Tuesday, 27 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ব্রঙ্কসে ‘সেলিম-আলী’ পরিষদের সমাবেশ; মামলার কারণে আর্থিক ক্ষতি ও ভোটাধিকার ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ নিউইয়র্কে আ্যসালের ১৯তম বার্ষিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত; শ্রমিক অধিকার, নাগরিক ক্ষমতায়ন ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের অঙ্গীকার নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান
সব ক্যাটাগরি

স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে থাকাই কি বিয়ে?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 42 বার

প্রকাশিত: August 11, 2013 | 3:05 AM

বদলে যাচ্ছে বিয়ের সংজ্ঞা। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দীর্ঘদিন বসবাসকেও বিয়ের স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে। এমনকি কোন কোন দেশের আদালত সমলিঙ্গের বিয়েকেও স্বীকৃতি দিচ্ছে। যদিও এ নিয়ে সারা দুনিয়াতেই বিতর্ক রয়েছে। তবে বিপরীত চিত্রও আছে। কোন কোন ক্ষেত্রে প্রেমের বিচ্ছেদের পর প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়েরের ঘটনাও ঘটছে। সম্প্রতি ভারতের আদালতের এ নিয়ে দেয়া এক রায় আলোচিত হচ্ছে নানা স্থানে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের দেয়া এক রায়েও মন্তব্য করা হয়েছে, স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দীর্ঘদিন একসঙ্গে বসবাস করলে ধরে নিতে হবে এতে বিয়ের অস্তিত্ব বিদ্যমান। মমতাজ বেগম বনাম আনোয়ার হোসেন মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এক বিচারপতি এ মন্তব্য করেন। ওই বিচারপতি মন্তব্য করেন, মুসলিম নর ও নারী যদি স্বামী ও স্ত্রীর পরিচয়ে দীর্ঘদিন বসবাস করেন তবে প্রত্যক্ষ কোন প্রমান ছাড়াই তাদের বিয়ের বৈধতা অনুমান করা যায়।
সম্প্রতি ভারতের বোম্বে হাইকোর্টের এক রায়ে বলা হয়, প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর প্রেমিকা যদি প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ধর্ষণের অভিযোগে সাজা পাওয়া বোরিভালির অধিবাসী মানেশ কোটিয়ানের আপিলের রায়ে হাইকোর্টের বিচারপতি সাধনা যাদব এ রায় দেন।
মানেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটিকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বিচারপতি যাদব বলেন, মামলার জেরায় এটি প্রমাণিত হয়েছে এবং বাদী স্বীকার করেছেন যে, তাঁর সঙ্গে মানেশ কোটিয়ানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এবং তিনি (বাদী) মানেশকে বিয়েও করতে চেয়েছিলেন। এ অবস্থায় ভারতীয় প্যানেল কোডের ৩৭৬ ধারায় করা অভিযোগ অগ্রহণযোগ্য।
আদালত জানান, অভিযুক্তের অপরাধ হলো, তিনি ওই নারীকে প্রস্তাব দিয়েছেন। অভিযোগকারী একজন শিক্ষিত ও বয়োপ্রাপ্ত নারী। মানেশ কী কারণে তাঁর প্রতি অনুরক্ত হয়েছেন, তা তিনি ঠিক ঠিক বুঝতে পেরেছেন। এর পরও তিনি তাঁর সঙ্গে গোরাই এলাকায় ঘুরতে যেতে সম্মত হন। তাঁর (মানেশের) জন্মদিন পালনের জন্য তিনি তাঁর সঙ্গে একটি হোটেলেও ওঠেন। এরপর যা হয়েছে, সে ব্যাপারেও তিনি পুরোপুরি সজাগ ছিলেন।
বিচারপতি আরও বলেন, ওই সময়ে তিনি কারও সাহায্যে চেয়েও চিৎকার করেননি এবং মানেশের বিরুদ্ধে কোন ধরনের প্রতিরোধের চেষ্টা করেননি। কোনো ধরনের ভীতি প্রদর্শন, ওষুধ খাইয়ে সম্মোহিত করে, জোরপূর্বক বাধ্য করা বা অন্য কোনোভাবে প্রভাবিত করারও প্রমান পাওয়া যায়নি। তবে হাইকোর্ট মানেশের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগকে সঠিক বলে উল্লেখ করেন। এর আগে নিম্ন আদালত মানেশকে যেসব অভিযোগে সাত বছর শাস্তি দিয়েছিল সেগুলোর অন্যতম ছিল প্রতারণা।
আদালত জানান, মানেশ ওই নারীকে জানাননি যে তিনি বিবাহিত ও তাঁর সন্তানাদি আছে। তাই তিনি প্রতারণা করেছেন। তাই তিন বছর আগে থেকে কারাভোগ করা মানেশের সাজা কমিয়ে তিন বছর করে দেন আদালত এবং তাঁকে মুক্তির নির্দেশ দেন।
এ মামলার শুরু ২০১০ সালের মার্চে। সে সময় বাদী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তিনি মানেশের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। বোরিভলির একটি স্টেশনারি দোকানে কাজ করার সময় তাঁদের পরিচয়। ২০০৯ সালের নভেম্বরে মানেশের জন্মদিন উদযাপনের জন্য তাঁরা দুজনে গোরাই যান। সে সময় মানেশ ওই নারীর সঙ্গে জোর করে সঙ্গম করেছেন বলে দাবি করেছিলেন মামলার বাদী। ২০১২ সালে একটি সেশন আদালত মানেশকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত করেন এবং তাঁকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এরপর মানেশ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন।
সমকামী বিয়েকে স্বীকৃতি দিয়ে ভারতেরই আদালতের আরেকটি রায় বিপুল সমালোচনা তৈরি করেছে। সম্প্রতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্টও সমকামী দম্পতিদের  স্বীকৃতি দেয়। এর ফলে  ক্যালিফোর্নিয়ায় সমলিঙ্গে বিয়ের পথ প্রশস্ত হয় । সুপ্রিম কোর্টের রায় সমলিঙ্গের বিয়ের সমর্থকদের জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ