Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

ওজন কমান, স্লিম থাকুন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 61 বার

প্রকাশিত: March 9, 2014 | 9:27 PM

 
এন আই মানিক : শরীরের বাড়তি ওজন মানেই একটা বাড়তি টেনশন। পছন্দের কোনো জামা-কাপড় দেহের মাপ অনুযায়ী না হয়ে দেখতে বিশ্রী লাগার কারণ এই বাড়তি ওজনটুকু। এছাড়াও বাড়তি ওজনের মানুষেরা থাকেন অনেক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। কিন্তু এই ওজন আমাদেরই অনিয়ম এবং বাজে খাদ্যাভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে। ওজন কমানোর জন্য বেশিরভাগ মানুষ চিন্তিত থাকেন। কী করলে ওজন কমবে, কীভাবে চললে একটু কম মোটা দেখাবে, কী কী না খেলে ওজন কমবে আরও কত কি! ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় অনেক কাজ করে থাকেন ওজন কমানোর জন্য। অনেক বিধি-নিষেধ মেনে চলেন। কারণ একটাই, ওজন কমানোর উপায় বের করতে হবে। খাওয়া শুরু করার আগে ১/২ গ্লাস পানি খেয়ে নিন। এতে পেট ভর্তি থাকবে। খাবার কম খাবেন ফলে ওজন কমবে। খাওয়ার মাঝে পানি খাবেন না। খাওয়ার মাঝে পানি খেলে হজমের প্রক্রিয়ায় সমস্যা হয়। হজম ভালো না হলে ওজন বাড়ার সমস্যায় পড়বেন। আস্তে আস্তে সময় নিয়ে খান। বেশি সময় নিয়ে খেলে ক্ষুধা কমে যায়। ফলে কম খাওয়া হয়। একবারে বেশি খাবার খাবেন না। একবারে বেশি খেলে শরীরে দ্রুত চর্বি জমে, কেননা খাবার হজম হয় না ভালোভাবে। অল্প পরিমাণে খাবার ৪/৫ বেলা খাবেন সারা দিনে। খাবার সময় কার্বোহাইড্রেট অর্থাত্ ভাত/রুটি কম খাবেন। সবজির পরিমাণ বেশি রাখুন। নাস্তা খাবার সময় ফল খান, তেলে ভাজা খাবার বাদ দিন। কিছু অভ্যাস নিজেদের মধ্যে গড়ে তুললে আমরা মুক্তি পেতে পারি ওজনের সমস্যা থেকে। অবাক হলেও সত্যি আমাদের এই অভ্যাসগুলো দূর করবে দেহের মেদ। ফাইবার আমাদের দেহের বাড়তি সব ধরনের খাদ্য উপাদান শুষে নেয়ার কাজ করে যা দেহে মেদ হিসেবে জমত। খাবারে ফাইবারের পরিমাণ বাড়ালে দেহে মেদ জমতে পারে না। বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকলি, ভুট্টা, কমলালেবু জাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। খাদ্য তালিকায় এই ধরনের খাবারের মাত্রা বাড়ান। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ডিম রাখার অভ্যাস করুন। ডিম ওজন কমাতে বেশ কার্যকরী একটি খাবার। ডিম প্রোটিনের বেশ ভালো একটি উত্স যা অনেকটা সময় ধরে আমাদের ক্ষুধা নিবারণ করে। ফলে কম খাওয়া হয়। এতে ওজন কমে। ভিটামিন ডি ওজন কমানোর বেশ ভালো একটি উপাদান। সকালের রোদ দেহে ভিটামিন ডি সরবরাহ করে যা দেহে জমে থাকা মেদ দূর করতে সাহায্য করে। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে রোদের আলোয় বের হওয়ার অভ্যাস করুন। ওজন কমানোর জন্য ঘুমের প্রয়োজন অনেক বেশি। বেশি ঘুমুলে যেমন ওজন বাড়ে ঠিক তেমনই কম ঘুমালেও ওজন বাড়ে। তাই প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণ ঘুমানোর চেষ্টা করুন। দৈনিক ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমের অভ্যাস ওজন বাড়তে বাধা প্রদান করে। অনেকেই টিভির সামনে বসে খান যা ওজন বাড়ানোর জন্য দায়ী। এর কারণ হলো টিভির সামনে বসে খাওয়া শুরু করলে খাবারের কোনো হিসাব থাকে না। অনেক ক্ষেত্রেই খাওয়া অনেক বেশি হয়ে যায়। এছাড়া টিভির সামনে বসে অনেকে অস্বাস্থ্যকর খাবার খান। এতেও ওজন বাড়ে। তাই টিভির সামনে বসে না খাবার অভ্যাস করুন। কেউ কেউ মাংস রান্না করলে শুধু মাংস দিয়ে ভুনা বা ঝোল তৈরি করেন। এই কাজটি বন্ধ করুন। মাংস রান্নায় মাংসের সঙ্গে সবজি ব্যবহার শুরু করুন। এতে করে মাংসের ক্যালরি কমাতে সাহায্য করবে সবজি। এবং স্বাদেও আসবে ভিন্নতা। তাড়াহুড়ো করে খাবার অভ্যাস আসে অনেকেরই। এতে ওজন বাড়ে। কারণ তাড়াহুড়ো করে খাবার বেশি চিবিয়ে খাওয়া হয় না এবং হজমে সমস্যা তৈরি হয়। এতে করে দেহে জমে মেদ। তাই খাবার খাওয়ার সময় ভালো করে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। স্যুপ এবং সালাদ জাতীয় খাবার দেহে কম ক্যালরি সরবরাহ করে। সাধারণভাবে তৈরি ঘরোয়া সালাদ খান। বিকেলের নাস্তায় কোনো প্রকার তেলে ভাজা খাবার খাবেন না। যাদের ওজন বেশি তারা কি পরবেন, কীভাবে সাজবেন সবকিছু নিয়েই দ্বিধায় ভুগে থাকেন। এমনকি কীভাবে পোশাক সেলাই করতে হবে সেটাও ঠিকমত বুঝে উঠতে পারেন না অনেকে। যারা ওজন সমস্যায় ভুগছেন তারা সামান্য গ্রুমিং-এর মাধ্যমেই নিজেকে দেখাতে পারেন বেশ খানিকটা স্লিম। যাদের শরীর কিছুটা মেদবহুল তারা হালকা রঙ-এর পোশাক এড়িয়ে চলুন। যে কোনো রঙ-এর সবচেয়ে গাঢ় শেডটা বেছে নিন পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে। কালো, নেভি ব্লু, বোটল গ্রিন, কালচে মেরুন ইত্যাদি রঙগুলোতে শরীর কিছুটা স্লিম দেখায়। খুব আঁটসাঁট পোশাক এড়িয়ে চলুন। পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখুন যেন সেটা বেশি ঢোলা কিংবা আঁটসাঁট কোনোটাই না হয়। এছাড়াও খুব বেশি বড় গলা ও হাত কাটা পোশাক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। মেকআপের ক্ষেত্রে মুখ কিছুটা চাপা দেখানোর জন্য ত্বকের চেয়ে এক শেড গাঢ় প্যান কেক দিয়ে গালের দুই পাশ চাপিয়ে নিন। এরপর ত্বকের রঙ-এর ফেস পাউডার দিয়ে উপরে ব্লাশন লাগিয়ে নিন। তাহলে মুখের দুই পাশ ও ডাবল চিন কিছুটা কম বোঝা যাবে। যাদের মুখে মেদ বেশি তারা চুল ফুলিয়ে বাঁধবেন না। চুল স্ট্রেইট করে ছেড়ে রাখুন অথবা হালকা করে বেঁধে রাখুন। যারা সানগ্লাস বা চশমা পরেন তারা বড় আকৃতির ফ্রেম নির্বাচন করুন। বেশি ছোট ফ্রেম নির্বাচন করলে মুখের আকৃতি আরও বড় দেখাবে। নেকলেস পরার ক্ষেত্রে গলার সঙ্গে এঁটে থাকা নেকলেস পরবেন না। একটু ঝোলানো ধরনের মালা বেছে নিন নিজের জন্য। যাদের শরীর মেদবহুল তারা খুব বেশি চিকন হিল পরবেন না। খুব বেশি চিকন হিল পরলে দেখতে বেমানান দেখাতে পারে এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়।ইন্টারনেট অবলম্বনে/আমার দেশ 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV