Tuesday, 27 October 2026 |
শিরোনাম
অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ব্রঙ্কসে ‘সেলিম-আলী’ পরিষদের সমাবেশ; মামলার কারণে আর্থিক ক্ষতি ও ভোটাধিকার ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ নিউইয়র্কে আ্যসালের ১৯তম বার্ষিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত; শ্রমিক অধিকার, নাগরিক ক্ষমতায়ন ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের অঙ্গীকার নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান
সব ক্যাটাগরি

শনাক্তকরণে নতুন হাতিয়ার বিশেষ জিন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 84 বার

প্রকাশিত: October 11, 2013 | 7:46 PM

অনলাইন ডেস্ক:

শনাক্তকরণে নতুন হাতিয়ার বিশেষ জিনঅপরাধী শনাক্ত করতে বা কোনো ব্যক্তির পারিবারিক সম্পর্ক প্রমাণ করতে ডিএনএ পরীক্ষা এখন রুটিন ব্যাপার। ফরেনসিক বিজ্ঞানে জীবকোষের মূল উপাদান ডিঅক্সি রিবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা ডিএনএ অত্যন্ত উপযোগী এক হাতিয়ার। বিজ্ঞান গবেষণায় ডিএনএর বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। শুধু তাই নয়, ডিএনএ থেকে কোনো ব্যক্তির মুখের গঠন নির্ণয়ও সম্ভব, বলছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা।

এই গবেষণায় ১০ হাজার ব্যক্তির ওপর পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা চালানো হয়। যার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে ‘প্লস জেনেটিক্স’ পত্রিকায়। পেপারটির মুখ্য লেখক, নেদারল্যান্ডসের ইরাসমাস ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারের অধ্যাপক ম্যানফ্রেড কেসার বলেছেন, ‘আমরা এমন পাঁচটি জিনের সন্ধান পেয়েছি, যারা মুখের গঠনের জন্য দায়ী।’ কীভাবে জিনগুলোর খোঁজ পেলেন তারা? গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রথমে পরীক্ষাধীন ব্যক্তিদের মাথার এমআরআই করে সেই চিত্রের সঙ্গে প্রত্যেকের মুখের ফটোগ্রাফ মিলিয়ে এক একজনের মুখের বৈশষ্ট্যি চিহ্নিত করে তার মানচিত্র তৈরি করেন তারা। এর পর ‘জেনম-ওয়াইড অ্যাসোসিয়েশন’ নামে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে নির্দষ্টি মুখ গঠনের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জিনগত পরিবর্তন চিহ্নিত করা হয়। এর ভিত্তিতে এসব পরিবর্তনের জন্য দায়ী পাঁচটি জিন শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

জিনগুলো হলো : পিআরডিএম১৬, পিএএক্স৩, টিপি৬৩, সি৫ওআরএফ৫০ এবং সিওএল১৭এ১।

গবেষকদের দাবি, এই পাঁচটি জিনের ভিত্তিতে একজন ব্যক্তির মুখের গঠন আন্দাজ করা সম্ভব। এর আগে অধ্যাপক কেসার ও তার সহগবেষকরা ডিএনএ থেকে ব্যক্তির চুল ও চোখের রং আন্দাজ করা যায় বলে জানিয়েছিলেন। এ সংক্রান্ত গবেষণাপত্রও প্রকাশ করেন তারা। মুখের গঠনের পেছনেও যে বিশেষ বিশেষ জিন রয়েছে, এই প্রথম তা জানা গেল। বিজ্ঞান গবেষণা, বিশেষ করে ফরেনসিক বিশ্লেষণে এই আবিষ্কার যুগান্তর আনবে বলে কেসারের ধারণা।

তবে তার মতে, ডিএনএর সংকেত থেকে অজ্ঞাত, পলাতক বা হারিয়ে যাওয়া কোনো পুরুষ বা নারীর সম্পূর্ণ মুখের প্রতিলিপি তৈরি এখনো দূর ভবিষ্যতের ব্যাপার। এ জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন এবং এমন দিন আসতেই পারে, যখন কোনো অপরাধীর ফেলে যাওয়া ডিএনএ নমুনা থেকে গড়ে তোলা যাবে তার অবিকল মুখমণ্ডল।বাংলাদেশ প্রতিদিন

 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ