বিদায় ছাপিয়ে উৎসব আমেজ
স্পোর্টস ডেস্ক: বিদায় সবসময়ই বেদনার। কিন্তু এ তো আর চিরবিদায় নয়। চোখের আড়াল হওয়াও নয়। এ কেবল একটি অবস্থার বদল। ছিলেন খেলোয়াড় এখন হবেন দর্শক। হতে পারেন প্রশিক্ষক বা সংগঠকও। তারপরও ২৪ বছর ধরে একজনকে যে ভূমিকায় দেখা যেতো তা আর যাবে না- এটাই বিরাট ব্যাপার। যার ব্যাটিং দেখতে পাগলপারা ছিল শত কোটি
দর্শক তাকে আর ওভাবে দেখা যাবে না। এখন থেকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য টেলিভিশনের পর্দা বা ফিতায় ধারণকৃত চিত্রই তার খেলা দেখার মাধ্যম হবে। তবে বিজ্ঞানকে ধন্যবাদ দিতেই হয়। কারণ তার খেলা দেখা যাবে যুগ যুগ। কিন্তু স্যার ব্রাডম্যানের খেলা তো আর আমরা দেখতে পাই না। দেখা যায় না তারও পরের গ্যারি সোবার্সের খেলা। সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার বলতে তো এখনও সোবার্সকেই বোঝায়।
টেস্ট ক্রিকেটের নতুন মাইলফলক (২০০ টেস্ট) স্পর্শ করে বিদায় নিতে যাচ্ছেন শচীন টেন্ডুলকার। অকাল প্রস্থানও বলা যাবে না। তাই ভারতজুড়ে বিদায়ের মূর্ছনা থাকলেও মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে ছিল উৎসবের আমেজই। ক্রিকেট দেবতার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখতে যারা সুযোগ পেয়েছেন তারা চিরধন্যই থাকবেন। নিজের প্রাণপ্রিয় তারকাকে সামনে থেকে ভালবাসার নিদর্শন দেখানোর গৌরবই আলাদা। ভারত আর্মি নামে একটি দল খেলা দেখতে এসেছে ইংল্যান্ড থেকে। গ্যালারিতে দেখা গেল এক জুটিকে টি-শার্ট গায়ে যাতে লেখা ‘গডস নেভার ডাই’। অনেকের পোশাকেই লেখা ছিল শচীন বা ২০০। কারও কারও চুলের ছাঁটেও দেখা গেল ২০০।
সকালেও ওয়াংখেড়ের বাইরে প্রচুর দর্শক ছিলেন টিকিট ছাড়া। টিম বাসে করে ঢুকবেন শচীন এই দৃশ্যটি দেখলেই যেন তাদের জীবন সার্থক। অনেকের ধারণা ছিল হয়তো কালোবাজারে বেশি দাম দিয়ে হলেও টিকিট মিলবে। টসে জিতে ব্যাটিং না নেয়ায় যারা হতাশ হয়েছিলেন তারা বরং পরে খুশিই হয়েছেন। কারণ ফিল্ডিং করার সুবাদে সীমানার কাছে অনেকবারই শচীনকে আসতে হযেছে। আর এতেই তারা আরও বেশি দেখার সুযোগ পেয়েছেন তাকে। যখন যে প্রান্তে গেছেন তখনই সে প্রান্তের হাজারো কণ্ঠ ‘শচীন, শচীন’ বলে চিৎকার করে উঠেছে।
কেবল সাধারণ দর্শকরাই নন- শচীনের এই বিদায়ী টেস্টে হাজির থাকার লোভ সামলাতে পারেন নি অনেক রাজনীতিবিদ, চিত্রনায়ক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব। তাদের অনেককেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মহারাষ্ট্র ক্রিকেট এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে, আবার কেউ কেউ নিজের গরজে টিকিট যোগাড় করে মাঠে ঢোকেন। তবে উপেক্ষিত থেকেছেন অনেক সাবেক শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটার। ভারতের এক সময়কার শীর্ষ তারকা গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ এক পত্রিকায় লিখেছেন, আমি আশা করেছিলাম এই ম্যাচের একটি টিকিট অন্তত পাবো। কিন্তু ভারতের হয়ে প্রথম ৬০০০ রান সংগ্রহকারী এ ব্যাটসম্যান তা পাননি বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তবে তিনি লিখেছেন, আমি টেলিভিশনে তার প্রতিটি বলই দেখবো।
শচীনের পরিবার, স্বজন (বিশেষ করে শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়), বন্ধু, কাছের মানুষ- এদের সংখ্যাও তো কম নয়। সবারই আবদার শচীনের কাছে টিকিটের। আর এটা জেনে কর্তৃপক্ষ শচীন টেন্ডুলকারকে ৫০০ টিকিট উপহার হিসেবে দিয়েছে। শচীনের শেষ টেস্ট খেলার বিষয়টি কেবল ভারতই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সংবাদমাধ্যমেই বিশেষ স্থান পায়। বিশ্বের অনেক দেশ থেকেই সাংবাদিক গেছেন এই টেস্টের খবর সরাসরি সংগ্রহ করার জন্য এবং ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকার জন্য। তবে বিশ্বসেরা সংবাদ সংস্থা আসেও নি ভারতীয় ক্রিকটে বোর্ডের সঙ্গে তাদের বিরোধের কারণে। এপি, রয়টার্স, গেটি ইমেজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সব প্রতিযোগিতা বয়কট করে যাচ্ছে মাঠে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়ায়।মানবজমিন
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!