নিউইয়র্কে তারেককে নিয়ে বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তুমুল হট্টগোল
নিউইয়র্কে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে লেখা বইয়ের যুক্তরাষ্ট্র সংস্করণের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে দর্শক সারিতে বসা নিয়ে হট্টগোল ও ধ্বস্তাধ্বস্তির ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স ভবনের ফ্র্যাঙ্ক আর্টশুল মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান হয়। তবে শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো গণ্ডগোল ছাড়াই শেষ হয় অনুষ্ঠান।
‘দ্য পলিটিক্যাল থট অব তারেক রহমান : এমপাওয়ারম্যান্ট অব দ্য গ্রাসরুটস পিপল’ বইয়ের এ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিভিন্ন পক্ষের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তবে অতিথি ছাড়া কারো মঞ্চে বসার সুযোগ না থাকায় দর্শকদের জন্য সংরক্ষিত আসনের প্রথম সারিতে বসা নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতা দেখা যায় নেতাকর্মীদের মাঝে।এরই এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির এক পক্ষের নেতা শরাফত হোসেন বাবুর সঙ্গে কয়েকজনের তুমুল বাক-বিতণ্ডা এবং ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়। তারেকের আত্মীয় হিসেবে পরিচিত বাবু অনুষ্ঠান আয়োজনের সার্বিক দায়িত্ব না পেয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে উপস্থিত একাধিক নেতাকর্মী অভিযোগ করেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আশিক ইসলাম অনুষ্ঠান আয়োজনে মূল ভূমিকা রাখেন বলে জানা যায়।
নিউ ইয়র্ক স্টেটের সিনেটর হোযে প্যারাল্টা, নিউজার্সির ওয়েস্ট নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র ফেলিক্স রোকস, নিউজার্সির নর্থফিল্ড সিটি মেয়র ভিনসেন্ট ম্যাজিও, নিউ ইয়র্ক সিটির আসন্ন নির্বাচনে পাবলিক অ্যাডভোকেট পদের সম্ভাব্য প্রার্থী রেশমা স্যুজানি, কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির স্কুল অব সোশ্যাল ওয়ার্কের অধ্যাপক মাইকেল ক্যাচ, কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির রিসার্চ ফেলো ফ্র্যাঙ্ক নাইগ্রো, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট এ কে এম খায়রুল আলোচনায় অংশ নেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তারেক রহমানকে ‘উদীয়মান তারকা’ হিসেবে অভিহিত করেন আলোচকদের কেউ কেউ।
তারেককে বর্তমান ও ভবিষ্যতের নেতা অভিহিত করে মেয়র ফেলিক্স বলেন, তাকে আমার সিটিতে আপ্যায়ন করতে পারলে খুব খুশি হব। বিজয় দিবস উপলক্ষে গত বছর নিউ ইয়র্ক আওয়ামী লীগের এক অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন নিউজার্সির ওয়েস্ট নিউ ইয়র্ক সিটির এই মেয়র। সে সময় ঢাকার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই অনুষ্ঠানে কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মেয়র ফেলিক্স তখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেছিলেন, তার মতো একজন রাজনীতিককে তার সিটিতে অতিথি হিসেবে পেলে যারপর নাই খুশি হবেন।
খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের ‘রাজনৈতিক ভাবনা’ নিয়ে ১৭ জন লেখকের এই নিবন্ধ সঙ্কলনটি যুক্তরাজ্যে প্রকাশিত হয় গত ২৬ জুন। বইটির প্রকাশক সংস্থা ‘বাংলাদেশ পলিসি ফোরাম’ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার্চিল অডিটোরিয়ামে যে প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তাতে তারেক নিজেও উপস্থিত ছিলেন। প্রায় দেড় ডজন মামলা নিয়ে গত পাঁচ বছর ধরে স্ত্রী-সন্তানসহ লন্ডনে অবস্থান করছেন তারেক রহমান। তাকে নিয়ে লেখা এ বইয়ের ১৭ জন লেখকের মধ্যে দুজন বিদেশি। এরা হলেন- ব্রিটিশ কলাম লেখক ডেভিড নিকলসন ও ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক জেমস স্মিথ। লেখকদের মধ্যে বিএনপি জ্যেষ্ঠ নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকার, বিএনপিপন্থী সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান মিয়াও রয়েছেন।
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
- বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী

