Monday, 22 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

জান্নাত পেতে হলে মাকে খুশি রাখতে হবে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 14 বার

প্রকাশিত: May 26, 2014 | 5:22 PM

মুফতি আবদুল রশিদ তত্ত্ববাদী : 
মহানবী (সা.) এক দিন ‘জান্নাতুল বাকী’ কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ কবরের দিকে নজর পড়ে গেল। কবরে ভীষণ আজাব চলছিল। কবরবাসী ছিল এক যুবক। আল্লাহর রাসূল (সা.) সাহাবিদের গ্রামের ভেতর পাঠালেন এবং নবী করীম (সা.)-এর কাছে আসতে বললেন। সাহাবীরা কবরস্থানের চারপাশের গ্রামবাসীকে দ্রুত কবরস্থানে আসার জন্য আহ্বান করলেন। এলাকাবাসী একের পর এক আসতে শুরু করল। নবী করীম (সা.) জিজ্ঞাসা করতে শুরু করলেন। এ কবরবাসী কে তোমরা চিন? উত্তরে বললেন, না, আমরা চিনি না। এভাবে জিজ্ঞাসা করতে থাকেন; কিন্তু পরিচয় পাওয়া যায় না। হঠাৎ নজর করে দেখে এক বৃদ্ধা লাঠিতে ভর করে আসছেন। নবী করীম (সা.)-এর কাছে এসে সালাম দিলেন। নবী করীম (সা.) বুড়িকে বললেন, কবরবাসী কে চিনেন। বুড়ি উত্তর দিলেন যে, কবরবাসী আমার ছেলে। নবী করীম (সা.) বললেন, ছেলে কি নামাজ-রোজা করত না? বুড়ি উত্তর দিল যে, হ্যাঁ নামাজ-রোজা করত। তাহলে, বলুন আপনার সঙ্গে কেমন আচরণ করত। বুড়ি উত্তর দিল, আমার সঙ্গে ভালো আচরণ করেনি। ছেলে থাকত দেশের বাইরে। বাড়িতে এলে আমি দৌড়ে ছেলের কাছে আসলাম। কিন্তু বউমা ছেলের কানে কানে কী যেন বলল, আমি দরজার কাছে গেলাম। ছেলে আমাকে ধাক্কা দিল। আমি দরজার সিঁড়ির ওপর পড়ে যাই। হুজুর, আমার কোমরে ব্যথা। আমি হাঁটতে পারি না, লাঠিতে ভর করে হাঁটি। নবী করীম (সা.) তাকে বললেন, আপনি আপনার ছেলেকে মাফ করে দেন। বুড়ি বললেন, না, আমি মাফ করব না। নবী করীম (সা.) আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন। আল্লাহ বুড়ির অন্তরের চোখ কবরের দিকে ফিরিয়ে দাও। দোয়ার পরে বুড়ির অন্তরের চোখ খুলে গেল। বুড়ি বলল, হুজুর আমার ছেলের কবরে আজাব চলছে। আমি ছেলেকে মাফ করে দিলাম। আমার ছেলেকে আল্লাহ যেন মাফ করে দেন। আল্লাহর পক্ষ থেকে জবাব এলো, তোমার ছেলেকে ক্ষমা করা হয়েছে এবং জান্নাতের ফরাস বিছানা বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। অতএব জান্নাত পেতে হলে মায়ের খুশি থাকা দরকার। [সূত্র : নুজহাতুল বাসাতিন] লেখক : খতিব, সারুলিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, ঢাকা।বাংলাদেশ প্রতিদিন

 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV