Friday, 19 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’
সব ক্যাটাগরি

নাফিসের ৩০ বছরের জেল

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 109 বার

প্রকাশিত: August 9, 2013 | 8:08 PM

 

ডেস্ক: বাংলাদেশের কাজী নাফিসকে ৩০ বছরের জেল দিয়েছে মার্কিন আদালত। তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে হামলা চালিয়ে উড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। আজ বিশ্বের বিভিন্ন মিডিয়ায় এ খবর ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে। এতে বলা হয়, আজ ব্র“কলিনের কেন্দ্রীয় আদালত তার বিরুদ্ধে ওই রায় দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২২ বছর বয়সী কাজী নাফিস গত বছর ১০০০ পাউন্ড ওজনের বোমা হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল। ওই বোমাটি রিজার্ভ ব্যাংকের সামনে স্থাপন করে সেল ফোন ব্যবহার করে তা বিস্ফোরণ ঘটানোর চেষ্টা করে। এ পরিকল্পনা ধরা পড়ে মার্কিন গোয়েন্দাদের জালে। তাদের এক এজেন্টের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। কিন্তু ওই এজেন্ট নিজের পরিচয় গোপন রাখেন। এরপর ছদ্মবেশ ধরে ওই এজেন্ট নাফিসকে নিয়ে বোমা হামলার ওই উদ্যোগ নেয়। বোমার নামে ওই এজেন্ট একটি ভুয়া বোমা সদৃশ বস্তু রেখে আসে ওই ব্যাংকের সামনে। দূর থেকে তা সেল ফোনের সাহায্যে বিস্ফোরণের চেষ্টা করে নাফিস। ঠিক সে সময় তাকে আটক করে নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা। এ নিয়ে তোলপাড় হয় বিশ্বে। অনেকে এভাবে নাসিফকে গ্রেপ্তার করার সমালোচনা করেন। বলেন, এভাবে ফাঁদ পেতে তাকে অভিযুক্ত করার জন্য দায়ী গোয়েন্দারা। তারা তাকে উৎসাহ দিয়ে সামনে এগিয়ে না দিলে সে এতদূর অগ্রসর হতো কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন অনেকে। এ ঘটনা নিয়ে বিচার শুরু হয়।  বিচারক ক্যারল ব্যাগলে আমনের আদালতে করুণা প্রার্থনা করে নাফিস। ক্ষমা চায়। সে বলে, আমি লজ্জিত। আমি হারিয়ে গিয়েছি। আমি ভয়াবহ ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করেছি। যা করেছি তার জন্য আমি একাই দায়ী। দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন। আমি এ জন্য সত্যিকার অর্থে লজ্জিত। আমি কট্টর ইসলামে আমি বিশ্বাস করি। এ সময় সে আরও বলে, বিশেষ করে আমি নিউ ইয়র্ক সিটির মানুষের কাছে ক্ষমা চাই। আমার পিতামাতার কাছে ক্ষমা চাই। আমি তাদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছি। তাদের হৃদয় ভেঙে দিয়েছি। মাননীয় আদালত দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমাকে ক্ষমা করে দিন। যা করেছি তার জন্য আমি ভয়াবহভাবে দুঃখিত। কিন্তু কেন্দ্রীয় প্রসিকিউটর জেমস লুনাম তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি দাবি করেন। তিনি বলেন, আসামী বাস্তবিকই যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা হুমকি হয়ে উঠেছিল। মানবজমিন
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV