Wednesday, 28 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

জান্নাত পেতে হলে মাকে খুশি রাখতে হবে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 79 বার

প্রকাশিত: May 26, 2014 | 5:22 PM

মুফতি আবদুল রশিদ তত্ত্ববাদী : 
মহানবী (সা.) এক দিন ‘জান্নাতুল বাকী’ কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ কবরের দিকে নজর পড়ে গেল। কবরে ভীষণ আজাব চলছিল। কবরবাসী ছিল এক যুবক। আল্লাহর রাসূল (সা.) সাহাবিদের গ্রামের ভেতর পাঠালেন এবং নবী করীম (সা.)-এর কাছে আসতে বললেন। সাহাবীরা কবরস্থানের চারপাশের গ্রামবাসীকে দ্রুত কবরস্থানে আসার জন্য আহ্বান করলেন। এলাকাবাসী একের পর এক আসতে শুরু করল। নবী করীম (সা.) জিজ্ঞাসা করতে শুরু করলেন। এ কবরবাসী কে তোমরা চিন? উত্তরে বললেন, না, আমরা চিনি না। এভাবে জিজ্ঞাসা করতে থাকেন; কিন্তু পরিচয় পাওয়া যায় না। হঠাৎ নজর করে দেখে এক বৃদ্ধা লাঠিতে ভর করে আসছেন। নবী করীম (সা.)-এর কাছে এসে সালাম দিলেন। নবী করীম (সা.) বুড়িকে বললেন, কবরবাসী কে চিনেন। বুড়ি উত্তর দিলেন যে, কবরবাসী আমার ছেলে। নবী করীম (সা.) বললেন, ছেলে কি নামাজ-রোজা করত না? বুড়ি উত্তর দিল যে, হ্যাঁ নামাজ-রোজা করত। তাহলে, বলুন আপনার সঙ্গে কেমন আচরণ করত। বুড়ি উত্তর দিল, আমার সঙ্গে ভালো আচরণ করেনি। ছেলে থাকত দেশের বাইরে। বাড়িতে এলে আমি দৌড়ে ছেলের কাছে আসলাম। কিন্তু বউমা ছেলের কানে কানে কী যেন বলল, আমি দরজার কাছে গেলাম। ছেলে আমাকে ধাক্কা দিল। আমি দরজার সিঁড়ির ওপর পড়ে যাই। হুজুর, আমার কোমরে ব্যথা। আমি হাঁটতে পারি না, লাঠিতে ভর করে হাঁটি। নবী করীম (সা.) তাকে বললেন, আপনি আপনার ছেলেকে মাফ করে দেন। বুড়ি বললেন, না, আমি মাফ করব না। নবী করীম (সা.) আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন। আল্লাহ বুড়ির অন্তরের চোখ কবরের দিকে ফিরিয়ে দাও। দোয়ার পরে বুড়ির অন্তরের চোখ খুলে গেল। বুড়ি বলল, হুজুর আমার ছেলের কবরে আজাব চলছে। আমি ছেলেকে মাফ করে দিলাম। আমার ছেলেকে আল্লাহ যেন মাফ করে দেন। আল্লাহর পক্ষ থেকে জবাব এলো, তোমার ছেলেকে ক্ষমা করা হয়েছে এবং জান্নাতের ফরাস বিছানা বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। অতএব জান্নাত পেতে হলে মায়ের খুশি থাকা দরকার। [সূত্র : নুজহাতুল বাসাতিন] লেখক : খতিব, সারুলিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, ঢাকা।বাংলাদেশ প্রতিদিন

 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ