও আসে একই ট্রাইব্যুনাল থেকে। ৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। ১৭ জানুয়ারি কার্যক্রম শেষ হওয়া ওই মামলার রায় হয় ১৮ দিন পর। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তৃতীয় রায় ও ট্রাইব্যুনাল-১-এর প্রথম রায় আসে ২৮ ফেব্রুয়ারি। সেদিন জামায়াতের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছিল ঠিক এক মাস আগে, ২৯ জানুয়ারি। সর্বশেষ রায় আসে ট্রাইব্যুনাল-২ থেকে, যাতে জামায়াতের আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। ১৬ এপ্রিল এই মামলার কার্যক্রম শেষ হয়, ২৩ দিন পর ৯ মে রায় ঘোষণা করা হয়।প্রথম আলো
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি
- HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD








