Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

আমেরিকার প্রতাপশালী ২৩ পরিবারের সাম্রাজ্য কথা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 130 বার

প্রকাশিত: May 9, 2014 | 1:35 AM

অর্থ-প্রতিপত্তি, প্রতিভা এবং দারুণ কিছু কাজের সমন্বয়ে মানুষ তার পরিবারের সুনাম গড়ে তোলে। আমেরিকায় এম বহু পরিবার রয়েছে যাদের বিভিন্ন বিভাগে ভাগ করে পারিবারিক সুনাম ও মর্যাদাকে কিংবদন্তিতুল্য করা হয়েছে। এসব পরিবারের মধ্যে আছে অর্থশালী দুনিয়ার পরিবার, শিল্পপতিদের পরিবার, খেলা ও বিনোদন পরিবার এবং রাজনৈতিক ঐতিহ্যের পরিবার।
ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার সূত্রে, বর্তমানকালের প্রভাব এবং অর্থ-সম্পদের ভিত্তিতে আমেরিকার প্রতাপশালী ২৩টি পরিবারের র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের সম্পর্কে কিছুটা জেনে নিন।
১. দ্য ট্রাম্প-ক্রুশনার পরিবার

আমেরিকার প্রতাপশালী ২৩ পরিবারের সাম্রাজ্য কথা

বর্তমানকালের রিয়ের এস্টেট ব্যবসার টাইকুন ডোলাল্ড ট্রাম্প তার বাবার কম্পানিতে ক্যারিয়ার শুরু করেন। নব্বুইয়ের দশকে ব্যাংক কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হন। তারপরও নিজেকে বর্তমানের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের কাতারে দাঁড় করিয়েছেন।
২. দ্য ব্যারিমোর পরিবার
হলিউডের প্রথম পরিবার বলা হয় তাদের। আমেরিকার বৈপ্লবিক সময়ে বিনোদন জগতকে স্টেজ থেকে পর্দায় নেওয়া গোটা কাজেই তারা জড়িত ছিলেন। এ পরিবারের শুরু মরিস ব্যারিমোরের মাধ্যমে। লিওনেল, ইথেল এবং জন ব্যারিমোর তার তিন সন্তান যারা অভিনয় জগতে ছিলেন। জন ছিলেন বিশ শতকের সবচেয়ে নামী অভিনেতা। তার দ্বিতীয় স্ত্রী ডলোরেস কস্টেলো নির্বাক চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী হিসেবে বিখ্যাত ছিলেন। তাদের সন্তান জন ড্রিউ ব্যারিমোর ১৭ বছর বয়েসে অভিনেতা হিসেবে নাম লেখান। আর তার মেয়ে আজকের ড্রিউ ব্যারিমোর যিনি ‘চার্লিস অ্যাঞ্জেলস’, ‘দ্য ওয়েডিং সিঙ্গার’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গের ধর্মকন্যাও বটে।  ‘ইটি’ চলচ্চিত্রে সাইকেলে চড়ে তিনিই চাঁদে গিয়েছিলেন।
৩. দ্য ফোর্ড পরিবার
১৯০৩ সালে হেনরি ফোর্ড অটো টাইকুন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন ‘ফোর্ড মোটর কম্পানি’র মাধ্যমে। আমেরিকার অটো পরিবারের মধ্যে ফোর্ড ছিলেন প্রথম। তার একমাত্র ছেলে এডসেল মাত্র ২৬ বছর বয়সে ১৯১৯ সালে ফোর্ড কম্পানির হাল ধরেন এবং এই গাড়িকে দারুণ জনপ্রিয় পর্যায়ে নিয়ে যান। এডসেলের ছেলে হেনরি (দুই) ২৫ বছর বয়সে ১৯৪৩ সালে হাল ধরেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রতিষ্ঠানকে ভিন্নমাত্রায় নিয়ে যান। বর্তমানে ফোর্ড প্রতিষ্ঠান পারিবারিক ব্যবসা হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
৪. দ্য মার্সালিস পরিবার
নিউ অরলেন্সে জাজ পিয়ানোবাদক এলিস মার্সালিস তার সংগীত সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। তার বাবা ছিলেন ব্যবসায়ী এবং সংগীতের পৃষ্ঠপোষক। এই বংশের এলিস জুনিয়র ২০০৮ সালে লুসিয়ানা মিউজক হল অব ফেম-এ অন্তর্ভুক্ত হন। তার বড়ভাই গ্র্যামি-অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী স্যাক্সোফনিস্ট। ১৯৯৭ সালে ‘ব্লাড অন দ্য ফিল্ডস’ কম্পোজিশনের মাধ্যমে প্রথম পুলিৎজার পুরস্কার বাগিয়ে নেন এই মার্সালিস বংশের উইনটন।
৫. দ্য মেলোন পরিবার
পিটসবার্গ থেকে নাগরিকত্ব পরিবর্তন করে পেনসিলভেনিয়াতে আসা এক আইরিশ পরিবার প্রতিষ্ঠা করেন দ্য ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক মেলোন, শেভরন, অ্যালুমিনিয়াম কম্পানি অব আমেরিকা (এএলসিওএ) এবং নিউ ইয়র্ক শিপবিল্ডিং। এগুলো তাদের বহু প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিখ্যাত। তাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা পায় ১৮৬৯ সালে বিচারক থমাস মেলোনের ‘টি মেলোন এন্ড সন্স’ যা বর্তমানে ‘ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। তার দুই সুপুত্র অ্যানড্রিউ ও রিচার্ড ‘ইউনিয়ন স্টিল’ প্রতিষ্ঠা করেন যা ছিলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টিল শিল্পপ্রতিষ্ঠান। অ্যালুমিনিয়াম ও কয়লা খাতে নানা অবদানের মাধ্যমে তারা সাম্রাজ্যকে শীর্ষে নিয়ে যান। ১৯২১ সালে অ্যানড্রিউ ট্রেজিরি সেক্রেটারি হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়। তাদের বর্তমান বংশধররা পারিবারিক ঐতিহ্যকে এখনো সামনে নিয়ে যাচ্ছেন। অ্যানড্রিউয়ের মেয়ে অ্যালিসা সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। রিচার্ডের নাতনী কর্ডেলিয়া সুউচ্চ স্থানে রয়েছেন। তার নাতী পিটসবার্গ ট্রিবিউন-রিভিউয়ের মালিক এবং পেনসিলভেনিয়ার কয়েকটি রেডিও স্টেশনের প্রতিষ্ঠাতা।
৬. দ্য ম্যানিং পরিবার
আমেরিকান ফুটবল দুনিয়ার প্রথম পরিবার। ইউনিভার্সিটি অব মিসিসিপিতে আর্কি ম্যানিং তার ফুটবল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি নিউ অরলিন্স সেইন্টস, হাস্টন ওইলার্স এবং মিনেসোটা ভাইকিংস-এ খেলেছেন। তার তিন সন্তানকে খেলোয়াড় না বানালেও তার পৃষ্ঠপোষক বানিয়েছেন। পেটন এবং এলি এনএফএল এর ড্রাফট পিকের ব্যাক-টু-ব্যাক মৌসুমের সুপার বোল চ্যাম্পিয়ন জয় করেন। পেটন ২০১২ সালে ডেনভার ব্রঙ্কোসে চলে যান। এ বছরের এই দলকে সুপার বোলে নিয়ে গেছেন তিনি। ছোট ভাই এলি জায়ান্টস এর মালিক। এ ছাড়া স্যামসাং, ডিরেক্ট টিভি, রিবক এবং টয়োটার মালিকানা নিয়ে সাম্রাজ্য দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। এ দুজনের বড় ভাই কুপার মেরুদণ্ডের সমস্যার কারণে খেলেননি। তবে ব্যাংক খাতে বড় ধরনের ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন।
৭. দ্য হার্স্ট পরিবার
মিডিয়া ও প্রকাশনী খাতের সাম্রাজ্যের অধিকারী এই পরিবার। উইলিয়াম র‍্যানডলফ হার্স্ট প্রথম ‘ইয়েলো জার্নালিজম’কে জনপ্রিয় করে তোলেন। সান ফ্রান্সিসকোতে ছোট এক পত্রিকা থেকে আজ হার্স্ট করপোরেশন বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় ম্যাগাজিন ও প্রকাশনীর মাদার কনসার্ন। উইলিয়াম ১৯০৩ সালে মিলিসেন্ট উইলিয়ামকে বিয়ে করেন। তাদের পাঁচ সন্তান। আজ সেই বংশের উত্তরাধীকার আমান্ডা, জিলিয়ান এবং লাইডিয়া মডেলিংয়ে জড়িত এবং সমাজের উচ্চ আসনে রয়েছেন।
৮. দ্য প্রিৎজকার পরিবার
আইনের যাবতীয় বিষয়ের প্রতিষ্ঠাতা নিকোলাস প্রিৎজকার। তিনি কিয়েভ থেকে শোচনীয় অবস্থায় আমেরিকা আসেন এবং ইংরেজি শিখে একটি আইন স্কুলে শিক্ষা নেন। তার তিন সন্তান হ্যারি, আব্রাহাম এবং জ্যাক রিয়েল এস্টেটসহ ছোট ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন। আব্রাহাম মানব কল্যাণের উদ্দেশ্যে ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোতে প্রিৎজকার স্কুল অব মেডিসিন প্রতিষ্ঠা করেন। তার তিন সন্তান জে, রবার্ট এবং ডোনাল্ড হাইয়াট হোটেল প্রতিষ্ঠা করেন যার শাখা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে। জের সন্তান ডেনিয়েল এবং জন জাজ মিউজিশিয়ান। তার মেয়ে জিন সিনেমা নির্মাতা। তা ছাড়া অন্যান্যরা জড়িয়ে রয়েছেন এসব ব্যবসার সঙ্গে।
৯. দ্য মারডক পরিবার
অস্ট্রেলিয়ান-আমেরিকান মিডিয়া মোগল এই পরিবার। কিথ মারডক অস্ট্রেলিয়ার প্রথম জাতীয় মিডিয়া চেইন ‘নিউজ মিডিয়া’ প্রতিষ্ঠা করেন। কিথের চার সন্তান। তার ছেলে কিথ রুপার্ট এই সাম্রাজ্য দেখভালের দায়িত্ব নেন। ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ তার প্রতিষ্ঠা করা প্রথম ট্যাবলয়েড। তিনি ‘নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন দ্য ইউকে’ নিয়ে নেন। বর্তমানে তিনি আমেরিকার নাগরিকত্ব নিয়েছেন।
১০. দ্য রকফেলার পরিবার
ব্যাংকিং খাতের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন এই পরিবার। জার্মানি থেকে রকফেলার ১৭২০ সালে আমেরিকায় আসেন। সিভিল ওয়ারের সময় তারা উৎপাদনের ব্যবসা শুরু করেন। যুদ্ধের পর তেল খাতে বিনিয়োগ শুরু করেন তারা। জন ডি রকফেলার রিয়েল এস্টেটেও বিনিয়োগ করেন। জনের ছেলে জন জুনিয়র রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় সবচেয়ে বড় স্টক হোল্ডার। অন্য ছেলে নেলসন রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং নিউ ইয়র্কের গভর্নর হিসেবে চারবার দায়িত্ব পালন করেন। জন ডি এর ভাই (তিন) লিংকন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন এবং আরেক ভাইয়ের ছেলে ‘চেজ ব্যাংক’ এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে জন (তিন) এর ছেলে চতুর্থ জন ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার সিনেটর হিসেবে রয়েছেন সেই ১৯৮৪ সাল থেকে।
১১. দ্য কপ্পোলা পরিবার
বিনোদন পারিবারিক ঐতিহ্য থেকে ‘দ্য গড ফাদার’ পরিচালনা করেন ফ্রান্সিস ফোর্ড কপ্পোলা। পাশাপাশি ‘দ্য গ্রেট গ্যাটসবাই’ এবং ‘অ্যাপোকেলিপস নাউ’ এর মতো ছবিগুলো তাকে তিনটি অস্কার এবং দুটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড এনে দেয়। এই পরিবারের সদস্যরা প্রায় দুই ডজনেরও বেশি পুরস্কার অর্জন করেন।
১২. দ্য কোচ পরিবার
চার্লস কোপ এবং ভাই ডেভিড কোচ মিলে শুরু করেন ‘কোচ ইন্ডাস্ট্রিজ’। এটি আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহৎ প্রাইভেট কম্পানি। টেক্সাসের পোর্ট আর্থারে ফ্রেড কোচের ব্যবসা শুরুর মধ্য দিয়ে তাদের উত্থান ঘটে। বিশ শতকের মাঝামাঝি ‘রক আইল্যান্ড ওয়েল অ্যান্ড রিফাইনিং কম্পানি’ খ্যাতি লাভ করে। এ ছাড়া তাদের বর্তমানে বিশাল রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক রয়েছে।
১৩. দ্য সালজবার্গার-ওচ পরিবার
‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’ এই পরিবারের ব্যবসা। এর প্রতিষ্ঠাতার দাদা আর্থার হেইস সালজবার্গার একটি পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন এবং প্রকাশক এডলফ ওচের মেয়েকে বিয়ে করেন। শশুরের মৃত্যুর পর প্রকাশক হিসেবেও কাজ শুরু করেন তিনি। ১৯৯২ সালে বাবার অবসরের পর ছেলে আর্থার ওচস সালজবার্গার ব্যবসার হাল ধরেন। তার ছেলে আর্থার গ্রেগ ২০১২ সালে টাইমস মেট্রো ডেস্কের এডিটর হন।
১৪. দ্য লরেন পরিবার
আধুনিককালের যতো সব খুচরা ব্যবসার মহারথী এই পরিবার। নিউ ইয়র্কে এক ইহুদি বংশে জন্ম রালফ লরেন। চাকরি করা অবস্থায় তিনি একটি টাইয়ের নকশা করেন যা ‘পোলো লেবেল’ এর জন্ম দেয়। ধীরে ধীরে তিনি পোশাকের ডিজাইনার হিসেবে আইকনিক হয়ে ওঠেন। রালফ এবং স্ত্রী রিকি অ্যানার তিন সন্তান অ্যানড্রিউ, ডেভিড এবং মেয়ে ডিলান। এদের মধ্যে একমাত্র ডেভিড বাবার ব্যাবসায় প্রবেশ করেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের ভাতিজি লরেনকে বিয়ে করেন এবং রালফ-লরেন করপোরেট প্রতিষ্ঠা করেন।
১৫. দ্যা কার্দাসিয়ান পরিবার

আমেরিকার প্রতাপশালী ২৩ পরিবারের সাম্রাজ্য কথা

তারা বিনোদন জগতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক। তারা পরিচিতি পান ১৯৭৬ এর অলিম্পিক খেলোয়াড় সৎ বাবা ব্রুস জেনার ও কিম কার্দাসিয়ানের যৌন ভিডিওচিত্র দিয়ে। এ পরিচিতিকে স্থায়ীত্ব দিয়েছেন রিয়েলিটি টিভি শো ‘কিপিং আপ উইথ দ্য কার্দাসিয়ানস’ এর মাধ্যমে। ব্রুস জেনার ক্রিস হাগটন জেনারকে বিয়ে করেন। ক্রিসের সাবেক স্বামী রবার্ট কার্দাসিয়ানের কয়েকজন সন্তান ছিলো। রবার্ট একজন শক্তিশালী অ্যাটর্নি ছিলেন। বর্তমানে কার্দাসিয়ান পরিবারের সন্তানরা বেশ দাপটের সঙ্গে টিভি জগতে দিন কাটাচ্ছেন। কিম কার্দাসিয়ান বর্তমানের সবচেয়ে বড় মাপের রিয়েলিটি শোয়ের তারকা।
১৬. দ্য এলিসন পরিবার
ল্যারি এলিসন প্রযুক্তি দুনিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালীদের মধ্যে একজন। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বিশাল শিল্প সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। তিনি একজন রিয়েল এস্টেট মোগলও বটে। তার তৃতীয় স্ত্রীর ঘরে দুই সন্তান মেগান ও ডেভিড। এরা দুজন বেশ সুনামের সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছেন এই পরিবারের আরেক ব্যবসার খাত হলিউড সিনেমা জগত।
১৭. দ্য লন্ডার পরিবার
এস্তি লন্ডার প্রসাধনী জগতের শেঠ। এই নারী নিউ ইয়র্কে জন্মগ্রহণ করেন এবং নিজে প্রসাধনী বানিয়ে তা স্থানীয় সেলুনে সরবরাহ করতেন। তার স্বামী জো চল্লিশের দশকে প্রতিষ্ঠিত ‘এস্তি লন্ডার কসমেটিকস’ এর পরিচালনায় সাহায্য করতেন। বর্তমানে এই বংশের ছেলে-মেয়েরা দুনিয়াজুড়ে তাদের বিশাল প্রসাধনী ব্যবসা ধরে রেখেছেন। তা ছাড়া নিউ ইয়র্কের ‘নিউই গ্যালারি’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং হুইটনি মিউজিয়ামের ট্রাস্টি তারা।
১৮. দ্য টিসচ পরিবার
লরেন্স অ্যালেন টিসচ এবং তার ছোট ভাই প্রেস্টন রবার্ট হোটেলের ব্যবসায় তাদের সাম্রাজ্য স্থাপন করেন। তারা দ্রুত ‘এমজিএম স্টুডিও’ কিনে নেন। বর্তমানে তাদের ইন্স্যুরেন্স, তেল খনি এবং পাইপলাইন ট্রান্সপোর্টের ব্যবসা রয়েছে। বর্তমানে দুই ভাইয়ের দুই স্ত্রী জোয়ান এবং উইলমা এই বিশাল ব্যবসা সাম্রাজ্যের পরিচালনা করছেন। তাদের সন্তানেরা বর্তমানে ব্যবসার বিভিন্ন দিকে রয়েছেন।
১৯. দ্য কেনেডি পরিবার
আমেরিকার রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী পরিবার। এ পরিবারের প্রথমজন ১৮৪৮ সালে আয়ারল্যান্ড থেকে বোস্টনে আসেন। এক পুরুষ পরই তারা রাজনীতিতে যোগ দেন। প্যাট্রিক জোসেফ ম্যাসাচুসেটনের গভর্নর হন। তিনি ব্রিটেনের আমেরিকান অ্যাম্বাসাডর হন। তার নয় সন্তান। শেষের তিন সন্তান সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ে ছিলেন। তাদের মধ্যে জে এফ কেনেডি ছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। এই পরিবারের বংশধররা বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত রয়েছেন।
২০. দ্য ভ্যানডারবিল্ট পরিবার
এরা আমেরিকার সবচেয়ে পুরনো পরিবার। তারা ডাচ বংশের মানুষ। উনিশ শতকের শেষ দিকে তারা ধনশালী হয়ে ওঠেন। এ পরিবারের শুরু হয় কর্নেলিয়াস ভ্যানডারবিল্টের মাধ্যমে। তিনি দরিদ্র ছিলেন। তবে বিয়ে করেন ধনীর মেয়েকে। নদীতে শিপিং ব্যবসা শুরুর পর এ পরিবারের সন্তান বিলি তা বিশাল পর্যায়ে নিয়ে যান। পরে এ পরিবার নিউ ইয়র্কের গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল টার্মিনাল তৈরি করে এবং এই খাতেই বড় মাপের বিনিয়োড় গড়ে তোলেন। এ বংশের রক্ত গ্লোরিয়া ব্লু জিনসের প্রথম দিকের ডিজাইনার। বর্তামানে এ বংশের উত্তরাধিকাররা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করে বিশাল ব্যবসা সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন।
২১. দ্য ওয়ালটন পরিবার
স্যাম ওয়ালটন এবং তার ভাই জিম ১৯৪৫ সালে আরকানসাসে প্রথম দোকান খোলেন। ওয়ালমার্টের মতো বিশাল স্টোর গড়ে তুলেছেন তারা। তাদের আর্ভেস্ট ব্যাংক বর্তমানে বিশাল লাভে রয়েছে। এ ছাড়া তাদের বড় বোন অ্যালিস ‘ক্রিস্টাল ব্রিজেস মিউজিয়াম অব আমেরিকান আর্ট’ এর চেয়ারম্যান এবং রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এ বংশের অন্যান্যরা খেলাধুলার সঙ্গেও যুক্ত।
২২. দ্য বুশ পরিবার

আমেরিকার প্রতাপশালী ২৩ পরিবারের সাম্রাজ্য কথা

আমেরিকান সরকারের আপিল এবং আইন বিভাগে কাজ করেছেন বুশ পরিবার। এই পরিবার থেকে আমেরিকার দুজন প্রেসিডেন্ট এবং দুজন স্টেট গভর্নর এসেছেন। তাদের পরিবারের মূল উৎস তেল। তবে তেল একটিমাত্র খাত যা বুশ পরিবারের ব্যবসা সাম্রাজ্যের অংশ। ব্যাংকিং খাতের বড় বিনিয়োগ ছাড়াও আমেরিকার চেম্বার অব কমার্স প্রতিষ্ঠা করে এই পরিবার। এ বংশের অন্যান্য উত্তরাধিকাররা শিল্প, সাংবাদিকতা এবং রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
২৩. দ্য ক্লিনটন পরিবার

আমেরিকার প্রতাপশালী ২৩ পরিবারের সাম্রাজ্য কথা

নব্য প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবার। আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন জন্ম নেন উইলিয়াম ব্লাইদি (তিন) এর ঘরে। জেএফ কেনেডির দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার আগে তিনি সংগীতে ক্যারিয়ার গড়তে চেয়েছিলেন। তার স্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ইউএস এর সেক্রেটারি অব স্টেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার -কালের কণ্ঠ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV