Thursday, 19 March 2026 |
শিরোনাম
নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন নিউইর্য়কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত
সব ক্যাটাগরি

বিশ্বব্রহ্মাণ্ড প্রসারিত হচ্ছে প্রচণ্ড গতিতে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 47 বার

প্রকাশিত: August 20, 2013 | 2:39 AM

 
আহসান হাবিব : বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অন্ত যে ঘটবে, তা তো জানাই ছিল যদিও ঠিক কবে, তা নয়। এবার বিজ্ঞানীরা হিসাব-নিকাশ করে বলছেন— ৩৭০ কোটি বছর পরে। মার্কিন এবং জাপানি বিজ্ঞানীদের এই দলটি অবশ্য তাদের ভবিষ্যদ্বাণীকে ৫০ শতাংশের বেশি সম্ভাব্যতা দিতে রাজি নন। সময়, কাল কিংবা মহাকাল যে আগামী ৩৭০ কোটি বছরের মধ্যে শেষ হবে, তার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ বলে তাদের ভবিষ্যদ্বাণী।
এই বিজ্ঞানীরা কিন্তু বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সংক্রান্ত একটি বহুদিনের তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ করছেন। ওই তত্ত্ব অনুযায়ী বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের পরিধি ক্রমেই বেড়েই চলেছে এবং অনন্তকাল বাড়তেই থাকবে। অবশ্য এই তত্ত্বের পটভূমিতে রয়েছে সৃষ্টির সূচনার সেই ‘বিগ ব্যাং’ বা সুবিশাল বিস্ফোরণ। একটি বোমা ফাটলে যেমন টুকরোগুলো ছড়িয়ে পড়তে থাকে, ঠিক তেমনিভাবেই আমাদের ব্রহ্মাণ্ডের ব্যাস ও পরিধি বেড়ে চলেছে।
এখন এ গবেষকরা বলছেন, পদার্থবিদ্যার নিয়মাবলী থেকেই বোঝা যায়, ব্রহ্মাণ্ডের পরিধি যে অনন্তকাল ধরে বেড়ে চলবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কেন নেই, তা বুঝতে গেলে অঙ্কে ঢুকতে হবে; পদার্থবিদরা ক্রমবর্ধমান ব্রহ্মাণ্ড সম্পর্কে আঁকজোক করতে গিয়ে ‘টাইম কাট-অব’ বলে একটি বস্তু ব্যবহার করেন— অর্থাত্ সময় যখন শেষ হবে, সেই ধরনের একটি তত্ত্বগত ঘটনা। এটা আসলে আঁকজোকের একটা পন্থা হলেও সেটাই শেষে বাস্তব হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে বার্কলের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার বিজ্ঞানী রাফায়েল বুসো এবং তার সতীর্থদের ধারণা। সৌরজগতের বাইরে এমন অনেক গ্রহই সম্প্রতি খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
বিগ ব্যাং যাবত্ প্রায় ১.৩৭০ কোটি বছর বিগত হয়েছে। এতদিনে বোঝা গেল, বিজ্ঞানীরা স্রেফ তাদের অঙ্কের খেলার জন্য যে কাল্পনিক তারিখটা ব্যবহার করছিলেন, সময়ের কবে অন্ত ঘটবে—সময় একটি চরম ঠাটটায় ঠিক সেই রকম সময়েই উধাও হতে পারে। আর সময়ই যদি না থাকে, তবে পৃথিবীটাই বা থাকে কী করে? আমার, আপনার কথা তো বাদ দিলাম।
আবার অস্ট্রেলিয়ার মাউন্ট স্ট্রমলো মানমন্দিরের জ্যোতির্বস্তুবিদ চার্লস লাইনউইভার বলেছেন, বুসো আসলে ভুল করেছেন স্ট্যাটিস্ট্রিক্স বা পরিসংখ্যানবিদ্যার একটি পদ্ধতিকে বড় বেশি গুরুত্ব দিয়ে। বুসোর ব্রহ্মাণ্ডের গড় আয়ু নির্দিষ্ট আর ওঠা এসেছে গাণিতিক সম্ভাব্যতা পাওয়ার দুরাশায় সময়ের অন্তের একটি তাত্ত্বিক বিন্দু নির্দেশ করা থেকে। আরও সহজ করে বলতে গেলে, সময়ের শেষ অবধারিতভাবে একটি বাস্তব অর্থাত্ বস্তুগত ঘটনা এবং তার একটি বস্তুগত কার্যকারণের প্রয়োজন। ওটাকে শুধু গণিতের খেলা হিসেবে ধরলে চলবে না।আমার দেশ 
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV