Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্ক টাইমসে নিকোলাস ক্রিস্টোফ :যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে এক নম্বর নয়!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 67 বার

প্রকাশিত: April 4, 2014 | 5:01 PM

যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক শক্তিকে নিজেদের নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নের কাজে লাগাতে পারে নাপৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর, সবচেয়ে ধনী, সবচেয়ে মুক্ত ও সবচেয়ে ভাগ্যবান জাতি হিসেবে আত্মতৃপ্তি লাভ করে থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা। এসব বিবেচনায় নিয়েই ‘নিউইয়র্ক টাইমস’ পত্রিকায় লেখা এক নিবন্ধে মার্কিন সাংবাদিক নিকোলাস ক্রিস্টোফ ‘আমরা এক নম্বর নই’ শিরোনামে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে এক নম্বর হিসেবে ভাবা হলেও অনেক দিক থেকেই অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে মার্কিনিরা।
এই লেখার পেছনে যুক্তি হিসেবে নিকোলাস বলেছেন. ‘মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে নরওয়ের নাগরিকেরা আমাদের চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারেন, জাপানিদের গড় আয়ু আমাদের চেয়ে বেশি।’
সম্প্রতি ১৩২টি দেশের জীবনমান বিবেচনা করে প্রকাশিত সামাজিক অগ্রগতি সূচকের প্রসঙ্গ টেনে নিকোলাস ক্রিস্টোফ লিখেছেন, সামাজিক অগ্রগতি সূচকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ১৬তম। আর সবার ওপরে নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের পরের অবস্থানে যথাক্রমে সুইজারল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও হল্যান্ড। অথচ এই দেশগুলো মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে পিছিয়ে।’
নিবন্ধে নিকোলাস ক্রিস্টোফ লিখেছেন, ঊনবিংশ শতকে ভাগ্যান্বেষণে আয়ারল্যান্ডের বহু মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে এসেছিলেন। সেই আয়ারল্যান্ড এখন সামাজিক অগ্রগতি সূচকে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে এগিয়ে। দেশটির অবস্থান বিশ্বে ১৫তম। ‘সুযোগের’ দিক থেকেও এখন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে এগিয়ে আয়ারল্যান্ড।

নিবন্ধে বলা হয়, ‘উচ্চতর শিক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু সূচকে সুস্বাস্থ্যের দিক থেকে আমরা বিশ্বে ৭০তম, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ৬৯তম, মৌলিক শিক্ষায় ৩৯তম, বিশুদ্ধ পানি প্রাপ্তি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় ৩৪তম, ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় ৩১তম অবস্থানে আছি। এমনকি সেলফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের দিক থেকেও আমরা ২৩তম স্থানে আছি, যা হতাশাজনক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন ইন্টারনেট ব্যবহার করে না।’

নিবন্ধে আরও বলা হয়, সার্বিকভাবে ১৯৭৫ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ফ্রান্সকে ছাড়িয়ে যায়। অথচ ওই সময়ে ফ্রান্সের শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি নাগরিক সুবিধা পেয়েছে। শতকরা ১ ভাগের কথা বাদ দিলে মার্কিন নাগরিকদের চেয়ে ভালোই আছে ফরাসিরা।

নিবন্ধে নিকোলাস ক্রিস্টোফ লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি সম্পর্কে গোটা বিশ্ব অবগত। আই-ফোন থেকে আমরাই সবচেয়ে বেশি ফেসবুকে পোস্ট করি। আমাদের যুদ্ধজাহাজ দেখে সবাই ভয়ে কাঁপে। যেখানেই যা ঘটে, লোকে সিআইএকে দোষারোপ করে। সবাই জানে, আমরাই এক নম্বর! কিন্তু সমস্যা হলো, আমাদের অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তিকে নিজেদের নাগরিকদের কল্যাণে বা জীবনমান উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করতে পারি না।’প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV