বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের যৌথ আয়োজনে “মাইগ্রেশন ইন দি পোষ্ট ২০১৫ ডেভেলপমেন্ট এজেন্ডা” শীর্ষক বৈঠক অনুষ্ঠিত
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৮ এপ্রিল বেলা ১-১৫ টায় সুইজারল্যান্ড মিশনে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের যৌথ আয়োজনে ‘মাইগ্রেশন ইন দি পোষ্ট ২০১৫ ডেভেলপমেন্ট এজেন্ডা’ শীর্ষক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ.কে আব্দুল মোমেন ও সুইজারল্যান্ড মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি পল সেগার যৌথ-সভাপতিত্ব করেন। তাছাড়া সভার কো-স্পন্সর ছিল সুইডেন, মেক্সিকো ও নাইজেরিয়া।
উল্লেখ্য, উক্ত সভাটি ঢাকায় অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল এক্সপার্ট মিটিং অন মাইগ্রেশন এন্ড পোষ্ট ২০১৫ ডেভেলপমেন্ট এজেন্ডা’ এর ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত হ’ল। এ প্রসঙ্গে সুইজারল্যান্ডের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, সভাটি মূলতঃ ঢাকায় অনুষ্ঠেয় সভার স্যাটেলাইট প্লাটফরম।
বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ.কে আব্দুল মোমেন সভায় ঢাকায় অনুষ্ঠেয় সভার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বিশ্বায়ন প্রক্রিয়াতে মূলধনী দ্রব্যের অবাধ প্রবাহ ও ব্যবসায়িক নেতৃত্বের উপর শিথিল বিধিনিষেধের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিশ্ব-শ্রম-বাজার যে অনতিক্রম্য বাধাসমূহের সম্মুখীন, সে বিষয়ে সভার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। দেশান্তরী শ্রমজীবী মানুষের উচ্চ আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যয়ের কথা স্মরণ করে, স্থায়ী প্রতিনিধি তাঁদের জন্য বৈষম্যহীন শ্রম-পরিবেশ ও তাদের অবস্থানের আইনগত স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে সর্বপ্রকার বঞ্চনা ও বৈষম্য নির্মূলের জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করেন। তিনি আরো বলেন “দেশান্তরী-গ্রহনকারী” রাষ্ট্রসমূহকে অবশ্যই সর্বনি¤œ ব্যয়ে যাতে “দেশান্তরী শ্রমজীবী মানুষেরা” অর্থ স্থানান্তর করতে পারে, সে বিষয়ে যতœবান হতে হবে। পাশাপাশি “দেশান্তরী-প্রেরণকারী” দেশসমূহ-কে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যেন দেশান্তরী-রা “রেমিট্যান্স” যথাযথভাবে ব্যবহার ও বিনিয়োগে সক্ষম হয়।
সভায় ১৫ দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও ৫টি দেশের উপস্থায়ী প্রতিনিধি ছাড়াও ২০টি দেশের বিশেষজ্ঞগন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও পেনালিস্ট হিসেবে আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘ মহাসচিবের মাইগ্রেশন ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিশেষ প্রতিনিধি আয়ারল্যান্ডের স্যার পিটার সাদারল্যান্ড এবং ইন্টারন্যাশনাল অফিস অব মাইগ্রেশন (আইওএম) এর মহাপরিচালক এ্যাম্বাসেডর লেসি সুইং।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!