ফেসবুকের ‘লাইক’ আসলেই কি পছন্দের প্রকাশ?
সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় অনলাইন মাধ্যম ফেসবুকে কোনো বক্তব্য (স্ট্যাটাস), ছবি, ভিডিওচিত্র ও অন্যান্য জিনিস ভালো লাগলে ‘লাইক’ চিহ্নে ক্লিক করার মাধ্যমে তা অন্যদের জানানোর সুযোগ রয়েছে। কিন্তু যন্ত্রনির্ভর বা ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্রকাশিত এই ‘লাইক’ কি আসলেই মানুষের পছন্দকে প্রকাশ করে?
ফেসবুকে কেউ সত্যি সত্যিই কোনো কিছু পছন্দ হলে ‘লাইক’ দেন, আবার কেউ কেউ লোকদেখানোর জন্য বা নির্বিচারে ‘লাইক’ দিয়ে থাকেন। বিষয়টি নিয়ে এবার রীতিমতো গবেষণা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। অনলাইন কার্যক্রম নিয়ে সবচেয়ে বড় গবেষণা বলে একে দাবি করা হচ্ছে। সান ডিয়েগোতে অবস্থিত ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক কেভিন লুইস ও তাঁর সহযোগীরা এক গবেষণার ভিত্তিতে বলছেন, ফেসবুকের ‘লাইক’ আসলে কোনো ধরনের বাস্তব পছন্দ বা অঙ্গীকার প্রকাশ করে না।
ফেসবুকে সেভ দারফুর নামের একটি আন্দোলন কর্মসূচির পাতার (পেজ) তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা ২০১০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১২ লাখ ‘লাইক’ দেখতে পান। ওই আন্দোলনে প্রচুর পরিমাণে লোকদেখানো সমর্থন থাকলেও প্রতিটি ‘লাইকের’ বিনিময়ে সংগৃহীত অর্থ সহায়তার পরিমাণ ছিল মাত্র আট সেন্ট। সেই তুলনায় সরাসরি ই-মেইল যোগাযোগের মাধ্যমে অর্জিত সহায়তার পরিমাণ ছিল অনেক বেশি। সেভ দারফুরের জন্য কেবল ২০০৮ সালেই মেইল যোগাযোগের মাধ্যমে ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছিল।
নর্থ ক্যারোলাইনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানী জেইনেপ টুফেকি বলেন, অনলাইন প্রচার কার্যক্রমে অনেক দূরের কোনো দেশের জন্য দাতব্য প্রচারাভিযান কতটা সফল হয়, সে সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দিতে গবেষণাটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গবেষকেরা স্পষ্টভাবে দেখিয়েছেন, এ ধরনের উদ্যোগ খুব একটা সফল হয় না।
২০১১ সালে মিসরের গণ-আন্দোলন নিয়েও গবেষণা করেন টুফেকি। এতে তিনি ফেসবুক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছান। তাঁর মতে, ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যক্তিপর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমেই জনগণ ওই আন্দোলনের প্রকৃতি সম্পর্কে জানতে পারে। তাই আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অংশগ্রহণ ছিল অনেক কিছুর নির্ধারক। তবে ফেসবুকে প্রতিটি ‘লাইক’ সমান গুরুত্ব বহন করে না। ব্যক্তিগত আগ্রহের বাইরেও অনেকে অনলাইনে অচেনা বিষয়ে শুধু লোকদেখানো সংহতি প্রকাশ করতে ‘লাইক’ ক্লিক করেন। নিউ সায়েন্টিস্ট।প্রথম আলো
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!