নিউইয়র্কে এসেই যানজটে নাকাল প্রধানমন্ত্রী!
|
নিউইয়র্ক: বিশ্বের রাজধানী খ্যাত নিউইয়র্কে পৌঁছে সোমবার সকালে যানজট বিড়ম্বনায় পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে ম্যানহাটনে হোটেল গ্র্যান্ড হায়াৎ-এ পৌঁছাতে তার সময় লেগেছে আড়াইঘণ্টা। যে কোনো নিউইয়র্কারের কাছেই বিষয়টি অস্বাভাবিক ঠেকছে। |
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি ল্যান্ড করে নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ০৬ মিনিটে। প্রধানমন্ত্রীর নেমে আসতে লেগে যায় আরও ১০ মিনিট। ঠিক ৯ টা ১৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী একটি গাড়ি বিমানবন্দরের টারমাক থেকে ম্যানহাটনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। গন্তব্য হোটেল গ্র্যান্ড হায়াৎ।
সাধারণ হিসেবে জেএফকে বিমানবন্দর থেকে ম্যানহাটন পর্যন্ত ড্রাইভটিকে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের ধরে নেওয়া হয়। ট্রাফিক বেশি হলে এটি এক ঘণ্টা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তাই বলে আড়াই ঘণ্টা! এমন বিষ্ময় প্রকাশ করতে দেখা যায় হোটেল হায়াতে অপেক্ষমান অনেককেই।
এমনকি এনওয়াইপিডি’র যে সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে তাদের মধ্যেও একই প্রশ্ন। তবে প্রধানমন্ত্রী যানজটেই পড়েছিলেন। সেকথা বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. একে আবদুল মোমেন। সপ্তাহান্তের প্রথম কর্মদিবসের সকালটি হওয়ায় এই যানজট বলেও জানান তিনি।
এছাড়াও জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে অন্যান্য দেশের শীর্ষ নেতারাও নিউইয়র্ক পৌঁছাতে শুরু করায় এমন তীব্র যানজট বলে জানান ড. একে আবদুল মোমেন।
সপ্তাহান্ত শেষে সোমবার সকালটি নিউইয়র্কের সবচেয়ে ব্যস্ত সময়। ফলে যানজটকে অস্বাভাবিক নয়। তবে দিন দিন তা মারাত্মক আকার নিচ্ছে বলেই মত দেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িটি কুইন্সব্রিজ ধরে ম্যানহাটনের যাওয়ার কারণে সেটি আরও বাড়তি সঙ্কটে পড়েছে বলেই জানালেন একজন কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা।
তবে আড়াই ঘণ্টা পড়ে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িটি ঠিক ১১টা ৪৫ মিনিটে হোটেল গ্র্যান্ড হায়াতে পৌঁছায়। সেখানে দ্রুতই গাড়ি থেকে নেমে হোটেল কক্ষে বিশ্রামের জন্য যান প্রধানমন্ত্রী।
তবে এরই মধ্যে সফরসঙ্গীদের যারা বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন শেষ করে তবেই হোটেলের উদ্দেশে রওয়ানা দেন তাদেরও অনেককে হোটেলে পৌঁছে যেতে দেখা যায়।
সকাল ৯টা ১৫ থেকেই প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত এস এস এপ এর সদস্যদের হোটেলের ভি আইপি র্যাম্পে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
এদের মধ্যে ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ, বিশেস সহকারী আব্দুস সোবহান গোলাপ, নারী নেত্রী শিরিন আখতার, অর্থনীতিবিদ খলিকুজ্জামানসহ অনেকে।
প্রধানমন্ত্রী হোটেলে পৌঁছুলে তাকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান জাতিসংঘ স্থায়ী প্রতিনিধির স্ত্রী মিসেস মোমেন। এসময় মিশন ও কন্স্যলেটের কর্মকর্তারা ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিনে এক সপ্তাহের জন্য নিউইয়র্ক সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মাহমুদ মেনন ও শিহাবউদ্দীন কিসলু
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
- বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
