Tuesday, 27 October 2026 |
শিরোনাম
অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ব্রঙ্কসে ‘সেলিম-আলী’ পরিষদের সমাবেশ; মামলার কারণে আর্থিক ক্ষতি ও ভোটাধিকার ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ নিউইয়র্কে আ্যসালের ১৯তম বার্ষিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত; শ্রমিক অধিকার, নাগরিক ক্ষমতায়ন ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের অঙ্গীকার নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান
সব ক্যাটাগরি

ট্যাটুর কারণে মা-ছেলের পুনর্মিলন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 126 বার

প্রকাশিত: October 19, 2013 | 12:56 PM

ডেস্ক: ২৪ বছর আগে মুম্বই রেল স্টেশনে মানুষের ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিলেন। বয়স তখন মাত্র ৬। ১৯৮৯ সালে বাবা-মা’র থেকে আলাদা হওয়ার পর প্রথমে কিছুদিন এক মাছচাষির তত্ত্বাবধানে পরে দুটি এতিমখানায় বড় হয়ে ওঠেন গণেশ রঘুনাথ ধাংগাড়ে। ভাগ্যের পরিহাসে গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে চার মাস অচেতন ছিলেন। দুর্ঘটনার পর আঘাতের কারণে পরিবার, বাবা-মা’র কথা ঠিকমতো মনে করতে কষ্ট হয় তার। তারপরও নিজ পরিবারকে খুঁজে বের করতে হাল ছাড়েননি তিনি। বছরের পর বছর ধরে পুলিশ স্টেশনগুলোতে হারানো ব্যক্তিদের তালিকা খুঁজে ফেরেন। অবশেষে ২০১১ তে নিজেই পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। নিজ বাবা-মাকে খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা কখনই বাদ দেননি বলে জানালেন গণেশ। তার কাছে ক্লু ছিল একটাই। ডান হাতে তার মা’র নাম লেখা একটি ট্যাটু। সেখান থেকে মা’র নাম ‘মান্ডা’ এতটুকু তথ্য নিশ্চিত হয়ে মাকে খুঁজে ফেরেন তিনি। গাড়ি দুর্ঘটনার পর তাদের বাসার ঠিকানা ভুলে গিয়েছিলেন। প্রথম যে এতিমখানায় ছিলেন সেখানে দেয়া তথ্য থেকে সেটা খুঁজে বের করতে সক্ষম হন তিনি। সেখানে দেশের বাড়ির নাম দিয়েছিলেন, মামা ভাঞ্জা। এলাকাটি মুম্বইয়ের পার্শ্ববর্তী একটি জেলার অরণ্যের মধ্যে অবস্থিত। এ মাসের শুরুতে গণেশ তার সহকর্মীদেরকে সঙ্গে নিয়ে তার মাকে খুঁজতে সেখানে যান। খুঁজতে খুঁজতে কেউ একজন তাদেরকে পাহাড়ের উপরে একটি কুঁড়েঘরের দিকে নির্দেশ করে দেন। সেখানে মান্ডা নামক এক বৃদ্ধা দীর্ঘদিন ধরে বাস করে আসছে বলে জানতে পারেন তারা। ভদ্র মহিলাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি মনে করে বলেন, অনেক বছর আগে তিনি তার এক ছেলেকে হারিয়েছিলেন। নিশ্চিত হওয়ার জন্য গণেশ তাকে প্রশ্ন করেন, ওই ছেলেকে শনাক্ত করার মতো কোন চিহ্ন আছে কিনা। হাতে একটি ট্যাটু ছিল বলে জবাব দেন তিনি বিন্দুমাত্র কালক্ষেপণ না করে গণেশ সঙ্গে সঙ্গে তার ডান হাতের ট্যাটুটি দেখাতেই তার মা মুহূর্তেই চিনতে পারে এই তার ২৪ বছর আগে হারানো ছেলে। কিছুক্ষণের জন্য নেমে আসে অখণ্ড নীরবতা। পর মুহূর্তেই দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরেন। অশ্রুসজল হয়ে ওঠে মা-ছেলে দুজনের চোখ। গণেশ এখন যতটা সম্ভব সময় দেন তার মা ও ফিরে পাওয়া দুই ভাই ও একমাত্র বোনকে। গত কয়েক সপ্তাহের ঘটনা প্রবাহ এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় বলে জানালেন গণেশ।মানবজমিন 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ