Thursday, 19 March 2026 |
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন
সব ক্যাটাগরি

সাপের বিষের সংক্রমন-মুক্ত মানব

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 122 বার

প্রকাশিত: October 16, 2013 | 9:02 AM

ডেস্ক: ৪৫ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক টিম ফ্রাইড। তিনি সাপের বিষের সংক্রমন-মুক্ত বলে দাবি করে আসছেন। এবারে সেটা প্রমাণ করলেন প্রাণঘাতী ব্লাক ম্যাম্বা সাপের কাপড় খেয়ে। টিম জানান তিনি ধীরে ধীরে সাপের বিষের সংক্রমন-মুক্ত হয়েছেন। এজন্য তাকে কমপক্ষে ১০০ টি বিষধর সাপের কাপড় খেতে হয়েছে। নিজেকে স্বর্পবিষ সংক্রমন-মুক্ত করতে তিনি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে তরলীকৃত বিষের ইঞ্জেকশন নেন। এতে করে তার শরীরে ধীরে ধীরে সাপের বিষের এন্টিবডি গড়ে ওঠে। ফলে সত্যিকার অর্থে সাপ কামড়ালেও তিনি সুস্থ থাকতে পারেন। যে কারণে বিষধর ব্লাক ম্যাম্বার কামড়েও কিছুই হয়নি তার। যে কোনো সাধারণ মানুষ ব্লাক ম্যাম্বার কামড় খেলে ২০ মিনিটের মধ্যে মারা যাবে। এছাড়াও বিষধর কোবরা এবং অন্যান্য ভয়ংকর সাপের বিষ থেকেও টিম সংক্রমন-মুক্ত। তার এ প্রচেষ্টা এন্টি-ভেনম ভ্যাক্সিন তৈরীতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ব্ল্যাক ম্যাম্বার কামড় খাওয়ার ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করে তিনি তার দাবি প্রমাণ করেন। নিজে থেকে সাপের কামড় খেতে প্রচন্ড মানসিক শক্তির প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। সাপের বিষের ইঞ্জেকশন নেয়াটা এক কথা আর সাপকে কামড়াতে দেয়াটা সম্পূর্নই ভীন্ন বলে আখ্যায়িত করেন টিম। তিনি যেটা করেন সেটাকে ‘ভেনম ইমিউনথেরাপি’ বলা হয় বলে তিনি জানান। ঘোড়াকে সাপের বিষ সংক্রমণ-মুক্ত করতেও একই প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয় বলে টিম জানালেন। এটা করতে যেয়ে একেবারে কোনো পাশ্ব-প্রতিক্রিয়া হয় না তা নয়। এনাফিল্যাক্সিসের মত প্রাণঘাতী অ্যালার্জীর লক্ষণ দেখা দেয় কখনও কখনও। ঝুকিপূর্ণ এ কাজ করতে যেয়ে তার শরীরের কোন প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কিনা সেটা নিশ্চিত হতে টিম নিয়মিত কিডনি ও লিভারের পরীক্ষা করিয়ে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের মিলওয়াউকি নিবাসী কিম ফ্রাইডের বাসায় এক ট্যাংক ভর্তি বিভিন্ন প্রজাতির বিষধর সাপ রয়েছে। সাপের বিষ দিয়ে নিজের উপর ঝুকিপূর্ণ এ পরীক্ষার ফলে সাপের বিষের ভ্যাক্সিন তৈরী করা সম্ভব হবে বলে তিনি প্রচন্ড আশাবাদী।মানবজমিন 

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV