Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

জাতিসংঘে “পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে স্বল্পোন্নত দেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান” শীর্ষক সেমিনার : টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় স্বল্পোন্নত দেশের জন্য সুনির্দিষ্ট সাহায্য প্রয়োজন -অর্থমন্ত্রী মুহিত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 139 বার

প্রকাশিত: April 21, 2014 | 9:44 PM

ইউএসএ নিউজ অনলাইন.কম : জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চ পর্যায়ে আয়োজিত “পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে স্বল্পোন্নত দেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান” শীর্ষক তাত্ত্বিক আলোচনা সভায় বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন, জাতিসংঘ স্বীকৃত ৪৯টি স্বল্পোন্নত দেশ আজ বিশ্ব বাণিজ্যে প্রান্তিক অবস্থানে রয়েছে এবং তাদের উন্নয়নের জন্য উন্নত বিশ্বের দেশগুলোকে সুনির্দিষ্ট সহায়তা পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ও নরওয়ে কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ.কে আব্দুল মোমেন এবং নরওয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি গেইর পেডেরসেন। সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে বেনিন-এর স্থায়ী প্রতিনিধি ও স্বল্পোন্নত দেশসমূহের চেয়ারম্যান জাঁ-ফ্রান্সিস জিনসু, জাতিসংঘের উপ-মহাসচিব ও স্বল্পোন্নত ল্যান্ডলক এবং স্মল আইল্যান্ড ডেভেলপিং স্টেট এর হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ জ্ঞান চন্দ্র আচার্য এবং জাতিসংঘ সোস্যাল ইকোনমিক এফেয়ার্স এর বিশেষজ্ঞ উইলেম ভ্যান ডের গিস্ট।
মুখ্য বক্তার আলোচনায় বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরেন। স্বনির্ভরতার পথে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বর্ণনা দিয়ে তিনি জানান, বৈদেশিক সহায়তার ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা হ্রাস পেয়ে বর্তমানে আমাদের জাতীয় আয়ের মাত্র ২% বৈদেশিক সহায়তার সমান। তবে তিনি বলেন, অধিকাংশ স্বল্পোন্নত দেশের অবস্থা বাংলাদেশের তুলনায় অনেক খারাপ। অর্থ মন্ত্রী সবাইকে মনে করিয়ে দেন এ সব দেশের জাতীয় বাজেটের সিংহভাগ বৈদেশিক সাহায্যনির্ভর। তিনি উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান জানান যে তাদের বৈদেশিক সহায়তার অন্তত ৫০ শতাংশ যেন স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে বরাদ্দ করা হয়। বিশ্ব বাণিজ্যে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পিছিয়ে থাকার প্রসঙ্গে অর্থ মন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোকে তাদের বাণিজ্য নীতিতে পরিবর্তন আনতে হবে, যাতে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো সহজে, বিনা শুল্কে রপ্তানী করতে পারে। স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে প্রযুক্তির ঘাটতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার জাতিসংঘের আওতায় প্রযুক্তি ও গবেষণা কেন্দ্রের আঞ্চলিক কেন্দ্র বাংলাদেশে স্থাপনে আগ্রহী। জলবায়ু পরিবর্তনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে যে সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা সমাধানে অর্থ মন্ত্রী উন্নত বিশ্বের দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে জাতিসংঘে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে যে আলোচনা চলছে, সেখানে স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে যথার্থ গুরুত্ব দিতে হবে, এবং তাদের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা বরাদ্দের ব্যবস্থা রাখা আবশ্যক।
আলোচনার শেষ পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী ও প্যানেলিস্টরা প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। আলোচকবৃন্দ তাঁদের মন্তব্যে স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে জরুরী ভিত্তিতে এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় সহায়তা প্রদানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তাঁরা বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রীর সাথে একমত পোষণ করে বলেন, বিশ্বের সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে সহায়তা প্রদানের কোন বিকল্প নেই। উন্নত দেশের প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘে নরওয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত গেইর পেডেরসেন বলেন, তাঁর দেশ স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সে অঙ্গীকার তারা পালন করছেন। সভায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকেই বলেন যে স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে বৈদেশিক সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন; একই সঙ্গে প্রয়োজন সহায়তার গুণগত মান নিশ্চিত করা, এবং বিশ্বের ধনী-গরীব দেশগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে যাতে বৈদেশিক সহায়তা থেকে স্বল্পোন্নত দেশগুলো প্রকৃত অর্থেই উপকৃত হয়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV