Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

বার্ধক্য ঠেকানোর যে উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 197 বার

প্রকাশিত: March 5, 2014 | 12:54 AM

জিন সংশ্লেষ করে ক্যানসারের চিকিত্সা হবেমার্কিন গবেষকেরা বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগ কীভাবে দূর করা যায় তা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। এই গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের জিন বিজ্ঞানী ক্রেইগ ভেন্টার। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রায় এক দশক ধরে মানুষের জিনোম নিয়ে গবেষণা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষক ক্রেইগ ভেন্টার। ২০১০ সালে তিনি সিনথেটিক লাইফ তৈরি করেছিলেন।
সুস্থ থাকা ও বার্ধক্য ঠেকানোর জন্য এ গবেষণায় ভেন্টারের সঙ্গে কাজ করছেন স্টেম সেল বিষয়ক গবেষক ড. রবার্ট হারিরি ও এক্স প্রাইজ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ড. পিটার ডায়ামেন্ডিস।
সম্প্রতি গবেষকেরা মিলে বার্ধক্যজনিত রোগের চিকিত্সা পদ্ধতি উদ্ভাবনে গড়ে তুলেছেন ‘হিউম্যান লংজিভিটি ইনকরপোরেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি জিনোম ও স্টেম সেল নিয়ে গবেষণা করে মানুষের বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে কাজ করবে। মানুষ যাতে সুস্থভাবে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকে এবং দীর্ঘায়ু হয় সে লক্ষেই কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।
সম্প্রতি ‘হিউম্যান লংজিভিটি ইনকরপোরেশন’ প্রসঙ্গে গবেষক ভেন্টার জানিয়েছেন, আমরা আশা করছি নতুন নতুন প্রতিরোধক ওষুধ উদ্ভাবন করতে পারব। ওষুধের দাম কমাতে আমাদের এই উদ্যোগ বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছি।’
গুগল গ্লাস চোখে অস্ত্রোপচারে চিকিত্সকেরাযুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়াগো ভিত্তিক এ উদ্যোগটি সফল করতে এরমধ্যেই জিন বিশ্লেষণ ও ডেটাবেজ তৈরির প্রযুক্তি কেনা হয়েছে বলেও জানান ভেন্টার।
এদিকে, ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক স্ক্রাইপস ট্রান্সলেশনাল সায়েন্স ইনস্টিটিউটের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ড. এরিক টোপল এই উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এটি বড় ও মহত্ একটি উদ্যোগ যা মানুষের বার্ধক্যজনিত রোগ চিকিত্সায় বড় ধরনের অগ্রগতি আনতে পারে।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘায়ু নিয়ে গবেষণা এটাই প্রথম নয়। এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ‘ক্যালিকো’ নামে এরকম একটি উদ্যোগ নিয়েছে গুগল।
মানুষকে মৃত্যুঞ্জয়ী করা সম্ভব হবে কী? ড. টোপল বলেছেন, সময়ের সাথে সাথে হয়তো গুরুত্বপূর্ণ চিকিত্সা পদ্ধতি উদ্ভাবন করা যাবে, কিন্তু ক্যালিকো বা হিউম্যান লংজিভিটি ইনকরপোরেশন মানুষকে দীর্ঘজীবী করতে পারবে কিনা তা পরিষ্কার করে বলা সম্ভব নয়।
হিউম্যান লংজিভিটি ইনকরপোরেশনের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে, ক্যানসার, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, হার্ট ও লিভারের রোগ ও ডিমেনশিয়ার নিরাময়। এই রোগগুলোকে মানুষের দীর্ঘায়ুর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা মনে করা হয়।
গবেষক ভেন্টার জানিয়েছেন, ক্যানসার নিরাময়ের ক্ষেত্রে প্রথম উদ্যোগটি নিচ্ছি আমরা। এরমধ্যে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরস ক্যানসার সেন্টারের সঙ্গে চুক্তিও হয়ে গেছে। এ ছাড়াও এ উদ্যোগটি সফল করতে অনেক প্রতিষ্ঠানই সহযোগিতা করছে। এখানে চিকিত্সার জন্য যাঁরা আসবেন তাঁদের জিন সিকোয়েন্স করা হবে এবং টিউমারের পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স করা হবে। ভেন্টারের মতে, জিনোমিক থেরাপি দিয়ে ক্যানসার চিকিত্সা পদ্ধতি গ্রহণের পদক্ষেপ নেওয়ার এখনই মোক্ষম সময়।

গুগলের উদ্যোগ
মানুষের আয়ু বাড়ানোর গবেষণায় কাজ শুরু করেছে অনুসন্ধান সেবাদাতা গুগল। স্বাস্থ্য ঠিক রাখা ও বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে গুগলের এই উদ্যোগের নাম ‘ক্যালিকো’। এটি মূলত গবেষণা-প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানে বায়োটেকনোলজি নিয়ে গবেষণা চলছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে গুগলের প্রধান নির্বাহী ল্যারি পেজ সংবাদমাধ্যম টাইমকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে গুগলের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। পেজ ওই সময় বলেন, প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কোনো ধারণা গ্রহণ থেকে তাঁর ফল হাতে পাওয়া পর্যন্ত এক থেকে দুই দশক সময় লাগতে পারে। স্বাস্থ্য খাতের এ গবেষণায় ফল পেতেও এক-দুই দশক অপেক্ষা করতে হবে।
পেজ বলেন, ‘মানুষের জীবনে যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ, আমরা তা নিয়ে কাজ করছি।’

গবেষণার ফল কী হবে?
মানুষকে মৃত্যুঞ্জয়ী করার চেষ্টায় যে গবেষণা চলছে তার ফল কী হবে? বিজ্ঞানীরা এর উত্তরে বলছেন, মানুষের আয়ু বেড়ে গেলে তা ব্যক্তিগত, সামাজিক ও আর্থিক দিক থেকে নানা প্রভাব ফেলবে।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV