Friday, 20 March 2026 |
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন
সব ক্যাটাগরি

নাসার টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে ঈশ্বরের হাত!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 164 বার

প্রকাশিত: January 12, 2014 | 1:23 AM

 

নাসার নিউক্লিয়ার স্পেকট্রোস্কোপিক টেলিস্কোপ সারি বা NuSTAR -এর ক্ষমতার ঝলক দেখল দুনিয়া। একটি মৃত তারার মধ্যকার শক্তির ছবি প্রকাশ করল। হাতের মতো দেখতে ‘হ্যান্ড অফ গড’ -নামের সেই ছবি এখন মাতাচ্ছে পৃথিবী।
নাসার উদ্ধৃতি দিয়ে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, মহাশূন্যে ভাসমান কনাগুলো কাছের চৌম্বকিয় ক্ষেত্রের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে একটা এক্সরে দ্যুতি তৈরি করেছে, যা অনেকটা হাতের মতো দেখতে। ছবিতে পালসার সাদা উজ্জ্বল অংশটির কাছে অবস্থিত হলেও তা ছবিতে দেখা যাচ্ছে না।
২০১২ সালের ১৩ জুন মহাকাশে NuSTAR কে ছাড়া হয়। উদ্দেশ্য ছিল এর মাধ্যমে ব্রহ্মাণ্ডের উচ্চশক্তিসম্পন্ন এক্স রশ্মি দর্শন। আমাদের ছায়াপথ মিলকিওয়ে ও অনান্য ছায়াপথে মধ্যে এটি ব্ল্যাক হোল, মৃত বা বিস্ফোরিত তারা এবং অনান্য জ্যোতিষ্কের ওপর নজর রাখে NuSTAR।

‘হ্যান্ড অফ গড’ আসলে একটি ১৭,০০০ আলোক বর্ষ দূরের একটি নীহারিকা যেটি একটি মৃত ও ঘূর্ণায়মান তারা PSR B1509, সংক্ষেপে B1509 দ্বারা সৃষ্ট।

মৃত তারাটির অবিশিষ্ট অংশের মধ্যে নিউক্লিয়ার এক্সপ্লোসান তৈরি হওয়ার ফলে তৈরি হয়েছিল তীব্র আলোকময় সুপারনোভা। তারাটি প্রকৃতপক্ষে একটি পালসারে পরিণত হয়েছিল। ১৯ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত এই পালসারটি প্রতি সেকেন্ডে সাতবার করে নিজের অক্ষের চারদিকে তীব্র গতিতে ঘুরছিল। এই সময় পালসারটি থেকে প্রচুর আলো, রশ্মি নির্গত হচ্ছিল। তার সঙ্গেই এমন কিছু পদার্থ বা কণা নির্গত হচ্ছিল যা একটি তারার মৃত্যুর সময় নির্গত হয়।

এই কণাগুলি নিজেদের মধ্যে একটি চৌম্বকক্ষেত্রে সংঘর্ষে লিপ্ত ছিল। তার ফলে প্রচুর আলোকজ্বল এক্স রশ্মি তৈরি হয়। এর ফলে এক্স রশ্মির দ্বারা নির্মিত মেঘ তৈরি করে। যেটিকে দেখতে হাতের মত। এই হাতের ছবিই উঠে এসেছে NuSTAR-এর ক্যামেরায়। এই ছবি কোনও অপটিক্যাল ইলিউশন কী না সে ব্যাপারেও সন্দিহান নন বিজ্ঞানীরা। সূত্র: জিনিউজ/কালের কণ্ঠ

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV