মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তথ্য- বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফের হুমকির মুখে, পরিস্থিতি বিস্ফোরণোন্মুখ
ডেস্ক: বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফের হুমকির মুখে। এখানে এখন বিরাজ করছে অত্যন্ত জটিল (ট্রিকি) অবস্থা। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য তুলে ধরেন সাংবাদিকরা। ওয়াশিংটন ডিসিতে ২০শে আগস্ট সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং করেন মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি মুখপাত্র মেরি হার্প। সাংবাদিকরা তাকে অবহিত করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধীদের সঙ্গে যেকোন আলোচনা বন্ধ করে দিয়েছেন। এর ফলে আগামী দিনগুলো হতে পারে বিস্ফোরণোন্মুখ। আগামী নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে বিরোধী দলীয় নেত্রী তার অবস্থান নিয়েছেন। শেখ হাসিনার প্রশাসনের অধীনে কোন নির্বাচন হতে পারে না। ফলে পরিস্থিতি ভিন্ন এক আকার ধারণ করছে। তবে জবাবে মেরি হার্প এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত কোন তথ্য দেননি সাংবাদিকদের। সাংবাদিকদের সঙ্গে তার কথোপকথন এখানে তুলে ধরা হলো:
মেরি হার্প: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কথা শুরু করা যাক। আপনাদের কাছে কি কোন ফলোআপ আছে?
প্রশ্ন: আমার মনে হয় না। না। আপনাকে ধন্যবাদ।
মেরি হার্প: ঠিক আছে। আপনাদের কাছে যদি এ বিষয়ে কোন তথ্য থাকে তাহলে আমি সে প্রসঙ্গে ফিরতে পারি।
প্রশ্ন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমরা যেমন বলছিলাম, বাংলাদেশের গণতন্ত্র এখন ফের হুমকির মুখে। আপনি জানেন যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধীদের সঙ্গে যেকোন আলোচনা বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে তা হলো আগামী দিনগুলো হতে পারে অত্যন্ত বিস্ফোরণোন্মুখ। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে বিরোধী দলীয় নেত্রী তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রীর প্রশাসনের অধীনে কোন নির্বাচন হতে পারে না। ফলে বাংলাদেশে যা ঘটছে তা ভিন্ন এক রকম। আমরা আশা করছি সেখানে সহিংসতা ও রক্তপাত হবে না। কিন্তু আমরা সংখ্যালঘুদের নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা এখন মৃত্যু আতঙ্কে। কারণ, যদি নির্বাচনকে সামনে রেখে এবং নির্বাচনে কোন ঘটনা ঘটে তার প্রভাব হয়তো সংখ্যালঘুদের ওপর পড়বে। বিশেষ করে আমাদের বড় প্রতিবেশী ভারত। তারা বাংলাদেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে খুবই উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশে যা ঘটছে তা অত্যন্ত বিস্ফোরণোন্মুখ। তারা ঠিকই এ বিষয়টি চিহ্নিত করেছে।
এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান কি? কারণ, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মজিনা বিরোধী দলীয় পলিসি মেকার বেগম জিয়ার সঙ্গে সর্বশেষ একটি আলোচনা করেছেন। তাতে কি আলোচনা হয়েছে আমরা তা-ও জানতে পারিনি। সেখানে কি সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন করার জন্য সরকার নিয়ে বিশেষ কোন পরামর্শ অথবা নির্বাচনের পরে রক্তপাত বন্ধের বিষয়ে কথা হয়েছে কিনা তা জানি না। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দৃশ্যত চুপ। এমন অবস্থায় বাংলাদেশে এখন যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তা অত্যন্ত অত্যন্ত ট্রিকি।
মেরি হার্প: আমি এ প্রশ্নের প্রশংসা কারি। আপনার জন্য এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিত কোন তথ্য নেই। আপনাকে জানানোর মতো কোন কূটনৈতিক আলোচনার বিষয়ও আমার হাতে নেই। পরিষ্কারভাবে আমরা সংখ্যালঘুদের অধিকার ও তাদের নিরাপত্তা রক্ষা করা নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমরা পৃথিবীর যেকোন স্থানের সংখ্যালঘুদের অধিকারের বেলায় এমন অবস্থান নিয়ে থাকি। এক্ষেত্রে বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বাংলাদেশের বেলায়ও আমাদের অবস্থান একই রকম। আপনি যা জানতে চেয়েছেন সে বিষয়ে আরও বিস্তারিত কিছু তথ্য আপনাকে আমি দিতে পারতাম। কিন্তু এখনই তা পারছি না। ঠিক এই মুহূর্তে আমার কাছে বাড়তি কোন তথ্য নেই।
প্রশ্ন: আপনি কি অনুগ্রহ করে এ প্রশ্নটি গ্রহণ করবেন?
মেরি হার্প: হ্যাঁ, কররো। আপনার প্রশ্ন হিসেবে আমি এটি গ্রহণ করব।
প্রশ্ন: আপনাকে ধন্যবাদ।মানবজমিন
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি
- HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD








