ওইভাবে প্রেমে পড়ার সুযোগ আমার হয়নি -সজীব ওয়াজেদ জয়
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, সব দেশেই নির্বাচনের আগে পোলিং হয়। পোলিং করে বলে দেয়া যায় কে ক্ষমতায় আসবে। আমি এই মুহূর্তে পোলিং করে বলে দিতে পারবো, কে কয়টা সিট পাবে। ‘আপনার কাছে তথ্য আছে আওয়ামী লীগ আগামীতে ক্ষমতায় যাবে’- এক শিক্ষার্থী জয়ের ওই তথ্যের ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চাইলে জয় বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমাদের দেশের সব সমস্যা রাতারাতি সম্ভব নয়। তবে ১৫ বছরের প্ল্যান আছে, আমরা দেশের চেহারা বদলে দিতে চাই। ইতিমধ্যে রাজধানীর হাতিরঝিল প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করেছি। হাতিরঝিল বিদেশের কোন দেশের চেয়ে কম নয়। গতকাল রাতে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই-এ প্রচারিত ‘লেটস টক’ নামের একটি অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া ওয়াদা অপূর্ণ থাকার ব্যাপারে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আপনারা মিলিয়ে দেখুন, যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় বাস্তবায়ন ছাড়া আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া সবগুলো ওয়াদা পূরণ করেছি। এছাড়া পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করতে পারিনি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের কারণে। কিন্তু খাদ্যে স্বয়সম্পূর্ণ হয়েছি। ইতিমধ্যে আমরা চাল রপ্তানি করছি। বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করেছি। বিনামূল্যে বই বিতরণ করছি।
যানজটের ব্যাপারে তিনি বলেন, জ্যামের সমস্যা সমাধান নিয়ে আমাদের অনেক চিন্তা আছে। আমার ইতিমধ্যে নতুন নতুন ফ্লাইওভার নির্মাণ করেছি। ফ্লাইওভারগুলো উদ্বোধন হলে অনেক যানজটের সমাধান হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, আমরা যত দ্রুত এতগুলো ফ্লাইওভার নির্মাণ করেছি অতীতে আর কোন সরকার তা পারেনি।
আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী হলে আপনি কি করবেন- সঞ্চালকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একপাশে রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে মানুষকে যানজটে ভোগাবো না। ওই শিক্ষার্থীর জবাবের প্রেক্ষিতে জয় বলেন, আগে কেবিনেটের মিটিংগুলো সচিবালয়ে হতো। এখন ওই মিটিংগুলো প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। যানজটের কথা চিন্তা করেই এটা করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংঘর্ষ নিয়ে আমরাও চিন্তিত। আমরা যখন বিরোধী দলে ছিলাম তখন আমার বোনের বিয়ে ছিল। আমার বোনের বিয়েতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এসেছিলেন। আমি নিজে তাকে স্বাগত জানিয়েছিলাম। একসঙ্গে টেবিলে বসে খাওয়া দাওয়া করেছিলাম। একইভাবে খালেদা জিয়ার ছেলে নিজে আমাদের বাসায় এসে তার বিয়ের দাওয়াত দিয়েছিলেন। আমাদের মধ্যে আগে এ ধরনের পরিস্থিতি ছিল না। কিন্তু ২০০১ সালের পর এই পরিস্থিতি বদলে যায়। তখন আপনারা দেখেছেন বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট আমার মায়ের ওপর হামলা হয়েছে। মুফতি হান্নান আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছে, হাওয়া ভবনে ওই হামলার পকিল্পনা হয়েছে। এরপরই প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়।
প্রথম কবে প্রেমে পড়েছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি হেসে ওঠেন। এরপর তিনি বলেন, ওইভাবে প্রেমে পড়ার সুযোগ আমার হয়নি। আমার ওইভাবে তেমন গার্লফ্রেন্ডও ছিল না।
- New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election
- ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights
- নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে
- দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ব্রঙ্কসে ‘সেলিম-আলী’ পরিষদের সমাবেশ; মামলার কারণে আর্থিক ক্ষতি ও ভোটাধিকার ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ
- নিউইয়র্কে আ্যসালের ১৯তম বার্ষিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত; শ্রমিক অধিকার, নাগরিক ক্ষমতায়ন ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের অঙ্গীকার
- নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন
- হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান