Wednesday, 18 March 2026 |
শিরোনাম
নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন নিউইর্য়কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত
সব ক্যাটাগরি

জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমের ৯০ বছরের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 85 বার

প্রকাশিত: July 15, 2013 | 4:03 AM

I
জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমের বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধের ৫ ধরনের অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। এই পাঁচ ধরনের অপরাধের মধ্যে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগে তাকে ৯০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় দেন। বেলা পৌনে দুইটায় ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান এ রায় ঘোষণা করেন।

সকাল সোয়া ১০ টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি) হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে গোলাম আযমকে ট্রাইব্যুনালে নেয়া হয়। হুইল চেয়ারে করে তাকে ট্রাইব্যুনাল-১ এ নেয়া হয়েছে। এর আগেই সেখানে ট্রাইব্যুনাল-১ এর তিন বিচারক পৌছান।
পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র, সহযোগিতা করা, উস্কানি দেয়া,  সম্পৃক্ততা ও বাধা না দেয়া এবং ব্যক্তিগতভাবে নির্যাতনে জড়িত থাকার পাঁচ ধরনের অভিযোগ রয়েছে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র সংক্রান্ত ছয়টি, তাদের সহযোগিতা করার তিনটি, উস্কানি দেয়ার ২৮টি, তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ও হত্যা-নির্যাতনে বাধা না  দেয়ার ২৩টি এবং হত্যা ও নির্যাতনের একটি অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ ১: প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ৪ঠা এপ্রিল গোলাম আযম, নুরুল আমীন, মৌলভী ফরিদ আহমেদ, খাজা খয়ের উদ্দিন, এ কে এম শফিকুল ইসলাম, মাওলানা নুরুজ্জামান, হামিদুল হক চৌধুরী, মোহসীন উদ্দিন আহমেদ সাদীসহ ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ‘খ’ অঞ্চলের সামরিক আইন প্রশাসক টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করে নাগরিক শান্তি কমিটি গঠনের ষড়যন্ত্র করেন। তারই সূত্র ধরে ৬ই এপ্রিল গোলাম আযম আবারও টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করেন এবং ওই ষড়যন্ত্রে অংশ নেন। এই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় ১৯শে জুন রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক করেন গোলাম আযম। ১লা ডিসেম্বর ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে দেখা করে রাজাকার বাহিনীর শক্তি বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি। অভিযোগ ২: ১৯৭১ সালের ৪ঠা এপ্রিল টিক্কা খানের সঙ্গে বৈঠকে সারা দেশে শান্তি কমিটি গঠনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ৯ই এপ্রিল গোলাম আযম ও অন্যরা ঢাকায় ১৪০ সদস্যের নাগরিক শান্তি কমিটি গঠন করেন। এরপর ৪ঠা মে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে একিউএম শফিকুল ইসলামের বাসভবনে গোলাম আযমের উপস্থিতিতে শান্তি কমিটির সভা হয়। খাজা খায়েরউদ্দিনের সভাপতিত্বে ওই সভায় ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ইউনিয়নের শান্তি কমিটি গঠনের পরিকল্পনা করা হয়।
অভিযোগ ৩: মানবতাবিরোধী অপরাধে উস্কানি দেয়ার ২৮টি ঘটনার কথা বলা হয়েছে প্রসিকিউশনের অভিযোগে। এতে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ৭ই এপ্রিল গোলাম আযম এক যুক্ত বিবৃতিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষকে ভারতীয় অনুপ্রবেশকারী আখ্যায়িত করে তাদের ধ্বংস করার আহ্বান জানান। ২২শে এপ্রিল শান্তি কমিটির সভা শেষে এক বিবৃতিতে গোলাম আযমের নিয়ন্ত্রণে থাকা সংগঠনগুলোর সদস্যদের দেশপ্রেমিক নাগরিক উল্লেখ করে দেশের সাধারণ নাগরিকদের ধ্বংস করার আহ্বান জানানো হয়। ১৭ই মে গোলাম আযম ঢাকায় এক সভায় স্বাধীনতা আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বিশ্বাসঘাতক আখ্যায়িত করেন। সেই ২৫শে মার্চের অপারেশন সার্চ লাইটেরও প্রশংসা করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে আরও বেশ কয়েকটি জনসভায় উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ ৪: গোলাম আযমের বিরুদ্ধে চতুর্থ অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতা বা সম্পৃক্ততার ২৩টি ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গোলাম আযমসহ অন্যরা একাত্তরের ৪ এবং ৬ই এপ্রিল টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। গোলাম আযমের সহযোগিতায় ৯ই এপ্রিল নাগরিক শান্তি কমিটি গঠিত হয়। এরপর ১৫ই এপ্রিল এর নাম বদলে কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটি করা হয়। শান্তি কমিটির ২১ সদস্যের কার্যকরী কমিটিরও সদস্য ছিলেন তিনি। ১৮ই জুন পাকিস্তানের লাহোর বিমানবন্দরে গোলাম আযম বলেন, জনগণ সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে চায়।
অভিযোগ ৫: গোলাম আযমের বিরুদ্ধে পঞ্চম অভিযোগে হত্যা ও নির্যাতনের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেছে প্রসিকিউশন। এতে বলা হয়, কুমিল্লার হোমনা থানার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের সিরু মিয়া একাত্তরে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় দারোগা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ২৮শে মার্চ তিনি স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও ১৪ বছরের ছেলে আনোয়ার কামালকে নিয়ে কুমিল্লায় নিজের বাড়িতে যান। সেখানে শরণার্থীদের ভারতে যাতায়াতে সহযোগিতা করতেন। সিরু মিয়া ও তার ছেলেসহ ছয় জন ভারতে যাওয়ার সময় ১৯৭১ সালের ২৭শে অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে কসবা থানার তন্তর  চেকপোস্টের কাছে রাজাকারদের হাতে ধরা পড়েন। স্বামী-সন্তানের ধরা পড়ার খবর পেয়ে সিরু মিয়ার স্ত্রী গোলাম আযমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সিরু মিয়ার ভগ্নিপতি ছিলেন গোলাম আযমের দুই ছেলে আজমী ও আমীনের শিক্ষক। তিনি গোলাম আযমের কাছে সিরু মিয়া ও তার ছেলেকে মুক্তি দেয়ার অনুরোধ করেন। বিষয়টি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শান্তি কমিটির নেতা পেয়ারা মিয়াকে চিঠি পাঠান গোলাম আযম। যে চিঠিতে সিরু মিয়া এবং তার ছেলেকে হত্যার নির্দেশ দেয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে সিরু মিয়াসহ ৩৯ জনকে কারাগার থেকে পৈরতলা রেল সেতুর কাছে নিয়ে যায় পাক বাহিনী। সেখানে হানাদারদের গুলিতে ৩৮ জন মারা গেলেও একজন প্রাণে বেঁচে যান।মানবজমিন

‘রায় যথার্থ নয়’ এ রায় ন্যায়ভ্রষ্ট : গোলাম আযমের আইনজীবী এডভোকেট সাইফুর রহমান-ছেলে সাবেক ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী

 পরিকল্পিতভাবে আইন পরিবর্তন করে নানা ধরণের ডকুমেন্ট তৈরি করে সুপেরিয়র রেসপনসিবিলিটির আওতায় গোলাম আযমের বিরুদ্ধে রায় দেয়া হয়েছে। এটা যথার্থ নয় বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের সাবেক আমীর গোলাম আযমের আইনজীবী এডভোকেট সাইফুর রহমান। রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গনে তিনি বলেন, ডাকসুর সাবেক জিএস, ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আযমের মামলার বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের বিচারক বলেছেন, এ মামলায় মৌখিক সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রাহণযোগ্য নয়। দালিলিক প্রমাণও যথার্থ ছিলনা। আদালত স্ব-প্রণদিত হয়ে এ রায় দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৯২ সালে তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের নাগরিক হিসাবে সরকার মামলা করেছিল। সেই সময় এ অভিযোগগুলো সরকার প্রমাণ করতে পারেনি। তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই এর বিরুদ্ধে আপিল করবো। এবং গোলাম আযমকে ইনোসেন্ট প্রমাণ করে মানুষের মাঝে ফিরিয়ে আনবো। এদিকে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় গোলাম আযমের বড় ছেলে সাবেক ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, এ রায় ন্যায়ভ্রষ্ট। এতে আমরা ক্ষুদ্ধ তবে বিষ্মিত নই।

রায় প্রত্যাখ্যান করে গণজাগরণ মঞ্চের মিছিল-অবরোধ

যুদ্ধাপরাধ প্রমাণিত হলেও গোলাম আযমের সর্বোচ্চ শাস্তি না হওয়ায় রায় প্রত্যাখ্যান করেছে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ। তারা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে রাস্তা অবরোধ ও মিছিল করেছেন। মঞ্চের কর্মীরা রায় শোনার পরই প্রতিবাদ শুরু করেন। রাস্তা অবরোধ করায় শাহবাগ মোড় হয়ে চলাচলকারী যানবাহন বন্ধ হয়ে যায়। এতে আশপাশের রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার জানিয়েছেন, যে রায় দেয়া হয়েছে তা গণজাগরণ মঞ্চ প্রত্যাখ্যান করেছে। রায়ের প্রতিবাদে শাহবাগে লাগাতার অবস্থানেরও ঘোষণা দেন তিনি। গোলাম আযমের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রোববার বিকাল থেকে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা শাহবাগে অবস্থান নেন।

রায়ে সন্তুষ্ট আওয়ামী লীগ

মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ  ট্রইব্যুনালের দেয়া রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে আওয়ামী লীগ। দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে রায় পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এই রায়ে আদালত হয়তো তার বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সর্বোচ্চ শাস্তি না দিয়ে ৯০ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন। হানিফ বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এই রায়ের বিপক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন কিনা তা রায়ের কপি পাওয়ার পর আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আইনমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সন্তোষ

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ৯০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম। রায়ের পর সচিবালয়ে আইনমন্ত্রীর কক্ষে সাংবাদিকদের কাছে যৌথভাবে তাঁরা রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। আইন মন্ত্রী বলেন, আমার মনে হয়, এটা দেশবাসীর প্রত্যাশা ছিল এবং দেশবাসীর প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। বয়স বিবেচনায় মৃত্যুদণ্ড না দেওয়া আন্তর্জাতিক রীতি বলে মনে করি। বিজ্ঞ আদালত যে রায় দিয়েছেন, তা সবাইকে মানতে হবে। দীর্ঘ শুনানির পর স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে অভিযুক্ত গোলাম আযমকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সম্পূর্ণ সুযোগ দিয়ে ট্রাইব্যুনাল বিচারের রায় দিয়েছেন। রায়ে ৯০ বছরের সাজা দেয়া হয়েছে। পাঁচটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। বয়স বিবেচনায় সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়নি আদালত। এটা আন্তর্জাতিক আইনের রীতি। এই বিচার, বিচারের স্বচ্ছতা, মান নিয়ে কোন ধরনের প্রশ্ন করার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে যারা প্রসিকিউশনের পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন তাদের জেরা করা হয়েছে। সব দিক বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে স্বচ্ছতার সঙ্গে বিচার হয়েছে। সরকারের সঙ্গে কোন ধরনের সমঝোতায় এ রায় দেয়া হয়েছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের কোন সমঝোতা হয়েছে বলে আমার মনে হয় না। রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এটা নির্ভর করবে প্রসিকিউশনের ওপর। আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, আদালতের রায়ে তাঁকে একাত্তরের ঘাতকদের শিরোমণি বলা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুদণ্ডই হওয়া উচিত ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বয়স বিবেচনায় তাঁকে ৯০ বছরের সাজা দেয়া হয়েছে। এই সাজা একটার পর একটা হবে। এতে অসন্তুষ্ট হওয়ার কিছু দেখছি না। আশা করি, সরকারের মেয়াদেই দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েক জনের রায় কার্যকর করতে পারব।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV