সিরিয়াকে সুযোগ দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা
ডেস্ক: সিরিয়াকে সুযোগ দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। রাসায়নিক অস্ত্র আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণে দেয়ার রাশিয়ার প্রস্তাবে সিরিয়া রাজি হয়েছে। এ জন্য তিনি সিরিয়ায় সামরিক হামলার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করেছেন। একই সঙ্গে সিরিয়া থেকে রাসায়নিক অস্ত্র সরিয়ে ফেলতে তিনি কূটনৈতিক উদ্যোগের কথা বলেছেন। পাশাপাশি সিরিয়ায় হামলা ইস্যুতে মার্কিন কংগ্রেসে ভোটাভুটি স্থগিত করেছেন। গত মাসের শেষের দিকে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের বাইরে রাসায়নিক অস্ত্র (সারিন গ্যাস) ব্যবহার করায় নিহত হন হাজারেরও বেশি বেসামরিক মানুষ। এর মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। এর পরই অভিযোগ তোলা হয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের দিকে। বলা হয়, তার প্রশাসন ওই গ্যাস ছুড়েছে। কিন্তু আসাদ সরকার বারবারই সে অভিযোগ অস্বীকার করে। এমন অবস্থায় সিরিয়ায় সামরিক হামলা চালানোর হুমকি দেয় যুক্তরাষ্ট্র। তার সঙ্গে যোগ দেয় ফ্রান্স ও বৃটেন। সামরিক অভিযানে সমর্থন দেয় সৌদি আরব। তবে পার্লামেন্টে বৃটেনের উদ্যোগের বিরুদ্ধে ভোট পড়ে। এতে নাকচ হয়ে যায় বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সিরিয়া হামলা পরিকল্পনা। তবে সিরিয়ায় সামরিক হামলার তীব্র বিরোধিতা করে রাশিয়া ও ইরান। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে। বলে, সিরিয়ায় হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বলবে। এ হামলার বিরুদ্ধে উঠে আসে বেশির ভাগ মার্কিনির নেতিবাচক জবাব। সর্বশেষ সিরিয়ায় হামলা হচ্ছে হচ্ছে- এমন অবস্থায় সিরিয়া তার মতিগতি পাল্টেছে। রাশিয়ার প্রস্তাব লুফে নিয়েছে। এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, সিরিয়া থেকে রাসায়নিক অস্ত্র সরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাবেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীকে সব সময় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে, সে ক্ষেত্রে সামরিক অভিযান পরিচালিত হবে। হোয়াইট হাউজ থেকে টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে ওবামা এ কথা বলেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এর আগে রাশিয়া রাসায়নিক অস্ত্রসমূহ আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে দিয়ে দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে সিরিয়াকে। সিরিয়ার কর্মকর্তারা তাতে সম্মতিও প্রকাশ করেছেন। কিন্তু, তা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগী রাষ্ট্রসমূহ তাদের সন্দিহান মনোভাব ব্যক্ত করেছে। ওবামা বলেন, তার প্রশাসন সিরিয়ায় সামরিক অভিযান পরিচালনার ব্যাপারে দীর্ঘদিন নিজেদের সংবরণ করেছে। সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ চলতে থাকলেও, ওবামা ব্যক্তিগতভাবে কখনও মনে করেননি শক্তি প্রয়োগে এর সমাধান সম্ভব। কিন্তু রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের পর তিনি তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন বলে মন্তব্য করেন। দামেস্কে গত মাসে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারে শ’ শ’ মানুষ নিহত হওয়ার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র বিমান হামলা চালানোর হুমকিও দিয়েছে।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
- বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী