Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

সাপের বিষের সংক্রমন-মুক্ত মানব

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 60 বার

প্রকাশিত: October 16, 2013 | 9:02 AM

ডেস্ক: ৪৫ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক টিম ফ্রাইড। তিনি সাপের বিষের সংক্রমন-মুক্ত বলে দাবি করে আসছেন। এবারে সেটা প্রমাণ করলেন প্রাণঘাতী ব্লাক ম্যাম্বা সাপের কাপড় খেয়ে। টিম জানান তিনি ধীরে ধীরে সাপের বিষের সংক্রমন-মুক্ত হয়েছেন। এজন্য তাকে কমপক্ষে ১০০ টি বিষধর সাপের কাপড় খেতে হয়েছে। নিজেকে স্বর্পবিষ সংক্রমন-মুক্ত করতে তিনি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে তরলীকৃত বিষের ইঞ্জেকশন নেন। এতে করে তার শরীরে ধীরে ধীরে সাপের বিষের এন্টিবডি গড়ে ওঠে। ফলে সত্যিকার অর্থে সাপ কামড়ালেও তিনি সুস্থ থাকতে পারেন। যে কারণে বিষধর ব্লাক ম্যাম্বার কামড়েও কিছুই হয়নি তার। যে কোনো সাধারণ মানুষ ব্লাক ম্যাম্বার কামড় খেলে ২০ মিনিটের মধ্যে মারা যাবে। এছাড়াও বিষধর কোবরা এবং অন্যান্য ভয়ংকর সাপের বিষ থেকেও টিম সংক্রমন-মুক্ত। তার এ প্রচেষ্টা এন্টি-ভেনম ভ্যাক্সিন তৈরীতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ব্ল্যাক ম্যাম্বার কামড় খাওয়ার ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করে তিনি তার দাবি প্রমাণ করেন। নিজে থেকে সাপের কামড় খেতে প্রচন্ড মানসিক শক্তির প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। সাপের বিষের ইঞ্জেকশন নেয়াটা এক কথা আর সাপকে কামড়াতে দেয়াটা সম্পূর্নই ভীন্ন বলে আখ্যায়িত করেন টিম। তিনি যেটা করেন সেটাকে ‘ভেনম ইমিউনথেরাপি’ বলা হয় বলে তিনি জানান। ঘোড়াকে সাপের বিষ সংক্রমণ-মুক্ত করতেও একই প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয় বলে টিম জানালেন। এটা করতে যেয়ে একেবারে কোনো পাশ্ব-প্রতিক্রিয়া হয় না তা নয়। এনাফিল্যাক্সিসের মত প্রাণঘাতী অ্যালার্জীর লক্ষণ দেখা দেয় কখনও কখনও। ঝুকিপূর্ণ এ কাজ করতে যেয়ে তার শরীরের কোন প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কিনা সেটা নিশ্চিত হতে টিম নিয়মিত কিডনি ও লিভারের পরীক্ষা করিয়ে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের মিলওয়াউকি নিবাসী কিম ফ্রাইডের বাসায় এক ট্যাংক ভর্তি বিভিন্ন প্রজাতির বিষধর সাপ রয়েছে। সাপের বিষ দিয়ে নিজের উপর ঝুকিপূর্ণ এ পরীক্ষার ফলে সাপের বিষের ভ্যাক্সিন তৈরী করা সম্ভব হবে বলে তিনি প্রচন্ড আশাবাদী।মানবজমিন 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV